ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

ক্যানবেরায় মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধের নকশা করে সম্মাননা পেলেন মনির

প্রবাস ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় মর্যাদাপূর্ণ বিডিএএ ন্যাশনাল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর চূড়ান্ত পর্বে কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশি স্থপতি মনিরুজ্জামান মিয়া। সিডনির ক্যাম্পবেলটাউনে প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধের অসাধারণ নকশা ও নান্দনিক উপস্থাপনার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। সম্প্রতি ক্যানবেরার ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক আড়ম্বরমপূর্ণ গালা ডিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এই ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। হাউজিং, ইনোভেশন অ্যান্ড বিজনেস রেজিলিয়েন্স শীর্ষক চার দিনব্যাপী এই ডিজাইন ফেস্টিভাল ও জাতীয় ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডসের আসরে অস্ট্রেলিয়া এবং এর বাইরের বিভিন্ন দেশ থেকে বহু স্থপতি ও শিল্প বিশেষজ্ঞ অংশ নেন।

বিল্ডিং ডিজাইন অ্যাসোসিয়েশন অফ অস্ট্রেলিয়া বা বিডিএএ প্রতিবছর এই জাতীয় ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডসের আয়োজন করে থাকে। অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিল্ডিং ডিজাইনার ও এনার্জি অ্যাসেসরদের জাতীয় প্ল্যাটফর্মে স্বীকৃতি প্রদান, কাজের উৎকর্ষ উদযাপন এবং মূলধারার সামনে তুলে ধরাই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে সমসাময়িক আবাসন সংকট, স্থায়িত্ব, আধুনিক নির্মাণপদ্ধতি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে পেশাদারদের পরিচয় করিয়ে দিতে ন্যাশনাল ফেস্টিভাল অব ডিজাইন আয়োজন করা হয়। নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ভিউ-ডি-এর প্রিন্সিপাল ডিজাইনার এবং সাবকন্টিনেন্ট ফ্রেন্ডস অব ক্যাম্পবেলটাউন-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মনিরুজ্জামান মিয়া। পেশাগত নকশাশিল্পের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘকাল ধরে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা, ভাষাগত ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করে আসছেন।

এই প্রতিযোগিতায় তার অসাধারণ সাফল্যের পর তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র মাসুদ চৌধুরী। এক বিশেষ বার্তায় ডেপুটি মেয়র উল্লেখ করেন যে, এই সম্মাননা কেবল একটি একক নকশার জন্য প্রাপ্ত কোনো পুরস্কার নয়। এটি মূলত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরা এবং বিশ্বের সকল মাতৃভাষার ঐতিহ্য সংরক্ষণের দীর্ঘপথের একটি সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয় এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তার এই অর্জন ভবিষ্যতের স্থপতি ও সংস্কৃতিকর্মীদের নিজস্ব ভাষার মর্যাদা রক্ষায় আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

উড়ন্ত পথচলায় এবার মাহফিজুলের অপরাজিত ২১৭

ক্যানবেরায় মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধের নকশা করে সম্মাননা পেলেন মনির

প্রকাশিত ০২:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

প্রবাস ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় মর্যাদাপূর্ণ বিডিএএ ন্যাশনাল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর চূড়ান্ত পর্বে কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশি স্থপতি মনিরুজ্জামান মিয়া। সিডনির ক্যাম্পবেলটাউনে প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধের অসাধারণ নকশা ও নান্দনিক উপস্থাপনার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। সম্প্রতি ক্যানবেরার ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক আড়ম্বরমপূর্ণ গালা ডিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এই ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। হাউজিং, ইনোভেশন অ্যান্ড বিজনেস রেজিলিয়েন্স শীর্ষক চার দিনব্যাপী এই ডিজাইন ফেস্টিভাল ও জাতীয় ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডসের আসরে অস্ট্রেলিয়া এবং এর বাইরের বিভিন্ন দেশ থেকে বহু স্থপতি ও শিল্প বিশেষজ্ঞ অংশ নেন।

বিল্ডিং ডিজাইন অ্যাসোসিয়েশন অফ অস্ট্রেলিয়া বা বিডিএএ প্রতিবছর এই জাতীয় ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডসের আয়োজন করে থাকে। অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিল্ডিং ডিজাইনার ও এনার্জি অ্যাসেসরদের জাতীয় প্ল্যাটফর্মে স্বীকৃতি প্রদান, কাজের উৎকর্ষ উদযাপন এবং মূলধারার সামনে তুলে ধরাই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে সমসাময়িক আবাসন সংকট, স্থায়িত্ব, আধুনিক নির্মাণপদ্ধতি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে পেশাদারদের পরিচয় করিয়ে দিতে ন্যাশনাল ফেস্টিভাল অব ডিজাইন আয়োজন করা হয়। নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ভিউ-ডি-এর প্রিন্সিপাল ডিজাইনার এবং সাবকন্টিনেন্ট ফ্রেন্ডস অব ক্যাম্পবেলটাউন-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মনিরুজ্জামান মিয়া। পেশাগত নকশাশিল্পের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘকাল ধরে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা, ভাষাগত ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করে আসছেন।

এই প্রতিযোগিতায় তার অসাধারণ সাফল্যের পর তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র মাসুদ চৌধুরী। এক বিশেষ বার্তায় ডেপুটি মেয়র উল্লেখ করেন যে, এই সম্মাননা কেবল একটি একক নকশার জন্য প্রাপ্ত কোনো পুরস্কার নয়। এটি মূলত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরা এবং বিশ্বের সকল মাতৃভাষার ঐতিহ্য সংরক্ষণের দীর্ঘপথের একটি সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয় এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তার এই অর্জন ভবিষ্যতের স্থপতি ও সংস্কৃতিকর্মীদের নিজস্ব ভাষার মর্যাদা রক্ষায় আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।