ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যবিপ্রবি প্রবাহ সাংস্কৃতিক সংঘের নেতৃত্বে প্রতনু-ফাহিম Logo জুরাইনে গুলিতে সিএনজি চালক হত্যা : প্রধান আসামি বাপ্পারাজ গ্রেফতার  Logo চলন্ত বাসে বাঙলা কলেজের ছাত্রীকে রাতভর গণধর্ষণ, চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo জাবিতে ইংরেজি বিভাগের ক্লাসরুম সংকট সমাধানের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক সন্ধ্যায় Logo হাবিপ্রবি ছায়া জাতিসংঘের নেতৃত্বে নাবিলা-ফারিশতা Logo ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা রাশিয়ার Logo ছুটির বিকালে ঢাকার মধ্যে ঘুরতে পারেন ৫ স্থানে Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo ‘ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন হাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী

পর্যটন শিল্পের বিকাশে অবিলম্বে কমিশন গঠন করুন : এবি পার্টি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বিশেষ কিছু বিষয়ে আমাদের ধারণা উপদেষ্টারা বিদ্যমান পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন। পরিবেশবান্ধব পর্যটন শিল্পের বিকাশ দরকার, তবে পরিবেশের দোহাই দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেছেন এবি পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) ‘পরিবেশবান্ধব পর্যটন খাত বিনির্মাণে করণীয়’ বিষয়ে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি।

পর্যটন খাতের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, সমুদ্রসৈকত ঘিরে পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নে পর্যটন, কর্মসংস্থান, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাশ্রয়, মূল‍্যস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে আনা এবং প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য উপযোগী করে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন প্রয়োজন। সমুদ্রসৈকতকে দ্বিখণ্ডিত না করে প্রাণ-প্রকৃতি, পরিবেশবান্ধব জিরো কার্বন নীতিমালা অনুযায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অপসারণ, যত্রতত্র পার্কিং, বর্জ্য ফেলাকে নিরুৎসাহিত করতে হবে এবং বিকল্প ব্যবস্থাপনার আয়োজন করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর লাখ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার সুযোগ তৈরি করতে হবে এ পর্যটন শিল্পের বিকাশ নিশ্চিত করে। বিশ্বের অন‍্যান‍্য দেশের মতো পর্যটকদের কাছে যেভাবে আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে উপস্থাপন করে, সেভাবে আমাদের দেশেও তাদের উৎসাহিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনের কাজ দ্রুত সময়ে শুরু করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ঢাকা-কক্সবাজারে ট্রেনের সংখ্যাও বৃদ্ধি করতে হবে। এ ছাড়াও কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দ্রুত সময়ে চালু করতে হবে।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতের পুরো অংশ ব্যবহার উপযোগী করে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া প্রয়োজন। সমুদ্রসৈকত কোনো পুর্নবাসন কেন্দ্র নয়, এখান থেকে ঝুপড়ি দোকান, হকার এবং ভিক্ষুকমুক্ত করা জরুরি। দৃষ্টিনন্দন ও সময়োপযোগী বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্থাপনা তৈরিতে যথাযথ ভূমিকা নিতে হবে।

দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব আব্দুল বাসেত মারজান, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন, যুবপার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, সহকারী সদস্য সচিব সারোয়ার সাঈদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী নাসির, মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সেলিম খান, দক্ষিণের যুগ্ম সদস্য সচিব আহমাদ বারকাজ নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, যুবপার্টির প্রচার সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন রমিজ, মহানগর উত্তরের যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুর রব জামিল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এনামুল হক, আমেনা বেগমসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

জনপ্রিয়

যবিপ্রবি প্রবাহ সাংস্কৃতিক সংঘের নেতৃত্বে প্রতনু-ফাহিম

পর্যটন শিল্পের বিকাশে অবিলম্বে কমিশন গঠন করুন : এবি পার্টি

প্রকাশিত ০৭:২০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বিশেষ কিছু বিষয়ে আমাদের ধারণা উপদেষ্টারা বিদ্যমান পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন। পরিবেশবান্ধব পর্যটন শিল্পের বিকাশ দরকার, তবে পরিবেশের দোহাই দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেছেন এবি পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) ‘পরিবেশবান্ধব পর্যটন খাত বিনির্মাণে করণীয়’ বিষয়ে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি।

পর্যটন খাতের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, সমুদ্রসৈকত ঘিরে পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নে পর্যটন, কর্মসংস্থান, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাশ্রয়, মূল‍্যস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে আনা এবং প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য উপযোগী করে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন প্রয়োজন। সমুদ্রসৈকতকে দ্বিখণ্ডিত না করে প্রাণ-প্রকৃতি, পরিবেশবান্ধব জিরো কার্বন নীতিমালা অনুযায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অপসারণ, যত্রতত্র পার্কিং, বর্জ্য ফেলাকে নিরুৎসাহিত করতে হবে এবং বিকল্প ব্যবস্থাপনার আয়োজন করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর লাখ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার সুযোগ তৈরি করতে হবে এ পর্যটন শিল্পের বিকাশ নিশ্চিত করে। বিশ্বের অন‍্যান‍্য দেশের মতো পর্যটকদের কাছে যেভাবে আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে উপস্থাপন করে, সেভাবে আমাদের দেশেও তাদের উৎসাহিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনের কাজ দ্রুত সময়ে শুরু করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ঢাকা-কক্সবাজারে ট্রেনের সংখ্যাও বৃদ্ধি করতে হবে। এ ছাড়াও কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দ্রুত সময়ে চালু করতে হবে।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতের পুরো অংশ ব্যবহার উপযোগী করে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া প্রয়োজন। সমুদ্রসৈকত কোনো পুর্নবাসন কেন্দ্র নয়, এখান থেকে ঝুপড়ি দোকান, হকার এবং ভিক্ষুকমুক্ত করা জরুরি। দৃষ্টিনন্দন ও সময়োপযোগী বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্থাপনা তৈরিতে যথাযথ ভূমিকা নিতে হবে।

দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব আব্দুল বাসেত মারজান, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন, যুবপার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, সহকারী সদস্য সচিব সারোয়ার সাঈদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী নাসির, মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সেলিম খান, দক্ষিণের যুগ্ম সদস্য সচিব আহমাদ বারকাজ নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, যুবপার্টির প্রচার সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন রমিজ, মহানগর উত্তরের যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুর রব জামিল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এনামুল হক, আমেনা বেগমসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।