ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এলপিজি অপারেটরদের ‘মাফিয়া’ বলা নিয়ে বিইআরসির গণশুনানিতে বিতণ্ডা Logo ১২ ছক্কায় ওমারজাইয়ের রেকর্ড ইনিংস, রাজার সেঞ্চুরির রেকর্ড Logo জাপান সফরে প্রাপ্তির হিসাব-নিকাশ: ‘বিগ-বি’র নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ Logo বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেয়নি জাপান, জানাল টোকিও Logo ইংলিসের অনন্য কীর্তির পর শেষ বেলার উইকেটে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া Logo ইউসিবির ওয়েবভিত্তিক সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ Logo সিঙ্গাপুরে ২৪০ শ্রমিকের বেতন বকেয়া, ওয়ার্ক পারমিট বাতিল, অধিকাংশই বাংলাদেশি Logo ‘২০০’ ছুঁয়ে রাশিদ খানের অনন্য কীর্তি Logo সরকারি বাসা থেকে শনিবারের মধ্যে ভাড়াটিয়া অপসারণের নির্দেশ Logo খাগড়াছড়িতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাপ্রধান

বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেয়নি জাপান, জানাল টোকিও

প্রবাস ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর এক লাখ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে জাপান সরকারের সম্মতি দেওয়ার তথ্যটি সত্য নয় বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়লেও সেটির কোনো ভিত্তি নেই বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস সেক্রেটারি কিতামুরা তোশিহিরো সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ২৭ অক্টোবর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার শীর্ষ বৈঠকেও এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে তিনি জানান।

এর আগে দেশের কিছু গণমাধ্যমে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছিল যে, জাপানে বছরে এক লাখ কর্মী পাঠানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মীর মধ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণার্থী ও নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ সরকারের এই অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনা এবং জাপানের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোটায় কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। জাপানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা থাকলেই যে দেশটি এত বিপুলসংখ্যক কর্মী নেওয়ার চুক্তি করেছে, বিষয়টি এমন নয়।

জাপান সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানতে তাদের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শীর্ষ বৈঠকের বিবরণী পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওই বিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী আমদানির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়নি। তবে বৈঠকে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে জাপানের এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

উক্ত বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয়ভাবে দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা করা হচ্ছে বলে ওই বিবরণে জানানো হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী এবং টেকনিক্যাল ইন্টার্ন হিসেবে জাপানে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালে দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু জাপানের জনশক্তি নেওয়ার প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠোর এবং ভাষাগত দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় অল্প সময়ে এত বিপুল সংখ্যক কর্মী পাঠানোর কোনো বাস্তব পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

জনপ্রিয়

এলপিজি অপারেটরদের ‘মাফিয়া’ বলা নিয়ে বিইআরসির গণশুনানিতে বিতণ্ডা

বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেয়নি জাপান, জানাল টোকিও

প্রকাশিত ০১:৫২:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

প্রবাস ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর এক লাখ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে জাপান সরকারের সম্মতি দেওয়ার তথ্যটি সত্য নয় বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়লেও সেটির কোনো ভিত্তি নেই বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস সেক্রেটারি কিতামুরা তোশিহিরো সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ২৭ অক্টোবর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার শীর্ষ বৈঠকেও এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে তিনি জানান।

এর আগে দেশের কিছু গণমাধ্যমে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছিল যে, জাপানে বছরে এক লাখ কর্মী পাঠানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মীর মধ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণার্থী ও নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ সরকারের এই অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনা এবং জাপানের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোটায় কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। জাপানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা থাকলেই যে দেশটি এত বিপুলসংখ্যক কর্মী নেওয়ার চুক্তি করেছে, বিষয়টি এমন নয়।

জাপান সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানতে তাদের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শীর্ষ বৈঠকের বিবরণী পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওই বিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী আমদানির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়নি। তবে বৈঠকে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে জাপানের এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

উক্ত বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয়ভাবে দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা করা হচ্ছে বলে ওই বিবরণে জানানো হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী এবং টেকনিক্যাল ইন্টার্ন হিসেবে জাপানে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালে দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু জাপানের জনশক্তি নেওয়ার প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠোর এবং ভাষাগত দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় অল্প সময়ে এত বিপুল সংখ্যক কর্মী পাঠানোর কোনো বাস্তব পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।