লাইফস্টাইল ডেস্ক: বয়স বাড়লেই নানা শারীরিক পরিবর্তন ও জটিলতা অনিবার্য—এমন ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। বার্ধক্য নিয়ে সমাজে বেশ কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে যা মানুষের সুস্থ জীবনযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে। নিয়মিত জীবনযাপনের অভ্যাস এবং সচেতনতার মাধ্যমে বয়সের অনেক প্রভাবই মোকাবিলা করা সম্ভব। এসব ভ্রান্ত ধারণা কাটিয়ে উঠলে প্রবীণ ব্যক্তিরা আরও সুন্দর ও প্রাণবন্ত জীবন উপভোগ করতে পারেন।
বার্ধক্য নিয়ে একটি প্রচলিত ভুল ধারণা হলো বয়স বাড়লে কম ঘুমালেও চলে। চিকিৎসকদের মতে, বয়স্কদেরও প্রতি রাতে সাত থেকে নয় ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। অপর্যাপ্ত ঘুম স্মৃতিশক্তি, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।
বয়স বাড়লে পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া অবধারিত—এই ধারণাও পুরোপুরি ঠিক নয়। নিয়মিত শরীরচর্চা, শক্তিবর্ধক ব্যায়াম এবং আমিষসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের মাধ্যমে পেশির শক্তি ধরে রাখা সম্ভব। পাশাপাশি, শরীরের সব প্রদাহ ক্ষতিকর নয়; বরং এটি শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থার অংশ। তবে দীর্ঘমেয়াদী মৃদু প্রদাহ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
অনেকে মনে করেন বয়স বাড়লে সামাজিক পরিসর বা যোগাযোগ প্রাকৃতিকভাবেই ছোট হয়ে যায়। কিন্তু একাকিত্ব বার্ধক্যের কোনো অপরিহার্য অংশ নয় এবং এটি মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া কেবল কৃত্রিম ভিটামিন বা সাপ্লিমেন্ট খেয়ে স্বাস্থ্য ভালো রাখার ধারণাও সঠিক নয়। পুষ্টির মূল উৎস হওয়া উচিত সুষম ও প্রাকৃতিক খাবার।



































