ঢাকা ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শাহজালালে ১৪ কেজি সোনা জব্দ: রিমান্ড শেষে অভিযুক্ত সজীব কারাগারে Logo শরীয়াহবিরোধী আইনের সমাধান না হলে গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর যুবদল নেতার Logo চিকিৎসকের ৫৭ পদের ৩৯টি শূন্য, ১০০ শয্যার হাসপাতালে রোগী ৪০০ Logo মাদরাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার Logo ‘খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখে’ Logo কোদাল হাতে খাল পরিষ্কারে এমপি হুমাম কাদের Logo আলেকজান্দ্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার ক্যাম্প Logo এস্তেরহুইজেনের সেঞ্চুরিতে সিরিজ জয় দক্ষিণ আফ্রিকার Logo রবীন্দ্র-নজরুল বাঙালির চেতনা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ

চিকিৎসকের ৫৭ পদের ৩৯টি শূন্য, ১০০ শয্যার হাসপাতালে রোগী ৪০০

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জনবল সংকটের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। নির্ধারিত জনবলের ঘাটতির কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

হাসপাতালের দাপ্তরিক তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন স্তরে মোট ১৮৮টি পদ নির্ধারিত রয়েছে। এর বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ১০১ জন কর্মী কর্মরত আছেন এবং বাকি ৮৭টি পদ ফাঁকা পড়ে আছে। এই জনবল ঘাটতি হাসপাতালের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনাকে চরমভাবে ব্যাহত করছে।

বিশেষ করে চিকিৎসক সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। হাসপাতালটিতে চিকিৎসকের মোট ৫৭টি পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৮ জন। অর্থাৎ, গুরুত্বপূর্ণ এই পদগুলোর প্রায় অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ৩৯টি পদই শূন্য রয়েছে।

চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবলের এই প্রকট সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালটিতে রোগীর চাপ অত্যন্ত বেশি। মাত্র ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০০ রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেন। অতিরিক্ত রোগীর এই বিপুল চাপ সামলানো স্বল্পসংখ্যক চিকিৎসকের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয়

শাহজালালে ১৪ কেজি সোনা জব্দ: রিমান্ড শেষে অভিযুক্ত সজীব কারাগারে

চিকিৎসকের ৫৭ পদের ৩৯টি শূন্য, ১০০ শয্যার হাসপাতালে রোগী ৪০০

প্রকাশিত ০৫:০১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জনবল সংকটের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। নির্ধারিত জনবলের ঘাটতির কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

হাসপাতালের দাপ্তরিক তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন স্তরে মোট ১৮৮টি পদ নির্ধারিত রয়েছে। এর বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ১০১ জন কর্মী কর্মরত আছেন এবং বাকি ৮৭টি পদ ফাঁকা পড়ে আছে। এই জনবল ঘাটতি হাসপাতালের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনাকে চরমভাবে ব্যাহত করছে।

বিশেষ করে চিকিৎসক সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। হাসপাতালটিতে চিকিৎসকের মোট ৫৭টি পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৮ জন। অর্থাৎ, গুরুত্বপূর্ণ এই পদগুলোর প্রায় অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ৩৯টি পদই শূন্য রয়েছে।

চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবলের এই প্রকট সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালটিতে রোগীর চাপ অত্যন্ত বেশি। মাত্র ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০০ রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেন। অতিরিক্ত রোগীর এই বিপুল চাপ সামলানো স্বল্পসংখ্যক চিকিৎসকের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।