ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

আভিশেক-ঝড়ের পর আর্শদিপের দারুণ বোলিংয়ে ইন্ডিজকে হারাল ভারত

খেলা ডেস্ক: ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে দুর্দান্ত সূচনা পাওয়ার পর মাঝপথে ব্যাটিং ধসের মুখে পড়েছিল ভারত। তবে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে দুই এক ব্যবধানে এগিয়ে গেছে শ্রেয়াস আইয়ারের দল। এই জয়ে সাদা বলের চলমান এই সিরিজে প্রথমবারের মতো কোনো দল আগে ব্যাট করে জয় তুলে নিল। ইন্দোরের এই লড়াইয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে সব উইকেট হারিয়ে দুইশো তেইশ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে ব্যাট করতে নামা ক্যারিবিয়ানরা নির্ধারিত ওভার শেষে দুইশো নয় রান পর্যন্ত তুলতে সক্ষম হয়। দলের পক্ষে ওপেনার আভিশেক শর্মা মাত্র ত্রিশ বলে উনসত্তর রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন। এছাড়া তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ইশান কিষান আঠারো বলে করেন সাঁত্রিশ রান।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা ভারতের ইনিংসের শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন সঞ্জু স্যামসন। প্রথম দুই ওভারে কোনো বাউন্ডারি তুলতে না পারলেও দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় সফরকারীরা। আভিশেক ও কিষানের আক্রমণাত্মক জুটিতে বড় সংগ্রহের পথে এগোয় ভারত। এই সংস্করণে দ্রুততম দুই হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করার পাশাপাশি মাত্র আঠারো বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন আভিশেক। তবে এই জুটির পতনের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিক ক্যারিবিয়ান বোলাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে একশো পনেরো রান থেকে দ্রুতই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় ভারত। শেষদিকে প্রিন্স যাদবের অপরাজিত তেরো রানের সুবাদে দুইশো পেরোনো সংগ্রহ পায় দলটি।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বিধ্বংসী ব্যাটার শেই হোপকে বোল্ড করে ভারতকে বড় সাফল্য এনে দেন আর্শদিপ সিং। দ্বিতীয় উইকেটে কামিল পুরান ও শিমরন হেটমায়ার প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তাদের জুটিটি দীর্ঘ হতে দেননি নামান ধীর। পুরান বায়ান্ন ও হেটমায়ার তেতাল্লিশ রান করে বিদায় নেন। আগের ম্যাচের নায়ক শেরফেন রাদারফোর্ড বিশ বলে ত্রিশ রান করে লড়াই চালিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। আর্শদিপ সিংয়ের করা আঠারোতম ওভারের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ম্যাচের ভাগ্য ভারতের পক্ষে নিয়ে আসে। সেই ওভারে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি।

ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে শামার স্প্রিঙ্গার শেষদিকে ঝড় তুললেও জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেনি তারা। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং ব্যাট অবদান রেখে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন ভারতীয় পেসার আর্শদিপ সিং। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুই এক ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। আগামী বুধবার হায়দরাবাদে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। প্রথম তিন ম্যাচের পর সিরিজের বাকি অংশ ঘিরে উভয় দলের জন্যই লড়াই আরও জমে উঠেছে।

জনপ্রিয়

নয় হাজার রাইডার নিয়ে রয়্যাল এনফিল্ডের ‘রাইড ফর স্মাইলস’

আভিশেক-ঝড়ের পর আর্শদিপের দারুণ বোলিংয়ে ইন্ডিজকে হারাল ভারত

প্রকাশিত ১২:৫২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে দুর্দান্ত সূচনা পাওয়ার পর মাঝপথে ব্যাটিং ধসের মুখে পড়েছিল ভারত। তবে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে দুই এক ব্যবধানে এগিয়ে গেছে শ্রেয়াস আইয়ারের দল। এই জয়ে সাদা বলের চলমান এই সিরিজে প্রথমবারের মতো কোনো দল আগে ব্যাট করে জয় তুলে নিল। ইন্দোরের এই লড়াইয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে সব উইকেট হারিয়ে দুইশো তেইশ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে ব্যাট করতে নামা ক্যারিবিয়ানরা নির্ধারিত ওভার শেষে দুইশো নয় রান পর্যন্ত তুলতে সক্ষম হয়। দলের পক্ষে ওপেনার আভিশেক শর্মা মাত্র ত্রিশ বলে উনসত্তর রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন। এছাড়া তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ইশান কিষান আঠারো বলে করেন সাঁত্রিশ রান।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা ভারতের ইনিংসের শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন সঞ্জু স্যামসন। প্রথম দুই ওভারে কোনো বাউন্ডারি তুলতে না পারলেও দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় সফরকারীরা। আভিশেক ও কিষানের আক্রমণাত্মক জুটিতে বড় সংগ্রহের পথে এগোয় ভারত। এই সংস্করণে দ্রুততম দুই হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করার পাশাপাশি মাত্র আঠারো বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন আভিশেক। তবে এই জুটির পতনের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিক ক্যারিবিয়ান বোলাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে একশো পনেরো রান থেকে দ্রুতই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় ভারত। শেষদিকে প্রিন্স যাদবের অপরাজিত তেরো রানের সুবাদে দুইশো পেরোনো সংগ্রহ পায় দলটি।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বিধ্বংসী ব্যাটার শেই হোপকে বোল্ড করে ভারতকে বড় সাফল্য এনে দেন আর্শদিপ সিং। দ্বিতীয় উইকেটে কামিল পুরান ও শিমরন হেটমায়ার প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তাদের জুটিটি দীর্ঘ হতে দেননি নামান ধীর। পুরান বায়ান্ন ও হেটমায়ার তেতাল্লিশ রান করে বিদায় নেন। আগের ম্যাচের নায়ক শেরফেন রাদারফোর্ড বিশ বলে ত্রিশ রান করে লড়াই চালিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। আর্শদিপ সিংয়ের করা আঠারোতম ওভারের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ম্যাচের ভাগ্য ভারতের পক্ষে নিয়ে আসে। সেই ওভারে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি।

ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে শামার স্প্রিঙ্গার শেষদিকে ঝড় তুললেও জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেনি তারা। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং ব্যাট অবদান রেখে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন ভারতীয় পেসার আর্শদিপ সিং। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুই এক ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। আগামী বুধবার হায়দরাবাদে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। প্রথম তিন ম্যাচের পর সিরিজের বাকি অংশ ঘিরে উভয় দলের জন্যই লড়াই আরও জমে উঠেছে।