ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক Logo রাবি ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক হিসেবে সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীবের আত্মপ্রকাশ

সমন্বয়হীনতায় জাকসু, একপাক্ষিক বিবৃতির অভিযোগ ভিপির

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিকে ঘিরে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতার অভিযোগ উঠেছে। জাকসুর ভিপি দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট বিবৃতিটি একপাক্ষিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এতে তার মতামত বা কনসার্ন প্রতিফলিত হয়নি।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাকসুর প্যাডে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অবস্থান তুলে ধরা হয়। বিবৃতিটি জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মো. মাজহারুল ইসলামের স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, “নোয়াখালির ভিক্টিমকে ঘিরে যে ঘটনাটি উল্লেখ করা হয়েছে, তা এখনো মেডিকেল রিপোর্টের মাধ্যমে সত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়নি। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে উপস্থাপন বা তার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার বিষয়ে আমি একমত নই।”

তিনি জানান যে, “প্রমাণ-ভিত্তিক অবস্থান ছাড়া আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এমন সংবেদনশীল বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা সমীচীন নয়।”

“ভবিষ্যতে জাকসুর যেকোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান গ্রহণের আগে অভ্যন্তরীণ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, যাতে ছাত্রসংসদের প্রাতিষ্ঠানিক গ্রহণযোগ্যতা অক্ষুণ্ণ থাকে” বলেও জানান।

এ বিষয়ে জাকসুর জিএস মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “ভিপি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন, তবে সমর্থন দেননি। জাকসু গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করে। শিক্ষার্থীদের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থে জাকসু সবসময় সোচ্চার থাকবে; কোথাও পক্ষপাত থাকলে শিক্ষার্থীরাই তা তুলে ধরবে। এখানে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগটির অস্পষ্ট।”

তিনি আরও জানান, “১৫ ফেব্রুয়ারির বিবৃতিতে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় উদ্বেগ, নোয়াখালির ঘটনাকে উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ (তবে কোনো চূড়ান্ত স্টেটমেন্ট নয়) এবং এক সাংবাদিককে তুলে নেওয়ার অভিযোগে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলকে পুরোনো সহিংসতার রাজনীতিতে না ফেরার আহ্বান জানানো হয়।”

তবে এ বিষয়ে জাকসুর অন্যান্য সদস্যদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো

সমন্বয়হীনতায় জাকসু, একপাক্ষিক বিবৃতির অভিযোগ ভিপির

প্রকাশিত ১১:০১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিকে ঘিরে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতার অভিযোগ উঠেছে। জাকসুর ভিপি দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট বিবৃতিটি একপাক্ষিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এতে তার মতামত বা কনসার্ন প্রতিফলিত হয়নি।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাকসুর প্যাডে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অবস্থান তুলে ধরা হয়। বিবৃতিটি জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মো. মাজহারুল ইসলামের স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, “নোয়াখালির ভিক্টিমকে ঘিরে যে ঘটনাটি উল্লেখ করা হয়েছে, তা এখনো মেডিকেল রিপোর্টের মাধ্যমে সত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়নি। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে উপস্থাপন বা তার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার বিষয়ে আমি একমত নই।”

তিনি জানান যে, “প্রমাণ-ভিত্তিক অবস্থান ছাড়া আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এমন সংবেদনশীল বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা সমীচীন নয়।”

“ভবিষ্যতে জাকসুর যেকোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান গ্রহণের আগে অভ্যন্তরীণ আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, যাতে ছাত্রসংসদের প্রাতিষ্ঠানিক গ্রহণযোগ্যতা অক্ষুণ্ণ থাকে” বলেও জানান।

এ বিষয়ে জাকসুর জিএস মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “ভিপি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন, তবে সমর্থন দেননি। জাকসু গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করে। শিক্ষার্থীদের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থে জাকসু সবসময় সোচ্চার থাকবে; কোথাও পক্ষপাত থাকলে শিক্ষার্থীরাই তা তুলে ধরবে। এখানে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগটির অস্পষ্ট।”

তিনি আরও জানান, “১৫ ফেব্রুয়ারির বিবৃতিতে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় উদ্বেগ, নোয়াখালির ঘটনাকে উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ (তবে কোনো চূড়ান্ত স্টেটমেন্ট নয়) এবং এক সাংবাদিককে তুলে নেওয়ার অভিযোগে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলকে পুরোনো সহিংসতার রাজনীতিতে না ফেরার আহ্বান জানানো হয়।”

তবে এ বিষয়ে জাকসুর অন্যান্য সদস্যদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।