ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জোর করে বশ্যতা স্বীকার করানোর চেষ্টা প্রতিহত করবে ইরান: পেজেশকিয়ান Logo জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ জিসানের পদত্যাগের ঘোষণা Logo বুটেক্সে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সাত দফা দাবি Logo নবীন বিতার্কিক তৈরির লক্ষ্যে কুবি ডিবেটিং সোসাইটির ‘ক্রাউন অব আর্গুমেন্টস’ Logo পাবিপ্রবির জুলাই–৬ হলের খাবারে মিলল পোকা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা Logo বাকৃবিতে ৩১৮ গবেষণাপত্র নিয়ে বিএসভিইআরের সম্মেলন Logo বিডিটিকেটসে দ্রুত টিকেট বুকিংয়ের পাশাপাশি দ্রুত রিফান্ড সুবিধা Logo ভিভোর পৃষ্ঠপোষকতায় এনইউবিতে তিন দিনের ক্লাব ফেস্ট Logo কবি নজরুল কলেজে ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকার বাজেট, বেতন-ভাতায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ Logo গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি হলো ভিন্নমতকে সম্মান করা : মির্জা ফখরুল

পোস্টার নিষেধাজ্ঞায় বদলেছে নির্বাচনী প্রচারণা, জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ এবং ব্যানার ও ফেস্টুন ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে রাজধানীর নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। আগের নির্বাচনগুলোর মতো এবার আর দেয়াল, খুঁটি কিংবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে পোস্টারের ছড়াছড়ি নেই।

রাজধানীর পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার, নারিন্দা, কলতাবাজার ও ধূপখোলা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও রাস্তাঘাট, বাজার কিংবা পার্কে কোনো পোস্টার চোখে পড়েনি। কোথাও কোথাও হাতে গোনা কয়েকটি ব্যানার বা ফেস্টুন দেখা গেলেও তা আগের তুলনায় অনেক কম।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বললে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও অনেকে বলছেন, পোস্টার না থাকায় প্রার্থীদের পরিচিতি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের মতে, কোন প্রার্থী কোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন—তা বোঝার সুযোগ কমে গেছে।

তবে পরিবেশ রক্ষার দিক থেকে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। তারা বলছেন, অতীতে পোস্টার ও ব্যানারের কারণে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হতো এবং নির্বাচন শেষে সেগুলো আবর্জনায় পরিণত হতো।

শাহজাহান নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আগে জাতীয় নির্বাচন ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন এলেই শহরজুড়ে পোস্টারে ভরে যেত। এবার সেই চিত্র নেই, যা ভালো উদ্যোগ।’

আরেক বাসিন্দা ইলিয়াস বলেন, ‘পোস্টারের সঙ্গে পলিথিন ব্যবহার হতো, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ছিল। নিষেধাজ্ঞার ফলে পরিবেশ দূষণ কমবে।’

পোস্টার নিষিদ্ধের ফলে পরিবেশবান্ধব নির্বাচন নিশ্চিত হলেও ভোটারদের কাছে প্রার্থীদের পরিচিতি তুলে ধরতে বিকল্প প্রচারণা পদ্ধতিতে জোর দেওয়া প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

জোর করে বশ্যতা স্বীকার করানোর চেষ্টা প্রতিহত করবে ইরান: পেজেশকিয়ান

পোস্টার নিষেধাজ্ঞায় বদলেছে নির্বাচনী প্রচারণা, জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া 

প্রকাশিত ০১:৩২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ এবং ব্যানার ও ফেস্টুন ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে রাজধানীর নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। আগের নির্বাচনগুলোর মতো এবার আর দেয়াল, খুঁটি কিংবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে পোস্টারের ছড়াছড়ি নেই।

রাজধানীর পুরান ঢাকার লক্ষীবাজার, নারিন্দা, কলতাবাজার ও ধূপখোলা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও রাস্তাঘাট, বাজার কিংবা পার্কে কোনো পোস্টার চোখে পড়েনি। কোথাও কোথাও হাতে গোনা কয়েকটি ব্যানার বা ফেস্টুন দেখা গেলেও তা আগের তুলনায় অনেক কম।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বললে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও অনেকে বলছেন, পোস্টার না থাকায় প্রার্থীদের পরিচিতি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের মতে, কোন প্রার্থী কোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন—তা বোঝার সুযোগ কমে গেছে।

তবে পরিবেশ রক্ষার দিক থেকে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। তারা বলছেন, অতীতে পোস্টার ও ব্যানারের কারণে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হতো এবং নির্বাচন শেষে সেগুলো আবর্জনায় পরিণত হতো।

শাহজাহান নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আগে জাতীয় নির্বাচন ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন এলেই শহরজুড়ে পোস্টারে ভরে যেত। এবার সেই চিত্র নেই, যা ভালো উদ্যোগ।’

আরেক বাসিন্দা ইলিয়াস বলেন, ‘পোস্টারের সঙ্গে পলিথিন ব্যবহার হতো, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ছিল। নিষেধাজ্ঞার ফলে পরিবেশ দূষণ কমবে।’

পোস্টার নিষিদ্ধের ফলে পরিবেশবান্ধব নির্বাচন নিশ্চিত হলেও ভোটারদের কাছে প্রার্থীদের পরিচিতি তুলে ধরতে বিকল্প প্রচারণা পদ্ধতিতে জোর দেওয়া প্রয়োজন।