ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ Logo বাকৃবিতে ২২ জন শিশু পেলো কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন বৃত্তির সনদপত্র Logo বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই মার্কেট সার্ভের সমাপনী ও সনদ বিতরণ Logo ৩ আগস্ট ববিতে আসছেন মুফতি ফয়জুল করীম Logo গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা Logo গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করলো পুলিশ Logo জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে: মাহমুদা মিতু Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করলো পুলিশ

দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ। পুলিশের ব্যবহৃত যানবাহনকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) এক জরুরি বার্তায় এ নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন্স কন্ট্রোল। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি মিডিয়া) শাহাদাত হোসাইন সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘নিয়মিত বার্তার অংশ হিসেবে পুলিশের অপারেশন উইং থেকে একটি বার্তা দিয়েছে। তবে রাজধানীতে দুটি স্থানে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ায় অনেক গণমাধ্যম হয়তো বিষয়টিকে সেটির সঙ্গে মিলিয়ে লিখেছে।’

পুলিশের ওই বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য বা দুষ্কৃতকারীরা পুলিশের জিপ, পিকআপ, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের ওপর হামলা চালাতে পারে- গোয়েন্দা সংস্থার এমন তথ্যের ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে তাৎক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবহলোর সুযোগ নেই উল্লেল করে ওই বার্তায় বলা হয়েছে, পুলিশের যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শিথিলতা বা অবহেলার সুযোগ নেই। বিশেষ করে ডিউটির সময় এবং ডিউটি শেষে পার্কিং করা যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

ওই বার্তায় আরও বলা হয়, দায়িত্বে থাকা কোনো যানবাহন সাময়িকভাবে থামানোর প্রয়োজন হলে সেটি অবশ্যই নিরাপদ স্থানে পার্ক করতে হবে এবং পুলিশের সদস্যদের সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই চালক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য ছাড়া যানবাহন ফেলে রাখা যাবে না। অর্থাৎ আনঅ্যাটেন্ডেড অবস্থায় কোনো পুলিশি যানবাহন রাখার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এছাড়া দায়িত্ব পালন শেষ হওয়ার পর থানা, পুলিশ লাইন্স, অফিস কম্পাউন্ড কিংবা অন্যান্য নির্ধারিত স্থানে রাখা সব সরকারি যানবাহনের নিরাপত্তাও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব স্থানে নিয়মিত টহল, প্রয়োজনীয় নজরদারি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু শনাক্তে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর বার্তায় বিষয়টিকে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে উল্লেখ করে দেশের সব মহানগর, রেঞ্জ, জেলা ও ইউনিটের কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

জনপ্রিয়

তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করলো পুলিশ

প্রকাশিত ১১:০৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ। পুলিশের ব্যবহৃত যানবাহনকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) এক জরুরি বার্তায় এ নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন্স কন্ট্রোল। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি মিডিয়া) শাহাদাত হোসাইন সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘নিয়মিত বার্তার অংশ হিসেবে পুলিশের অপারেশন উইং থেকে একটি বার্তা দিয়েছে। তবে রাজধানীতে দুটি স্থানে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ায় অনেক গণমাধ্যম হয়তো বিষয়টিকে সেটির সঙ্গে মিলিয়ে লিখেছে।’

পুলিশের ওই বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য বা দুষ্কৃতকারীরা পুলিশের জিপ, পিকআপ, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের ওপর হামলা চালাতে পারে- গোয়েন্দা সংস্থার এমন তথ্যের ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে তাৎক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবহলোর সুযোগ নেই উল্লেল করে ওই বার্তায় বলা হয়েছে, পুলিশের যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শিথিলতা বা অবহেলার সুযোগ নেই। বিশেষ করে ডিউটির সময় এবং ডিউটি শেষে পার্কিং করা যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

ওই বার্তায় আরও বলা হয়, দায়িত্বে থাকা কোনো যানবাহন সাময়িকভাবে থামানোর প্রয়োজন হলে সেটি অবশ্যই নিরাপদ স্থানে পার্ক করতে হবে এবং পুলিশের সদস্যদের সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই চালক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য ছাড়া যানবাহন ফেলে রাখা যাবে না। অর্থাৎ আনঅ্যাটেন্ডেড অবস্থায় কোনো পুলিশি যানবাহন রাখার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এছাড়া দায়িত্ব পালন শেষ হওয়ার পর থানা, পুলিশ লাইন্স, অফিস কম্পাউন্ড কিংবা অন্যান্য নির্ধারিত স্থানে রাখা সব সরকারি যানবাহনের নিরাপত্তাও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব স্থানে নিয়মিত টহল, প্রয়োজনীয় নজরদারি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু শনাক্তে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর বার্তায় বিষয়টিকে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে উল্লেখ করে দেশের সব মহানগর, রেঞ্জ, জেলা ও ইউনিটের কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।