ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সিঙ্গাপুরে ২৪০ শ্রমিকের বেতন বকেয়া, ওয়ার্ক পারমিট বাতিল, অধিকাংশই বাংলাদেশি Logo ‘২০০’ ছুঁয়ে রাশিদ খানের অনন্য কীর্তি Logo সরকারি বাসা থেকে শনিবারের মধ্যে ভাড়াটিয়া অপসারণের নির্দেশ Logo খাগড়াছড়িতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাপ্রধান Logo ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: অনিয়ম ও বলপ্রয়োগের অভিযোগ জামায়াতের Logo ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, অর্থনীতি পড়তে পারে নদীতে: মাহবুব উল্লাহ Logo বিরোধী জোটে যাওয়ার পরিকল্পনা ইউটিজের, চাপে নেতানিয়াহু Logo পূর্বাচল ক্লাব নিয়ে হচ্ছেটা কী? Logo সম্পর্কে ‘টানাপোড়েন’, তবুও অধিনায়ক ফের্নান্দসেই ‘আস্থা’ ক্যারিকের Logo অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের ফাইনালসে বাংলাদেশ

খাগড়াছড়িতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাপ্রধান

সারাদেশ ডেস্ক: খাগড়াছড়ির বাঘাইহাট জোনের একটি সেনা ক্যাম্প সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সম্প্রতি আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। ক্যাম্পটিতে পৌঁছানোর পর সেনাপ্রধান উপস্থিত সকল সেনাসদস্যের সঙ্গে সরাসরি কুশল বিনিময় করেন। সেই সঙ্গে তিনি সেখানকার দায়িত্বরত সদস্যদের বিভিন্ন কার্যক্রমের সামগ্রিক খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যেও পাহাড়ি এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সেনাসদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের এই নিষ্ঠাবান ও আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা বিশেষভবে স্মরণ করে তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এ সময় সেনাপ্রধান উপস্থিত সকল স্তরের সামরিক সদস্যকে নানা দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সততা ও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার তাগিদ দেন। অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন অব্যাহত রাখার জন্য তিনি জোরালো নির্দেশনা প্রদান করেন।

গুরুত্বপূর্ণ এই সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন কার্যক্রমে সেনাপ্রধানের সঙ্গে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ এবং চট্টগ্রাম এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং অংশ নেন। এছাড়া সেনাসদরের অন্যন্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারাও এই পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন।

পাহাড়ি অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলার বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেনাপ্রধানের এই ধরনের মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এর মাধ্যমে স্থানীয় সেনা সদস্যদের মনোবল আরও চাঙা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করার প্রক্রিয়ায় এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

সিঙ্গাপুরে ২৪০ শ্রমিকের বেতন বকেয়া, ওয়ার্ক পারমিট বাতিল, অধিকাংশই বাংলাদেশি

খাগড়াছড়িতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনে সেনাপ্রধান

প্রকাশিত ১১:৫২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

সারাদেশ ডেস্ক: খাগড়াছড়ির বাঘাইহাট জোনের একটি সেনা ক্যাম্প সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সম্প্রতি আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। ক্যাম্পটিতে পৌঁছানোর পর সেনাপ্রধান উপস্থিত সকল সেনাসদস্যের সঙ্গে সরাসরি কুশল বিনিময় করেন। সেই সঙ্গে তিনি সেখানকার দায়িত্বরত সদস্যদের বিভিন্ন কার্যক্রমের সামগ্রিক খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যেও পাহাড়ি এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সেনাসদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের এই নিষ্ঠাবান ও আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা বিশেষভবে স্মরণ করে তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এ সময় সেনাপ্রধান উপস্থিত সকল স্তরের সামরিক সদস্যকে নানা দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সততা ও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার তাগিদ দেন। অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন অব্যাহত রাখার জন্য তিনি জোরালো নির্দেশনা প্রদান করেন।

গুরুত্বপূর্ণ এই সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন কার্যক্রমে সেনাপ্রধানের সঙ্গে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ এবং চট্টগ্রাম এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং অংশ নেন। এছাড়া সেনাসদরের অন্যন্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারাও এই পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন।

পাহাড়ি অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলার বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেনাপ্রধানের এই ধরনের মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এর মাধ্যমে স্থানীয় সেনা সদস্যদের মনোবল আরও চাঙা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করার প্রক্রিয়ায় এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।