খেলা ডেস্ক: কেপ টাউনে সিরিজের তৃতীয় ও নির্ধারণী টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষ ভাগে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দিন শেষের ঠিক আগে স্বাগতিক অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে উল্লাস এনে দেন স্পিনার ন্যাথান লায়ন। অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন বাভুমা, যা সফরকারীদের ম্যাচে অনেকটাই এগিয়ে রাখে। দিন শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসে সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে চার উইকেটে ১৪০ রান এবং তারা কেবল ৪০ রানে এগিয়ে রয়েছে। চতুর্থ দিনে প্রোটিয়া ব্যাটারদের জন্য অপেক্ষা করছে এক কঠিন ও রোমাঞ্চকর চ্যালেঞ্জ।
এর আগে ম্যাচের তৃতীয় দিনে জশ ইংলিসের অসাধারণ সেঞ্চুরির সুবাদে বড় সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া। আগের দিন ৮৫ রান নিয়ে খেলা শুরু করা ইংলিস দলীয় নবম ওভারে বাউন্ডারি মেরে টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এই কীর্তির মাধ্যমে তিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ক্রিকেট তিন ফরম্যাটেই অন্তত দুটি করে সেঞ্চুরি করার অনন্য রেকর্ড গড়েন। তবে মাইলফলক স্পর্শ করার ঠিক পরপরই সাইমন হার্মারের বলে উইকেটকিপারের গ্লাভসে বন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ১৩৫ বলে ১০২ রানের ওই ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও দুটি ছক্কার মার।
ইংলিসের বিদায়ের পর অ্যালেক্স কেয়ারির সঙ্গে তার ১৮৫ রানের জুটি ভাঙলে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধস নামে। কেয়ারি ১৬৮ বলে ৮০ রান করে আউট হন এবং শেষ পর্যন্ত কুপার কনোলির ২৯ রানের সুবাদে ৪২৯ রানে থামে অজিদের প্রথম ইনিংস। এর ফলে প্রথম ইনিংসে ১০০ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পায় সফরকারীরা। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সাইমন হার্মার ১০৪ রানে ৪টি এবং মার্কো ইয়ানসেন ৬০ রানে ৩টি উইকেট শিকার করেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এইডেন মার্করাম ও ডেভিড বেডিংহ্যাম দ্রুত উইকেট বিলিয়ে দিলে চাপে পড়ে স্বাগতিক দল। এরপর মার্কেস অ্যাকারম্যানের আগ্রাসী ফিফটি এবং বাভুমার দায়িত্বশীল ব্যাটিং সেই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। অ্যাকারম্যান ৮০ বলে ৬২ রান করে মিচেল স্টার্কের শিকার হন। দিনশেষে ম্যাথু ব্রিটস্কি ১৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

































