ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সংকট নিরসনে ববিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আলোচনা; ফলাফল শূন্য Logo জাবিতে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী নাট্য উৎসব শুরু ২৮ এপ্রিল Logo জাবিতে সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক শিক্ষার্থীর বাঁধা Logo জাবি ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে আবারও মাছি, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ Logo জাকসু নেতার খাবার কান্ডকে কেন্দ্র করে জাবিতে উত্তেজনা Logo মিটফোর্ডে অভিযানে ৩০ দালাল আটক Logo চট্টগ্রাম সিটি কলেজে শিবিরের হামলাার প্রতিবাদে জাবিতে ছাত্রদলের লিখন Logo শিবিরের গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দেয়াল লিখন Logo শিবিরেরকে ‘গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবিতে ক্যাম্পাসে রাবি ছাত্রদলের দেয়াল লিখন  Logo চট্টগ্রামে সিটি কলেজে শিবিরের হামলার প্রতিবাদে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ

জাবিতে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী নাট্য উৎসব শুরু ২৮ এপ্রিল

‘মানুষ বেঁচে থাকো শিশুর হাসি নিয়ে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে আয়োজন করতে যাচ্ছে চার দিনব্যাপী নাট্য উৎসব ‘নাট্য উৎসব ২০২৬’। আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত টানা চার দিন চলবে এই নাট্যোৎসব।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে নাট্য উৎসবের আহ্বায়ক ঐশিক সামী আহমেদ কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে নাটক মঞ্চায়িত হবে। প্রথম দিনে মঞ্চস্থ হবে ঢাকা থিয়েটার প্রযোজিত ‘রংমহল’। দ্বিতীয় দিনে থাকবে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার প্রযোজিত ‘অশ্বথামা’। তৃতীয় দিন ৩০ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘মধ্যরাতের কবিতা ও গান’। চতুর্থ ও শেষ দিনে, ১ মে জহির রায়হান মিলনায়তন-এর ৩ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।

এ বছর জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার পদক ২০২৬ (নাট্য ব্যক্তিত্ব) পাচ্ছেন দিলারা জামান। শিক্ষা ব্যক্তিত্ব হিসেবে সম্মাননা পাচ্ছেন অরুণ কুমার বসাক। এছাড়া আলোক কুমার রায় পদক ২০২৬ গ্রহণ করবেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও থিয়েটারকর্মী মহিসিনা আক্তার।

এবিষয়ে নাট্য উৎসব আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ঐশীক সামী আহমেদ বলেন , “এবারের নাট্যউৎসবের স্লোগান ‘মানুষ বেঁচে থাকো শিশুর হাসি নিয়ে’ যেখানে বর্তমান বিশ্বে বিভাজন, হিংসা ও বৈরিতার প্রেক্ষাপটে মানুষের ভেতরের নির্মলতা, সহমর্মিতা ও ভালোবাসাকে পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। শিশুর হাসিকে এখানে প্রতীক হিসেবে ধরা হয়েছে, কারণ এতে নেই কোনো কপটতা বা বিভেদ; বরং আছে স্বচ্ছতা, মমতা ও মানবিকতার নিখাদ প্রকাশ। মানুষ যদি সেই শিশুসুলভ মানসিকতা ফিরে পায়, তবে ব্যক্তিগত কঠোরতা কমবে এবং সমাজ আরও মানবিক হয়ে উঠবে।”

“এই লক্ষ্য পূরণে শিল্পকে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা মানুষকে অনুভব, চিন্তা ও অন্যের প্রতি সহমর্মী হতে শেখায়। চার দিনব্যাপী এই নাট্যউৎসবের উদ্দেশ্য শুধু নাটক মঞ্চায়ন নয়, বরং শিল্পচর্চার মাধ্যমে মানুষের ভেতরের সৌন্দর্য ও মানবিকতা জাগিয়ে তোলা। মানুষ যেন শিল্পের মাধ্যমে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করে, বৈরিতা দূর করে এবং ভালোবাসা ও মানবিক বন্ধনের এক সুন্দর সমাজ গড়ে তোলে” এই প্রতাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

জনপ্রিয়

সংকট নিরসনে ববিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আলোচনা; ফলাফল শূন্য

জাবিতে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী নাট্য উৎসব শুরু ২৮ এপ্রিল

প্রকাশিত ১২:৫১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

‘মানুষ বেঁচে থাকো শিশুর হাসি নিয়ে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে আয়োজন করতে যাচ্ছে চার দিনব্যাপী নাট্য উৎসব ‘নাট্য উৎসব ২০২৬’। আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত টানা চার দিন চলবে এই নাট্যোৎসব।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে নাট্য উৎসবের আহ্বায়ক ঐশিক সামী আহমেদ কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে নাটক মঞ্চায়িত হবে। প্রথম দিনে মঞ্চস্থ হবে ঢাকা থিয়েটার প্রযোজিত ‘রংমহল’। দ্বিতীয় দিনে থাকবে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার প্রযোজিত ‘অশ্বথামা’। তৃতীয় দিন ৩০ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘মধ্যরাতের কবিতা ও গান’। চতুর্থ ও শেষ দিনে, ১ মে জহির রায়হান মিলনায়তন-এর ৩ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।

এ বছর জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার পদক ২০২৬ (নাট্য ব্যক্তিত্ব) পাচ্ছেন দিলারা জামান। শিক্ষা ব্যক্তিত্ব হিসেবে সম্মাননা পাচ্ছেন অরুণ কুমার বসাক। এছাড়া আলোক কুমার রায় পদক ২০২৬ গ্রহণ করবেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও থিয়েটারকর্মী মহিসিনা আক্তার।

এবিষয়ে নাট্য উৎসব আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ঐশীক সামী আহমেদ বলেন , “এবারের নাট্যউৎসবের স্লোগান ‘মানুষ বেঁচে থাকো শিশুর হাসি নিয়ে’ যেখানে বর্তমান বিশ্বে বিভাজন, হিংসা ও বৈরিতার প্রেক্ষাপটে মানুষের ভেতরের নির্মলতা, সহমর্মিতা ও ভালোবাসাকে পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। শিশুর হাসিকে এখানে প্রতীক হিসেবে ধরা হয়েছে, কারণ এতে নেই কোনো কপটতা বা বিভেদ; বরং আছে স্বচ্ছতা, মমতা ও মানবিকতার নিখাদ প্রকাশ। মানুষ যদি সেই শিশুসুলভ মানসিকতা ফিরে পায়, তবে ব্যক্তিগত কঠোরতা কমবে এবং সমাজ আরও মানবিক হয়ে উঠবে।”

“এই লক্ষ্য পূরণে শিল্পকে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা মানুষকে অনুভব, চিন্তা ও অন্যের প্রতি সহমর্মী হতে শেখায়। চার দিনব্যাপী এই নাট্যউৎসবের উদ্দেশ্য শুধু নাটক মঞ্চায়ন নয়, বরং শিল্পচর্চার মাধ্যমে মানুষের ভেতরের সৌন্দর্য ও মানবিকতা জাগিয়ে তোলা। মানুষ যেন শিল্পের মাধ্যমে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করে, বৈরিতা দূর করে এবং ভালোবাসা ও মানবিক বন্ধনের এক সুন্দর সমাজ গড়ে তোলে” এই প্রতাশা ব্যক্ত করেন তিনি।