ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দুর্গোৎসবের আনন্দ কখনো ফিকে হয় না: নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত Logo কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা হবে : প্রধানমন্ত্রী Logo মঙ্গল অভিযানের স্বপ্নে আইইউবিতে ৩০ কিশোরীর ‘স্পেস মিশন’ Logo এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে: আইনমন্ত্রী Logo ইশরাকের বিষয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী Logo স্বপ্নের নারীর জন্য সব সম্পত্তি বিক্রি, অতঃপর… Logo বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ, দিলেন যে বার্তা Logo ‘ডুমজবিং’: অপছন্দের চাকরিতে আটকে থাকার অদৃশ্য ফাঁদ Logo আইফোন ডুও’র প্রি-অর্ডার: বাজার দখলে অ্যাপলের নতুন জুয়া Logo বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় বিনা মূল্যের অনলাইন কোর্স, আবেদন যেভাবে

মঙ্গল অভিযানের স্বপ্নে আইইউবিতে ৩০ কিশোরীর ‘স্পেস মিশন’

ক্যাম্পাস ডেস্ক: বাংলাদেশের কিশোরীদের মহাকাশবিজ্ঞান ও গবেষণার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে একটি বিশেষ শিক্ষামূলক কর্মসূচি আয়োজিত হয়েছে। স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের উদ্যোগে এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের সহযোগিতায় এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ৩০ জন কিশোরী শিক্ষার্থী অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। ভবিষ্যতে দেশের নারী বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই মূলত এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারী কিশোরীরা মঙ্গল গ্রহে অভিযান পরিচালনার একটি সিমুলেশন অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ পান। তাদেরকে পাঁচটি বিশেষ দলে বিভক্ত করে রকেট ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, মঙ্গল অবতরণযান এবং অনুসন্ধানী রোবটের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করানো হয়। এছাড়া মঙ্গল আবাসন এবং সেখানকার বিজ্ঞান ও জীবনধারণ ব্যবস্থা নিয়েও হাতে-কলমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। তথ্য বিশ্লেষণ ও দলগত সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে তারা মহাকাশ অনুসন্ধানের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন।

এই আয়োজনের মাধ্যমে কিশোরীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বগুণ, আত্মবিশ্বাস এবং দলগত দক্ষতার দারুণ বিকাশ ঘটেছে বলে আয়োজকরা মনে করেন। স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান অপু জানান, প্রতিটি শিশুর মাঝেই একজন ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী বা উদ্ভাবক লুকিয়ে থাকে। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য কেবল মহাকাশ সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া নয়, বরং কিশোরীদের বৈজ্ঞানিকভাবে চিন্তা করতে এবং বড় স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করা।

এই সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় অংশগ্রহণকারী কিশোরীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রোবোটিকস, রকেট প্রযুক্তি ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের ওপর উন্নত প্রশিক্ষণ এবং গবেষণাভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ রাখা হবে। এছাড়া বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি পেশাজীবীদের নিয়ে একটি শক্তিশালী মেন্টরশিপ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে, যা তাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সহায়তা করবে।

জনপ্রিয়

দুর্গোৎসবের আনন্দ কখনো ফিকে হয় না: নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত

মঙ্গল অভিযানের স্বপ্নে আইইউবিতে ৩০ কিশোরীর ‘স্পেস মিশন’

প্রকাশিত ০১:৫২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ক্যাম্পাস ডেস্ক: বাংলাদেশের কিশোরীদের মহাকাশবিজ্ঞান ও গবেষণার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে একটি বিশেষ শিক্ষামূলক কর্মসূচি আয়োজিত হয়েছে। স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের উদ্যোগে এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের সহযোগিতায় এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ৩০ জন কিশোরী শিক্ষার্থী অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। ভবিষ্যতে দেশের নারী বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই মূলত এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারী কিশোরীরা মঙ্গল গ্রহে অভিযান পরিচালনার একটি সিমুলেশন অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ পান। তাদেরকে পাঁচটি বিশেষ দলে বিভক্ত করে রকেট ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, মঙ্গল অবতরণযান এবং অনুসন্ধানী রোবটের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করানো হয়। এছাড়া মঙ্গল আবাসন এবং সেখানকার বিজ্ঞান ও জীবনধারণ ব্যবস্থা নিয়েও হাতে-কলমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। তথ্য বিশ্লেষণ ও দলগত সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে তারা মহাকাশ অনুসন্ধানের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন।

এই আয়োজনের মাধ্যমে কিশোরীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বগুণ, আত্মবিশ্বাস এবং দলগত দক্ষতার দারুণ বিকাশ ঘটেছে বলে আয়োজকরা মনে করেন। স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান অপু জানান, প্রতিটি শিশুর মাঝেই একজন ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী বা উদ্ভাবক লুকিয়ে থাকে। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য কেবল মহাকাশ সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া নয়, বরং কিশোরীদের বৈজ্ঞানিকভাবে চিন্তা করতে এবং বড় স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করা।

এই সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় অংশগ্রহণকারী কিশোরীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রোবোটিকস, রকেট প্রযুক্তি ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের ওপর উন্নত প্রশিক্ষণ এবং গবেষণাভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ রাখা হবে। এছাড়া বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি পেশাজীবীদের নিয়ে একটি শক্তিশালী মেন্টরশিপ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে, যা তাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সহায়তা করবে।