ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

শিশুর কথা শোনা জরুরি

ফিচার ডেস্ক: পরিবারে শিশুদের মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা আজও সমাজে বিদ্যমান রয়েছে। পোশাক নির্বাচন থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ পেশা নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও শিশুদের ইচ্ছা অনেক সময় উপেক্ষিত হয়। শিশু সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখা গেছে, বড়রা শিশুদের অবুঝ ভেবে তাদের ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন। অথচ একজন শিশুর নিজস্ব চিন্তা, পছন্দ, স্বপ্ন এবং অনুভূতি সবসময়ই মূল্যায়ন করা উচিত।

শিশুদের বয়স ও বোঝার ক্ষমতা অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। পরিবারের যেকোনো সিদ্ধান্তে নিজেদের মতামতের সুযোগ থাকলে শিশুরা নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ভাবতে শেখে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বৃদ্ধি পায় এবং নিজস্ব মতামত প্রকাশের সক্ষমতা তৈরি হয়। বিশেষ করে ব্যক্তিগত জীবন, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ পেশার সঙ্গে জড়িত সিদ্ধান্তগুলোতে তাদের কথা শোনা আবশ্যক।

অবশ্য শিশুদের প্রতিটি আবদার বা মতামত অন্ধভাবে মেনে নেওয়াকে সঠিক সমাধান বলা চলে না। বরং বড়দের দায়িত্ব হলো তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং সিদ্ধান্তের ভালো-মন্দ দিকগুলো সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেওয়া। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতামতের সঙ্গে তা সমন্বয় করার পাশাপাশি শিশুর নিরাপত্তা ও সর্বোত্তম স্বার্থকে সবসময় অগ্রাধিকার দিতে হবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় শিশুদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তাই পারিবারিক পর্যায় থেকেই তাদের মতামতের মূল্যায়ন করা হলে তারা ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে।

জনপ্রিয়

তৌফিক ভাইয়ের চারটি বাক্য, আমার সাংবাদিকতার পাঠ

শিশুর কথা শোনা জরুরি

প্রকাশিত ০৫:৫২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

ফিচার ডেস্ক: পরিবারে শিশুদের মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা আজও সমাজে বিদ্যমান রয়েছে। পোশাক নির্বাচন থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ পেশা নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও শিশুদের ইচ্ছা অনেক সময় উপেক্ষিত হয়। শিশু সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখা গেছে, বড়রা শিশুদের অবুঝ ভেবে তাদের ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন। অথচ একজন শিশুর নিজস্ব চিন্তা, পছন্দ, স্বপ্ন এবং অনুভূতি সবসময়ই মূল্যায়ন করা উচিত।

শিশুদের বয়স ও বোঝার ক্ষমতা অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। পরিবারের যেকোনো সিদ্ধান্তে নিজেদের মতামতের সুযোগ থাকলে শিশুরা নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ভাবতে শেখে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বৃদ্ধি পায় এবং নিজস্ব মতামত প্রকাশের সক্ষমতা তৈরি হয়। বিশেষ করে ব্যক্তিগত জীবন, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ পেশার সঙ্গে জড়িত সিদ্ধান্তগুলোতে তাদের কথা শোনা আবশ্যক।

অবশ্য শিশুদের প্রতিটি আবদার বা মতামত অন্ধভাবে মেনে নেওয়াকে সঠিক সমাধান বলা চলে না। বরং বড়দের দায়িত্ব হলো তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং সিদ্ধান্তের ভালো-মন্দ দিকগুলো সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেওয়া। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতামতের সঙ্গে তা সমন্বয় করার পাশাপাশি শিশুর নিরাপত্তা ও সর্বোত্তম স্বার্থকে সবসময় অগ্রাধিকার দিতে হবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় শিশুদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তাই পারিবারিক পর্যায় থেকেই তাদের মতামতের মূল্যায়ন করা হলে তারা ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে।