ম্যানচেস্টার ডার্বিতে আরলিং হালান্ডের একমাত্র গোলে ম্যানচেস্টার সিটি জয়লাভ করার পর থেকেই ফুটবল বিশ্বে একটি তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে করা নরওয়েজিয়ান এই তারকার গোলটি নিয়ে শুরু থেকেই নানা মুনির নানা মত দেখা যায় এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলোয়াড়রা তৎক্ষণাৎ মাঠেই এর জোরালো প্রতিবাদ জানান। খেলা চলাকালীন সময়ে এবং ঠিক পরপরই এই গোলটির বৈধতা নিয়ে ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মধ্যেও আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।
ম্যাচটির ষাট মিনিটে জোসকো জিভার্দিওলের একটি ক্রস থেকে বল পেয়ে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে বল জালে জড়ান হালান্ড। তবে বলটি বক্সে আসার পথে এনজো ফার্নান্দেজ এবং লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে অতিক্রম করার সময় অফসাইডের একটি জোরালো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ম্যানইউ ফুটবলারদের দাবি ছিল যে ফার্নান্দেজ অফসাইডে অবস্থান করছিলেন এবং তার উপস্থিতির কারণে রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা বিভ্রান্ত হয়েছিলেন, যা গোল করার পথকে সুগম করে দেয়।
ঘটনার দিন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিরা মাঠের রেফারিকে জানিয়েছিলেন যে ফার্নান্দেজের গায়ে সরাসরি বল না লাগার কারণে এটিকে অফসাইড হিসেবে গণ্য করা যাবে না। কিন্তু ম্যানচেস্টার ডার্বির ঠিক পরের দিন পেশাদার রেফারিদের অ্যাসোসিয়েশন তাদের আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে নিজেদের ভুল প্রকাশ্যে স্বীকার করে নেয়। রেফারি সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ভিএআর দল যথাযথভাবে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে পারেনি এবং মাঠের রেফারিকে অন্তত মনিটরে গিয়ে ঘটনাটি স্বচক্ষে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া উচিত ছিল।
রেফারিদের এই সংস্থার পক্ষ থেকে আরও স্পষ্ট করা হয় যে ফার্নান্দেজের গায়ে বল না লাগলেও তার গতিবিধি প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে স্পষ্টতই বিভ্রান্ত করেছিল, যার পূর্ণ সুযোগ নেন হালান্ড। এই ভুল স্বীকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমাও প্রার্থনা করেছে, যদিও এই অনভিপ্রেত ভুলে ম্যানচেস্টার সিটির অর্জিত পয়েন্ট কাটার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেই নিশ্চিত করা হয়েছে।




































