অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে বহুমুখী কারণে সোনার দামে ব্যাপক ওঠানামা লক্ষ করা যাচ্ছে। স্বাধীনতা পরবর্তীতে সোনার ভরি সামান্য থাকলেও বর্তমানে তা লাখ টাকা ছাড়িয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি, রাজনীতি ও বাজারের দীর্ঘ ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে এই মূল্যবান ধাতুর দাম পরিবর্তিত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় স্থানীয় বাজারে সোনার দাম কিছুটা বেশি থাকে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বা বাজুস দেশের বাজারে নিয়মিত সোনার দাম সমন্বয় করে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারেও কয়েক দফায় সোনার দাম কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট সোনার ভরি দুই লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। তবে অন্যান্য মানের সোনা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম তুলনামূলক কম রয়েছে।
দেশে বাণিজ্যিকভ اভাবে বৈধভাবে সোনা আমদানি না হওয়া দাম বেশি থাকার একটি অন্যতম বড় কারণ। মূলত বিদেশফেরত যাত্রীদের আনা সোনা এবং পুরনো অলংকার থেকেই বাজারের চাহিদার বড় অংশ পূরণ হয়। এছাড়া ব্যাগেজ বিধিমালার আওতায় সোনা আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক দিতে হয়। বিভিন্ন ধাপে মুনাফা এবং নানা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণে স্থানীয় বাজারে দাম বেড়ে যায়।
পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারকেন্দ্রিক পাইকারি বাজারের সোনার দামের ওপর ভিত্তি করে জুয়েলার্স সমিতি দাম নির্ধারণ করে। বাংলাদেশ পোদ্দার সমিতি প্রতিদিন আন্তর্জাতিক বাজার, চাহিদা ও সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনা করে পাইকারি দর ঠিক করে। বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি এই পাইকারি দর এবং আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণ করে চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করে।




































