ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন

পর্যটন ডেস্ক: আসন্ন পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সরকার এই দ্বীপটিতে দর্শনার্থী যাতায়াতের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে। গত ২৫ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন এবং আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই নতুন নির্দেশনাগুলো প্রকাশ করা হয়। আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা এই দ্বীপটিতে ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, টেকনাফের পরিবর্তে এখন থেকে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে শুধু অনুমোদিত পর্যটকবাহী জলযান চলাচল করবে। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ কিংবা নৌপরিবহন অধিদপ্তর কোনো নৌযানকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার অনুমতি দিতে পারবে না। এছাড়া দ্বীপটির নাজুক পরিবেশ রক্ষা করতে দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বীপে প্রবেশকারী প্রতিটি পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ বাবদ একশ টাকা করে ফি প্রদান করতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুযায়ী এই ফি সংগ্রহের বিষয়টি দেখভাল করবে এবং আগের জারিকৃত প্রয়োজনীয় নির্দেশনাগুলোও এর সাথে বহাল থাকবে। সরকারি এই সিদ্ধান্তগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসন, ট্যুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার ও ট্যুরিস্ট পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মূলত দ্বীপে প্রবাল ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি টেকসই পর্যটন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পরিবেশের ভারসাম্য অক্ষুণ্ণ রেখেই পর্যটন খাত পরিচালনা করার লক্ষ্যেই সরকার এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। সেন্টমার্টিনের মতো সংবেদনশীল এলাকায় যাতায়াত সীমিত করার মাধ্যমে দ্বীপটির দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকির মাধ্যমে নির্ধারিত নিয়মগুলো কঠোরভাবে মানা হলে দেশের পর্যটন শিল্প ও পরিবেশ উভয়ই সুরক্ষিত থাকবে।

জনপ্রিয়

সাজেকে সংকট নিরসনে প্রশাসনের ৩ সদস্যের কমিটি, চতুর্থ দিনেও সড়ক অবরোধ

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন

প্রকাশিত ০৪:৫২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

পর্যটন ডেস্ক: আসন্ন পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সরকার এই দ্বীপটিতে দর্শনার্থী যাতায়াতের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে। গত ২৫ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন এবং আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই নতুন নির্দেশনাগুলো প্রকাশ করা হয়। আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা এই দ্বীপটিতে ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, টেকনাফের পরিবর্তে এখন থেকে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে শুধু অনুমোদিত পর্যটকবাহী জলযান চলাচল করবে। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ কিংবা নৌপরিবহন অধিদপ্তর কোনো নৌযানকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার অনুমতি দিতে পারবে না। এছাড়া দ্বীপটির নাজুক পরিবেশ রক্ষা করতে দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বীপে প্রবেশকারী প্রতিটি পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ বাবদ একশ টাকা করে ফি প্রদান করতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুযায়ী এই ফি সংগ্রহের বিষয়টি দেখভাল করবে এবং আগের জারিকৃত প্রয়োজনীয় নির্দেশনাগুলোও এর সাথে বহাল থাকবে। সরকারি এই সিদ্ধান্তগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসন, ট্যুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার ও ট্যুরিস্ট পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মূলত দ্বীপে প্রবাল ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি টেকসই পর্যটন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পরিবেশের ভারসাম্য অক্ষুণ্ণ রেখেই পর্যটন খাত পরিচালনা করার লক্ষ্যেই সরকার এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। সেন্টমার্টিনের মতো সংবেদনশীল এলাকায় যাতায়াত সীমিত করার মাধ্যমে দ্বীপটির দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকির মাধ্যমে নির্ধারিত নিয়মগুলো কঠোরভাবে মানা হলে দেশের পর্যটন শিল্প ও পরিবেশ উভয়ই সুরক্ষিত থাকবে।