পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নাম-রোলবিহীন কোডিং পদ্ধতির যাত্রা শুরু হয়েছে। নতুন এ পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর বা পরিচয় গোপন রেখে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করবেন পরীক্ষকরা।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম।
অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের জন্য প্রয়োজনীয় খাতা প্রস্তুত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে যেসব বিভাগের পরীক্ষা সামনে আসবে, সেসব বিভাগের কাছে নির্ধারিত সময়ে কোডিং করা খাতা পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ছয়টি বিভাগ তাদের পরীক্ষার তারিখ জানিয়েছে। আগামীকাল ওই ছয়টি বিভাগের জন্য প্রস্তুত করা খাতা সরবরাহ করা হবে।
প্রাথমিক ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ টি বিভাগে এ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তর। বিভাগগুলো হলো – ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, পরিসংখ্যান বিভাগ, সমাজকর্ম বিভাগ, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজম্যান্ট বিভাগ ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রচলিত পদ্ধতিতে পরীক্ষার খাতায় শিক্ষার্থীর নাম ও রোল নম্বরসহ বিভিন্ন পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য থাকায় মূল্যায়নের সময় পরীক্ষকের কাছে পরীক্ষার্থীর পরিচয় প্রকাশের সুযোগ থাকে। এতে অনিচ্ছাকৃত পক্ষপাতের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এ ধরনের সম্ভাবনা দূর করতেই নাম-রোলবিহীন কোডিং পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন পদ্ধতিতে পরীক্ষার উত্তরপত্রে শিক্ষার্থীর নাম ও রোল নম্বরের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে। খাতা মূল্যায়নের সময় পরীক্ষক কেবল ওই কোড দেখতে পাবেন। ফলে কোনো পরীক্ষার্থী কোন বিভাগের বা তার পরিচয় কী তা পরীক্ষকের কাছে অজ্ঞাত থাকবে।


































