ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: ঢাকায় গণসংযোগ ও সমাবেশ করবে এনসিপি Logo ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক জোট-সমন্বিত কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ’ Logo সেবার মান বাড়লে রোগীদের বিদেশ যাওয়া কমবে: রাষ্ট্রপতি Logo ফরিদপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অস্বীকার প্রশাসনের Logo রূপপুরে প্রথমবারের মত পারমাণবিক বিক্রিয়া Logo জাবিতে ‘দেয়ালজুড়ে সাদা নৈঃশব্দ’ চিত্রপ্রদর্শনী আয়োজিত Logo পাবিপ্রবিতে আবারো ছাত্রীকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ,ব্যবস্থা নিতে বিভাগে আবেদন Logo পাবিপ্রবিতে IEEE Day ২০২৬ উদ্‌যাপন, অনুষ্ঠিত দুই সেমিনার Logo ডাইনোসর যুগে নদী-হ্রদে ভেসে বেড়াত ভোঁদড়সদৃশ এই প্রাণী Logo কোনো মুচলেকায় সই করিনি, আবার আন্দোলনে নামব: দিপকে

ফরিদপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অস্বীকার প্রশাসনের

সারাদেশ ডেস্ক: ফরিদপুরের নগরকান্দায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেন এবং প্রভাব খাটানোর গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত আবেদনকারীরা। সম্প্রতি নগরকান্দা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বঞ্চিতদের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাহীন মুন্সী নামের এক বঞ্চিত আবেদনকারী। নিজস্ব গুদাম ও পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

বঞ্চিতদের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয় যে, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা এবং কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে অযোগ্য ব্যক্তিদের ডিলারশিপ প্রদান করা হয়েছে। জেলার নির্দিষ্ট কয়েকটি ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগের সময় নানা ধরনের অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। সরকারি শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও তাদের যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন করা হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। এই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার মানদণ্ড, যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিবেদন এবং প্রার্থী নির্বাচনের তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার দাবি করেন যে, এই নিয়োগ কমিটির সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। যারা এসব কথা বলছেন তারা হয়তো না বুঝে বলছেন কিংবা তার সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছেন। তিনি আরও জানান, ডিলারশিপ পাওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশই দলের নেতাকর্মী এবং তাদের কয়েকজনকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেনও না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং তিনি নিজে ছিলেন সদস্যসচিব। যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা পাঠানো হয়েছে এবং এখানে অনিয়ম করার কোনো সুযোগ নেই। নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিনও অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন যে মন্ত্রণালয়ই যোগ্যদের চূড়ান্ত নিয়োগ দিয়েছে। কারও কাছে লেনদেনের কোনো তথ্য-প্রমাণ থাকলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয়

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: ঢাকায় গণসংযোগ ও সমাবেশ করবে এনসিপি

ফরিদপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অস্বীকার প্রশাসনের

প্রকাশিত ০৯:২২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

সারাদেশ ডেস্ক: ফরিদপুরের নগরকান্দায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেন এবং প্রভাব খাটানোর গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত আবেদনকারীরা। সম্প্রতি নগরকান্দা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বঞ্চিতদের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাহীন মুন্সী নামের এক বঞ্চিত আবেদনকারী। নিজস্ব গুদাম ও পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

বঞ্চিতদের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয় যে, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা এবং কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে অযোগ্য ব্যক্তিদের ডিলারশিপ প্রদান করা হয়েছে। জেলার নির্দিষ্ট কয়েকটি ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগের সময় নানা ধরনের অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। সরকারি শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও তাদের যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন করা হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। এই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার মানদণ্ড, যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিবেদন এবং প্রার্থী নির্বাচনের তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার দাবি করেন যে, এই নিয়োগ কমিটির সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। যারা এসব কথা বলছেন তারা হয়তো না বুঝে বলছেন কিংবা তার সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছেন। তিনি আরও জানান, ডিলারশিপ পাওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশই দলের নেতাকর্মী এবং তাদের কয়েকজনকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেনও না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং তিনি নিজে ছিলেন সদস্যসচিব। যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা পাঠানো হয়েছে এবং এখানে অনিয়ম করার কোনো সুযোগ নেই। নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিনও অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন যে মন্ত্রণালয়ই যোগ্যদের চূড়ান্ত নিয়োগ দিয়েছে। কারও কাছে লেনদেনের কোনো তথ্য-প্রমাণ থাকলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।