ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

সৌরবিদ্যুতের কার্যক্রম ‘দ্রুত বাস্তবায়নে’ কেনাকাটায় ই-জিপি লাগবে না

অর্থনীতি ডেস্ক: সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদসহ বিভিন্ন স্থানে দ্রুত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের পথ সুগম করতে বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। গত ১৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশে সই করার পর তা প্রকাশ করা হয় এবং জারির দিন থেকেই এটি কার্যকর হয়েছে। সংসদ অধিবেশন না থাকায় এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পরিস্থিতি থাকায় সংবিধানের ক্ষমতাবলে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটাতে আইনি প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হলো।

বিশেষ এই সৌরবিদ্যুতের কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কেনাকাটায় ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট বা ই-জিপি ব্যবহার বাধ্যতামূলক রাখা হয়নি। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বাসাবাড়ির ছাদ বা আঙিনায় সর্বোচ্চ ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা এই অধ্যায়ের আওতাভুক্ত হবে। তবে বৃহৎ ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এই ব্যবস্থার বাইরে থাকবে। ওপেক্স ও ক্যাপেক্স—এই দুটি বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে।

এই কার্যক্রমের নীতিগত দিকনির্দেশনা ও আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে একটি ‘জাতীয় পলিসি কাউন্সিল’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া স্রেডা এই ব্যবস্থার সব তথ্য সংরক্ষণ ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে। প্রকল্পগুলোর স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যন্ত্রপাতি বা বিদ্যুৎ চুরি কিংবা চোরাই যন্ত্রাংশ কেনাবেচার মতো অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এসব অপরাধের বিচার করা হবে।

পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং দেশের বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ কমাতে এই অধ্যাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা ও বসানোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনি জটিলতা দূর করতেই এই বিশেষ বিধানগুলো যুক্ত করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

পিএসসির সদস্য হলেন জাবি শিক্ষক শামীমা সুলতানা

সৌরবিদ্যুতের কার্যক্রম ‘দ্রুত বাস্তবায়নে’ কেনাকাটায় ই-জিপি লাগবে না

প্রকাশিত ১০:৫২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদসহ বিভিন্ন স্থানে দ্রুত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের পথ সুগম করতে বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। গত ১৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশে সই করার পর তা প্রকাশ করা হয় এবং জারির দিন থেকেই এটি কার্যকর হয়েছে। সংসদ অধিবেশন না থাকায় এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পরিস্থিতি থাকায় সংবিধানের ক্ষমতাবলে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটাতে আইনি প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হলো।

বিশেষ এই সৌরবিদ্যুতের কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কেনাকাটায় ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট বা ই-জিপি ব্যবহার বাধ্যতামূলক রাখা হয়নি। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বাসাবাড়ির ছাদ বা আঙিনায় সর্বোচ্চ ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা এই অধ্যায়ের আওতাভুক্ত হবে। তবে বৃহৎ ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এই ব্যবস্থার বাইরে থাকবে। ওপেক্স ও ক্যাপেক্স—এই দুটি বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে।

এই কার্যক্রমের নীতিগত দিকনির্দেশনা ও আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে একটি ‘জাতীয় পলিসি কাউন্সিল’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া স্রেডা এই ব্যবস্থার সব তথ্য সংরক্ষণ ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে। প্রকল্পগুলোর স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যন্ত্রপাতি বা বিদ্যুৎ চুরি কিংবা চোরাই যন্ত্রাংশ কেনাবেচার মতো অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এসব অপরাধের বিচার করা হবে।

পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং দেশের বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ কমাতে এই অধ্যাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা ও বসানোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনি জটিলতা দূর করতেই এই বিশেষ বিধানগুলো যুক্ত করা হয়েছে।