ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বেনাপোলে ১৩টি স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি আটক Logo যশোরের ঝিকরগাছায় ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু Logo বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি মঈন, সেক্রেটারি তানভীর Logo ১৩ দেশ নিয়ে পাবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু আগামীকাল Logo আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে পাবিপ্রবিতে আসছেন চার বিদেশি গবেষক Logo হাবিপ্রবিতে হল সুপারের সিদ্ধান্তে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বিজয় ২৪ হলের শিক্ষার্থীরা Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি Logo ডুরার সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আতিক হাসান শুভ Logo নৃত্য পরিচালক জাকিরকে স্মরণ করল আরমান-মুক্তি পরিষদ Logo বেনাপোল বন্দরে কাগজপত্রবিহীন পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাক জব্দ

হাবিপ্রবিতে হল সুপারের সিদ্ধান্তে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বিজয় ২৪ হলের শিক্ষার্থীরা

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) বিজয় ২৪ হলে দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যেই হল সুপার প্রফেসর ড. নিজাম উদ্দীনের একাধিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদেরকে নোংরা ট্যাঙ্কের পানি পান করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে তারা সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত নিরাপদ পানির ব্যবস্থা হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মোটরের সুইচ খুলে দিয়ে ট্যাঙ্কের পানি ব্যবহারে বাধ্য করা হচ্ছে। এ সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের মৌলিক চাহিদা নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা অগ্রাহ্য করছে।

বিজয় ২৪ হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, মোটরের সুইচ বন্ধ করা হয়নি বরং লিমিটেশন আনা হয়েছে। প্রতিটি ফ্লোরে একাধিক মটর সংযোগ থাকায় আমরা পানির অপচয় লক্ষ্য করেছি। পানির অপচয় রোধে যেখানে প্রতিটি ফ্লোরে একাধিক মটর ছিলো সেখানে কমিয়ে আনা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেছেন, কুকুরের উপদ্রবে একাধিক শিক্ষার্থী আক্রমণের শিকার হলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সিট বরাদ্দ নিয়েও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চলমান থিসিস বা মাস্টার্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদেরও হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পর্যাপ্ত সময় না দিয়েই নতুন শিক্ষার্থী উঠানোর চেষ্টায় সিট খালি করার চাপ সৃষ্টি করা কতটা যৌক্তিক? এ প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

এছাড়া হলের ছাদে তালা দেওয়ার কারণে কাপড় শুকানো, খোলা পরিবেশে সময় কাটানো কিংবা পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ সীমিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আপত্তি উপেক্ষা করে বারবার তালা দেওয়ার ফলে হলের সম্পদেরও ক্ষতি হয়েছে। বড় ডাস্টবিন সরিয়ে ছোট বালতি সদৃশ ডাস্টবিন বসানোয় কুকুর-বিড়াল সহজেই ময়লা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে বিভিন্ন ফ্লোরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে।

হলে অবস্থানরত একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তারা শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে নয়। তবে মতামত উপেক্ষা করে একের পর এক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে অসন্তোষ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। আমরা চাই স্যার শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে সমাধান খুঁজে বের করে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিক।

জনপ্রিয়

বেনাপোলে ১৩টি স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি আটক

হাবিপ্রবিতে হল সুপারের সিদ্ধান্তে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বিজয় ২৪ হলের শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত ১১:২৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) বিজয় ২৪ হলে দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যেই হল সুপার প্রফেসর ড. নিজাম উদ্দীনের একাধিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদেরকে নোংরা ট্যাঙ্কের পানি পান করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে তারা সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত নিরাপদ পানির ব্যবস্থা হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মোটরের সুইচ খুলে দিয়ে ট্যাঙ্কের পানি ব্যবহারে বাধ্য করা হচ্ছে। এ সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের মৌলিক চাহিদা নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা অগ্রাহ্য করছে।

বিজয় ২৪ হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, মোটরের সুইচ বন্ধ করা হয়নি বরং লিমিটেশন আনা হয়েছে। প্রতিটি ফ্লোরে একাধিক মটর সংযোগ থাকায় আমরা পানির অপচয় লক্ষ্য করেছি। পানির অপচয় রোধে যেখানে প্রতিটি ফ্লোরে একাধিক মটর ছিলো সেখানে কমিয়ে আনা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেছেন, কুকুরের উপদ্রবে একাধিক শিক্ষার্থী আক্রমণের শিকার হলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সিট বরাদ্দ নিয়েও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চলমান থিসিস বা মাস্টার্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদেরও হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পর্যাপ্ত সময় না দিয়েই নতুন শিক্ষার্থী উঠানোর চেষ্টায় সিট খালি করার চাপ সৃষ্টি করা কতটা যৌক্তিক? এ প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

এছাড়া হলের ছাদে তালা দেওয়ার কারণে কাপড় শুকানো, খোলা পরিবেশে সময় কাটানো কিংবা পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ সীমিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আপত্তি উপেক্ষা করে বারবার তালা দেওয়ার ফলে হলের সম্পদেরও ক্ষতি হয়েছে। বড় ডাস্টবিন সরিয়ে ছোট বালতি সদৃশ ডাস্টবিন বসানোয় কুকুর-বিড়াল সহজেই ময়লা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে বিভিন্ন ফ্লোরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে।

হলে অবস্থানরত একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তারা শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে নয়। তবে মতামত উপেক্ষা করে একের পর এক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে অসন্তোষ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। আমরা চাই স্যার শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে সমাধান খুঁজে বের করে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিক।