ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সতীর্থদের মানসিকতায় কষ্ট পেয়েছেন সিকান্দার রাজা

খেলা ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দুর্দান্ত সূচনা পাওয়ার পরও পরাজয় এড়াতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। শারজাহতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াই করেও সতীর্থদের অপরিপক্ব মানসিকতা ও অতি আত্মবিশ্বাসের কারণে হার মানতে হয়েছে দলটিকে। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের ক্ষোভ ও হতাশা কোনো রাখঢাক ছাড়াই প্রকাশ করেছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। দলের এমন পারফরম্যান্স কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

ম্যাচের শুরুর দিকে দারুণ বোলিং করে পাঁচ ওভারের মধ্যে মাত্র চার উইকেট তুলে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। এক পর্যায়ে আফগানিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় পাঁচ উইকেটে ৩৮ রান এবং দশ ওভার শেষে রান ছিল পাঁচ উইকেটে ৪৫। কিন্তু এরপর আজমাতউল্লাহ ওমারজাই ও ইজাজ আহমাদজাইয়ের অবিশ্বাস্য ব্যাটিং ঝড়ে সম্পূর্ণ বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। শেষ দশ ওভারে ১৭৬ রান তুলে নির্ধারিত ওভার শেষে আফগানিস্তান সংগ্রহ করে বিশাল ২২১ রান।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একপ্রান্তে সিকান্দার রাজা অসাধারণ সেঞ্চুরি করলেও জয় এনে দিতে পারেননি। তিনি ৯ ছক্কায় ৫৬ বলে ১০৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেও শেষ পর্যন্ত ১৯ রানে হেরে যায় জিম্বাবুয়ে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে রাজা জানান, দলের কিছু ক্রিকেটারের আত্মতুষ্টি তাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, শুরুর সাফল্যে অনেকেই হয়তো ভেবেছিল প্রতিপক্ষ দল অল্পতেই গুটিয়ে যাবে।

ক্রিকেটীয় কৌশল বা ব্যাটিংকর্ম নিয়ে কথা বলার আগে সতীর্থদের মানসিক কাঠিন্যের ঘাটতি নিয়ে কথা বলতে চান জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা সেদিন মাঠে দেখা যায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। ম্যাচকে হালকাভাবে নেওয়ার ফল যে কতটা মারাত্মক হতে পারে, আজকের দিনটি তার বড় প্রমাণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। ড্রেসিংরুমে এ বিষয়ে কড়া বার্তা দেবেন বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ক্ষুব্ধ অধিনায়ক।

ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি বা নিজের পারফরম্যান্সকে বড় করে না দেখে দলগত ব্যর্থতাকেই সামনে এনেছেন সিকান্দার রাজা। শেষ দুই ওভার পর্যন্ত জয়ের আশা থাকলেও প্রথম ইনিংসে দলের আত্মসমর্পণমূলক আচরণ তাকে ব্যথিত করেছে। মাঠে খেলোয়াড়দের মানসিকতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা জরুরি বলে মনে করছেন তিনি। খেলাকে গুরুত্বের সঙ্গে না নিলে ভবিষ্যতে এমন ব্যর্থতা দলের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।

জনপ্রিয়

মুমিনুলের সমস্যা ‘খুঁজে বের করতে হবে নিজেকেই’

সতীর্থদের মানসিকতায় কষ্ট পেয়েছেন সিকান্দার রাজা

প্রকাশিত ০২:৫২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দুর্দান্ত সূচনা পাওয়ার পরও পরাজয় এড়াতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। শারজাহতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াই করেও সতীর্থদের অপরিপক্ব মানসিকতা ও অতি আত্মবিশ্বাসের কারণে হার মানতে হয়েছে দলটিকে। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের ক্ষোভ ও হতাশা কোনো রাখঢাক ছাড়াই প্রকাশ করেছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। দলের এমন পারফরম্যান্স কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

ম্যাচের শুরুর দিকে দারুণ বোলিং করে পাঁচ ওভারের মধ্যে মাত্র চার উইকেট তুলে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। এক পর্যায়ে আফগানিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় পাঁচ উইকেটে ৩৮ রান এবং দশ ওভার শেষে রান ছিল পাঁচ উইকেটে ৪৫। কিন্তু এরপর আজমাতউল্লাহ ওমারজাই ও ইজাজ আহমাদজাইয়ের অবিশ্বাস্য ব্যাটিং ঝড়ে সম্পূর্ণ বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। শেষ দশ ওভারে ১৭৬ রান তুলে নির্ধারিত ওভার শেষে আফগানিস্তান সংগ্রহ করে বিশাল ২২১ রান।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একপ্রান্তে সিকান্দার রাজা অসাধারণ সেঞ্চুরি করলেও জয় এনে দিতে পারেননি। তিনি ৯ ছক্কায় ৫৬ বলে ১০৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেও শেষ পর্যন্ত ১৯ রানে হেরে যায় জিম্বাবুয়ে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে রাজা জানান, দলের কিছু ক্রিকেটারের আত্মতুষ্টি তাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, শুরুর সাফল্যে অনেকেই হয়তো ভেবেছিল প্রতিপক্ষ দল অল্পতেই গুটিয়ে যাবে।

ক্রিকেটীয় কৌশল বা ব্যাটিংকর্ম নিয়ে কথা বলার আগে সতীর্থদের মানসিক কাঠিন্যের ঘাটতি নিয়ে কথা বলতে চান জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা সেদিন মাঠে দেখা যায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। ম্যাচকে হালকাভাবে নেওয়ার ফল যে কতটা মারাত্মক হতে পারে, আজকের দিনটি তার বড় প্রমাণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। ড্রেসিংরুমে এ বিষয়ে কড়া বার্তা দেবেন বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ক্ষুব্ধ অধিনায়ক।

ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি বা নিজের পারফরম্যান্সকে বড় করে না দেখে দলগত ব্যর্থতাকেই সামনে এনেছেন সিকান্দার রাজা। শেষ দুই ওভার পর্যন্ত জয়ের আশা থাকলেও প্রথম ইনিংসে দলের আত্মসমর্পণমূলক আচরণ তাকে ব্যথিত করেছে। মাঠে খেলোয়াড়দের মানসিকতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা জরুরি বলে মনে করছেন তিনি। খেলাকে গুরুত্বের সঙ্গে না নিলে ভবিষ্যতে এমন ব্যর্থতা দলের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।