ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo থানায় রুমিন ফারহানা-ওসির তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ Logo কিছুটা কমেছে ঢাকার বায়ুদূষণ, সকালে শীর্ষে লাহোর Logo বার্সেলোনায় ২২ বছরের ধারাবাহিকতায় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন Logo শঙ্কা কাটিয়ে প্রথম টেস্টের দলে লিটন, ফিরলেন তাসকিন Logo প্রাথমিকের বই ছাপায় গতি ভালো, মাধ্যমিকে পিছিয়ে, নতুন ৪ বইয়ের অনুমোদন রোববার Logo সপ্তাহের (১৬–২২ অক্টোবর) সেরা ১০ চাকরি, আছে লাখটাকা বেতনও Logo বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ইউএনডিপি পার্লামেন্ট ইয়ং ফেলোশিপ, আবেদনের সুযোগ যাদের Logo বাথরুমে অজু-গোসলের দোয়া পড়া যাবে কি Logo ডায়েট করেও ওজন কমছে না? যে ৯টি ভুল হতে পারে কারণ Logo এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিয়েও বাঁচানো গেল না রাবির চেসি ত্রিপুরাকে

প্রাথমিকের বই ছাপায় গতি ভালো, মাধ্যমিকে পিছিয়ে, নতুন ৪ বইয়ের অনুমোদন রোববার

শিক্ষা ডেস্ক: আসন্ন শিক্ষাবর্ষে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই মুদ্রণের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের বই ছাপানো এবং তা সরবরাহের সার্বিক অগ্রগতি যথেষ্ট সন্তোষজনক রয়েছে। তবে এর বিপরীতে মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বিতরণের কাজ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে আর মাত্র দুই মাস বাকি থাকায় সব শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে বই পাবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইতোমধ্যে নবম-দশম শ্রেণির মাত্র তিন শতাংশের মতো বই মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত হতে যাওয়া চারটি বইয়ের ছাপার কার্যাদেশ এখনো প্রদান করা হয়নি। আগামী বছর চতুর্থ শ্রেণিতে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘খেলাধুলা’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ ও ‘আনন্দময় শিক্ষা’ বই দুটি করে মোট চারটি নতুন বই যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবশ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তাদের লক্ষ্য হলো আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব পাঠ্যবই মুদ্রণ সম্পন্ন করে মাঠপর্যায়ে পাঠিয়ে দেওয়া। যদিও কিছু মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের কাজে সামান্য বিলম্ব হতে পারে, তবুও জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীরা সব বই পেয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সাল থেকে সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে নতুন পাঠ্যবই প্রদান করা শুরু করেছে। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে শিক্ষাবর্ষের শুরুর দিকে সব শিক্ষার্থীর হাতে সব বই পৌঁছানো নিয়ে নানা জটিলতা ও অনিশ্চয়তা দেখা গেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদেও পরপর দুই শিক্ষাবর্ষে নির্ধারিত সময়ে সব বই বিতরণ করা সম্ভব হয়নি, যা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।

জনপ্রিয়

থানায় রুমিন ফারহানা-ওসির তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

প্রাথমিকের বই ছাপায় গতি ভালো, মাধ্যমিকে পিছিয়ে, নতুন ৪ বইয়ের অনুমোদন রোববার

প্রকাশিত ০৯:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: আসন্ন শিক্ষাবর্ষে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই মুদ্রণের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের বই ছাপানো এবং তা সরবরাহের সার্বিক অগ্রগতি যথেষ্ট সন্তোষজনক রয়েছে। তবে এর বিপরীতে মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বিতরণের কাজ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে আর মাত্র দুই মাস বাকি থাকায় সব শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে বই পাবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইতোমধ্যে নবম-দশম শ্রেণির মাত্র তিন শতাংশের মতো বই মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত হতে যাওয়া চারটি বইয়ের ছাপার কার্যাদেশ এখনো প্রদান করা হয়নি। আগামী বছর চতুর্থ শ্রেণিতে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘খেলাধুলা’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ ও ‘আনন্দময় শিক্ষা’ বই দুটি করে মোট চারটি নতুন বই যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবশ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তাদের লক্ষ্য হলো আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব পাঠ্যবই মুদ্রণ সম্পন্ন করে মাঠপর্যায়ে পাঠিয়ে দেওয়া। যদিও কিছু মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের কাজে সামান্য বিলম্ব হতে পারে, তবুও জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীরা সব বই পেয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সাল থেকে সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে নতুন পাঠ্যবই প্রদান করা শুরু করেছে। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে শিক্ষাবর্ষের শুরুর দিকে সব শিক্ষার্থীর হাতে সব বই পৌঁছানো নিয়ে নানা জটিলতা ও অনিশ্চয়তা দেখা গেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদেও পরপর দুই শিক্ষাবর্ষে নির্ধারিত সময়ে সব বই বিতরণ করা সম্ভব হয়নি, যা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।