ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক Logo রাবি ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক হিসেবে সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীবের আত্মপ্রকাশ

সারাদেশে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে জাবিতে মানববন্ধন

হাতিয়ায় গৃহবধূ ধর্ষণের অভিযোগে এবং সারাদেশে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একদল শিক্ষার্থী।

আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন তারা।

মানববন্ধনটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ফাইজান আহমেদ অর্ক।

এসময় ইতিহাস বিভাগের ৫৪তম আবর্তনের শিক্ষার্থী বিশ্বজিৎ রায় বলেন, ‘নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যাদেরকে ক্ষমতায় পাঠানো হয়েছে, তাদেরকে নিজের ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য তাদেরকে রাষ্ট্রের চেয়ারে বসানো হয় নাই। তাদের রাষ্ট্রের চেয়ারে বসানো হয়েছে জনগণকে দেখভালের জন্য। জনগণের সুবিধা অসুবিধা দেখার জন্য। আজকের দিনে তারা নির্বাচন পরবর্তী যে সহিংসতা দেশে সংঘটিত করছে, বিভিন্ন জায়গায় হামলা, বিভিন্ন পার্টি অফিস ভাঙচুর এই সমস্ত ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি। একইসাথে হাতিয়ায় যে ধর্ষণের একটা ঘটনা শোনা গেছে এই অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সংগঠক জাওয়াদুল ইসলাম জামিল বলেন, ‘নির্বাচিত সরকার এখনো পর্যন্ত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ করতে পারে নাই কিন্তু তারা যারা যে আসনে ক্ষমতায় এসেছে, তার বিরোধী পক্ষের পার্টি অফিস ভাঙচুর, বিরোধী পক্ষের প্রতিটি নেতাকর্মী আজকে লাইফ থ্রেট দেওয়া হচ্ছে। কাউকে ধর্ষণ করা হচ্ছে, কারো বাড়িঘর ভাংচুর করা হচ্ছে। এই আজকে বাংলাদেশের অবস্থা। এরকম ভাবে যদি চলতে থাকে আগামীতে যখন তারা শপথ গ্রহণ করবে প্রশাসন যখন তাদের কাছে চলে আসবে তাহলে তারা কিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। তারপর তো তারা আরো বেশি সহিংস হয়ে উঠবে।’

সমাপনী বক্তব্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক সজীব আহমেদ জেনিচ বলেন, ‘ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং হাতিয়াতে আমরা শুনতে পাচ্ছি যে একটা ধর্ষণের ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে এবং সেই ইস্যুটা নাকি শাপলাকলিতে ভোট দেওয়ার কারণে। ছাত্রদল এবং যুবদলের নেতারা নাকি এই ধর্ষণকাণ্ডের সাথে যুক্ত। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই তথ্যটা ফাঁস হওয়ার পরে আমরা দেখলাম পক্ষে বিপক্ষে নানান মত দেখা যাচ্ছে এবং কোন মিডিয়ায় সত্য ঘটনা উল্লেখ করতে পারতেছে না। আমরা দাবি জানাই যে হাতিয়ার যে ধর্ষণকাণ্ড এইটার সুষ্ঠ তদন্ত করতে হবে। যে অভিযোগ আসছে তদন্তের মাধ্যমে বিচার করতে হবে এবং যদি তদন্তে প্রমাণ মিলে যে ধর্ষণ আসলে ঘটে নাই, এই বিভ্রান্তি যারা ছড়াইছে সেই বিভ্রান্তকারীদের তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’

জনপ্রিয়

রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো

সারাদেশে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে জাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত ০৯:০০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হাতিয়ায় গৃহবধূ ধর্ষণের অভিযোগে এবং সারাদেশে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একদল শিক্ষার্থী।

আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন তারা।

মানববন্ধনটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ফাইজান আহমেদ অর্ক।

এসময় ইতিহাস বিভাগের ৫৪তম আবর্তনের শিক্ষার্থী বিশ্বজিৎ রায় বলেন, ‘নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যাদেরকে ক্ষমতায় পাঠানো হয়েছে, তাদেরকে নিজের ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য তাদেরকে রাষ্ট্রের চেয়ারে বসানো হয় নাই। তাদের রাষ্ট্রের চেয়ারে বসানো হয়েছে জনগণকে দেখভালের জন্য। জনগণের সুবিধা অসুবিধা দেখার জন্য। আজকের দিনে তারা নির্বাচন পরবর্তী যে সহিংসতা দেশে সংঘটিত করছে, বিভিন্ন জায়গায় হামলা, বিভিন্ন পার্টি অফিস ভাঙচুর এই সমস্ত ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি। একইসাথে হাতিয়ায় যে ধর্ষণের একটা ঘটনা শোনা গেছে এই অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সংগঠক জাওয়াদুল ইসলাম জামিল বলেন, ‘নির্বাচিত সরকার এখনো পর্যন্ত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ করতে পারে নাই কিন্তু তারা যারা যে আসনে ক্ষমতায় এসেছে, তার বিরোধী পক্ষের পার্টি অফিস ভাঙচুর, বিরোধী পক্ষের প্রতিটি নেতাকর্মী আজকে লাইফ থ্রেট দেওয়া হচ্ছে। কাউকে ধর্ষণ করা হচ্ছে, কারো বাড়িঘর ভাংচুর করা হচ্ছে। এই আজকে বাংলাদেশের অবস্থা। এরকম ভাবে যদি চলতে থাকে আগামীতে যখন তারা শপথ গ্রহণ করবে প্রশাসন যখন তাদের কাছে চলে আসবে তাহলে তারা কিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। তারপর তো তারা আরো বেশি সহিংস হয়ে উঠবে।’

সমাপনী বক্তব্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক সজীব আহমেদ জেনিচ বলেন, ‘ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং হাতিয়াতে আমরা শুনতে পাচ্ছি যে একটা ধর্ষণের ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে এবং সেই ইস্যুটা নাকি শাপলাকলিতে ভোট দেওয়ার কারণে। ছাত্রদল এবং যুবদলের নেতারা নাকি এই ধর্ষণকাণ্ডের সাথে যুক্ত। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই তথ্যটা ফাঁস হওয়ার পরে আমরা দেখলাম পক্ষে বিপক্ষে নানান মত দেখা যাচ্ছে এবং কোন মিডিয়ায় সত্য ঘটনা উল্লেখ করতে পারতেছে না। আমরা দাবি জানাই যে হাতিয়ার যে ধর্ষণকাণ্ড এইটার সুষ্ঠ তদন্ত করতে হবে। যে অভিযোগ আসছে তদন্তের মাধ্যমে বিচার করতে হবে এবং যদি তদন্তে প্রমাণ মিলে যে ধর্ষণ আসলে ঘটে নাই, এই বিভ্রান্তি যারা ছড়াইছে সেই বিভ্রান্তকারীদের তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’