ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রথমবার অভিনয়ে ফুটবলার জামাল ভূঁইয়া Logo শীর্ষ মেধাবীদের বৃত্তির জন্য রাবিতে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন ভূমিমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ববি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সহযোগিতা কামনা Logo চলতি বিশ্বকাপের উন্মাদনার মাঝেই ধনবাড়ীতে শুরু ‘ডিসি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ Logo শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে জেলে যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের হাতে বিশ্বকাপ দেখতে চায় ট্রাম্পের প্রশাসন Logo বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান পড়শীর Logo বন্যা নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিলেন জয়া আহসান Logo অসহায় মানুষের দোয়ায় সিক্ত প্যারিআটা গণকেন্দ্র পাঠাগার: বিনামূল্যে চক্ষু সেবা পেলেন শতাধিক রোগী Logo ৩ কিলোমিটার খাল খননে শ্রমিকদের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে

শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে জেলে যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গণঅভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে কারাগারে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওয়ায়েদ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা ভারত বা বাংলাদেশে যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক, তাকে আগে জেলে যেতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য সরকারের আমলে নেওয়ার কিছু নেই। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে- জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করতে হবে। ওনাকে জেলে যেতে হবে।

সেক্ষেত্রে আইন আইনের গতিতে চলবে। আসামি যদি আত্মসমর্পণ না করে রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়, তাহলে আমি মনে করি, এসব উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে তার দলের পালিয়ে থাকা নেতাকর্মীদের জাগ্রত করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া তো আমি আর কোনো কারণ দেখি না।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যে কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের যে প্রক্রিয়া আছে কূটনীতিতে সেটা চলছে এবং যে কোনো আসামি যদি আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনের আওতায় যা প্রয়োজন সেটাই হবে।

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, উনি কী ভারতের নাগরিক? তাহলে ওখানে থানায় কী করবে না করবে এটা ওনার ব্যাপার, সেটাতো আমার ব্যাপার না। একটা আসামি কোথায় আত্মসমর্পণ করবেন এটা একেবারে ওনার ব্যাপার এবং এখানে সরকারের কোনো বিষয় না। উনি বিদেশে বাংলাদেশের মিশনে আত্মসমর্পণ করুক বা বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করুক, প্রক্রিয়া একই ওনাকে জেলে যেতে হবে, ওনার যে সাজা তার মুখোমুখি হতে হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন আসামি কী বক্তব্য দেয়, সেটা বাংলাদেশ সরকারের আমলে নেওয়ার কথা না এবং নেবে না। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজনের সাজা হয়েছে, ইতোমধ্যে তিনি সাজাপ্রাপ্ত। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা আগে থেকে চলমান আছে। এটা নতুন করে আর নতুন প্রক্রিয়ায় চলার কোনো অবস্থা নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেখ হাসিনার ভারতে বসে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হতো। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে ভারতকে বলবে কিনা- এমন প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, সবকিছু বিবৃতি দিয়ে আপনাদের বলার কিছু নেই। ভারতের সঙ্গে আমাদের যে চলমান কথাবার্তা হয়, আলাপ হয়, বিনিময় হয়, তখন এ বিষয় আলোচনায় থাকে। একজন আসামি যদি দেশের বাইরে থাকে সে আত্মসমর্পণ করুক বা না করুক তার জন্য বিচার একই হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সরকার থেকে চলছে সেটা চলমান আছে।

জনপ্রিয়

প্রথমবার অভিনয়ে ফুটবলার জামাল ভূঁইয়া

শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে জেলে যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৭:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

গণঅভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে কারাগারে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওয়ায়েদ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা ভারত বা বাংলাদেশে যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক, তাকে আগে জেলে যেতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য সরকারের আমলে নেওয়ার কিছু নেই। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে- জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করতে হবে। ওনাকে জেলে যেতে হবে।

সেক্ষেত্রে আইন আইনের গতিতে চলবে। আসামি যদি আত্মসমর্পণ না করে রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়, তাহলে আমি মনে করি, এসব উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে তার দলের পালিয়ে থাকা নেতাকর্মীদের জাগ্রত করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া তো আমি আর কোনো কারণ দেখি না।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যে কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের যে প্রক্রিয়া আছে কূটনীতিতে সেটা চলছে এবং যে কোনো আসামি যদি আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনের আওতায় যা প্রয়োজন সেটাই হবে।

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, উনি কী ভারতের নাগরিক? তাহলে ওখানে থানায় কী করবে না করবে এটা ওনার ব্যাপার, সেটাতো আমার ব্যাপার না। একটা আসামি কোথায় আত্মসমর্পণ করবেন এটা একেবারে ওনার ব্যাপার এবং এখানে সরকারের কোনো বিষয় না। উনি বিদেশে বাংলাদেশের মিশনে আত্মসমর্পণ করুক বা বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করুক, প্রক্রিয়া একই ওনাকে জেলে যেতে হবে, ওনার যে সাজা তার মুখোমুখি হতে হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন আসামি কী বক্তব্য দেয়, সেটা বাংলাদেশ সরকারের আমলে নেওয়ার কথা না এবং নেবে না। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজনের সাজা হয়েছে, ইতোমধ্যে তিনি সাজাপ্রাপ্ত। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা আগে থেকে চলমান আছে। এটা নতুন করে আর নতুন প্রক্রিয়ায় চলার কোনো অবস্থা নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেখ হাসিনার ভারতে বসে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হতো। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে ভারতকে বলবে কিনা- এমন প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, সবকিছু বিবৃতি দিয়ে আপনাদের বলার কিছু নেই। ভারতের সঙ্গে আমাদের যে চলমান কথাবার্তা হয়, আলাপ হয়, বিনিময় হয়, তখন এ বিষয় আলোচনায় থাকে। একজন আসামি যদি দেশের বাইরে থাকে সে আত্মসমর্পণ করুক বা না করুক তার জন্য বিচার একই হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সরকার থেকে চলছে সেটা চলমান আছে।