ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

দুই মামলায় সাধন চন্দ্রের জামিন চেম্বার আদালতে বহাল

আইন-আদালত ডেস্ক: জুলাই মাসের ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্র করে দায়ের করা দুটি হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে হাই কোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এই আদেশ প্রদান করেন এবং আগামী ২২ নভেম্বর আপিল বিভাগে নিয়মিত শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন। এর ফলে সাবেক এই মন্ত্রীর কারামুক্তিতে আপাতত কোনো বাধা নেই বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৩ অক্টোবর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তাকে গ্রেপ্তার করে। কারওয়ান বাজার এলাকায় শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন রূপা হত্যা এবং মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ী ইমরুল কায়েস ফয়সাল হত্যাচেষ্টার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছিল। রমিজ উদ্দিন রূপা হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে তিনি হাই কোর্ট থেকে জামিন লাভ করেন। এছাড়া মোহাম্মদপুর থানার অপরি মামলার এজাহারে নাম না থাকলেও তাকে পরবর্তীতে সেখানেও আসামি করা হয় এবং ওই মামলায় তিনি জামিন পান।

আদেশ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে জানান যে, মোহাম্মদপুর ও কারওয়ান বাজার থানার মামলায় হাই কোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছিল। উভয় পক্ষের আইনি লড়াইয়ের পর চেম্বার আদালত নিয়মিত শুনানির জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ধার্য করেছেন। আগামী ২২ নভেম্বর আপিল বেঞ্চে এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে।

তদন্ত ও মামলা সংক্রান্ত নথিপত্র অনুযায়ী, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে মোট এগারোটি মামলা রয়েছে যার মধ্যে একটি দুর্নীতি দমন কমিশনের এবং বাকি দশটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা। গত বছর আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় বিভিন্ন থানায় এসব মামলা দায়ের করা হয়। আইনগত প্রক্রিয়া মোকাবেলা করে তিনি একে একে বিভিন্ন মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জনপ্রিয়

বৈষম্যহীন বিশ্ব গড়তে মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুকরণীয়: এ্যানী

দুই মামলায় সাধন চন্দ্রের জামিন চেম্বার আদালতে বহাল

প্রকাশিত ১২:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: জুলাই মাসের ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্র করে দায়ের করা দুটি হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে হাই কোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এই আদেশ প্রদান করেন এবং আগামী ২২ নভেম্বর আপিল বিভাগে নিয়মিত শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন। এর ফলে সাবেক এই মন্ত্রীর কারামুক্তিতে আপাতত কোনো বাধা নেই বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৩ অক্টোবর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তাকে গ্রেপ্তার করে। কারওয়ান বাজার এলাকায় শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন রূপা হত্যা এবং মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ী ইমরুল কায়েস ফয়সাল হত্যাচেষ্টার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছিল। রমিজ উদ্দিন রূপা হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে তিনি হাই কোর্ট থেকে জামিন লাভ করেন। এছাড়া মোহাম্মদপুর থানার অপরি মামলার এজাহারে নাম না থাকলেও তাকে পরবর্তীতে সেখানেও আসামি করা হয় এবং ওই মামলায় তিনি জামিন পান।

আদেশ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে জানান যে, মোহাম্মদপুর ও কারওয়ান বাজার থানার মামলায় হাই কোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছিল। উভয় পক্ষের আইনি লড়াইয়ের পর চেম্বার আদালত নিয়মিত শুনানির জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ধার্য করেছেন। আগামী ২২ নভেম্বর আপিল বেঞ্চে এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে।

তদন্ত ও মামলা সংক্রান্ত নথিপত্র অনুযায়ী, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে মোট এগারোটি মামলা রয়েছে যার মধ্যে একটি দুর্নীতি দমন কমিশনের এবং বাকি দশটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা। গত বছর আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় বিভিন্ন থানায় এসব মামলা দায়ের করা হয়। আইনগত প্রক্রিয়া মোকাবেলা করে তিনি একে একে বিভিন্ন মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।