ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখে ভুয়া জরিপের ফাঁদ, আস্থার সংকট Logo কামিন্দুর ‘প্রথম’ সেঞ্চুরি Logo কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান Logo বড় সাজ্জাদের ‘নতুন সহযোগী’ গ্রেপ্তার, পুলিশ বলছে তার ‘বেতন ৫০ হাজার’ Logo ট্রাফিক সংকটে রেডিট, এখন থেকে কনটেন্ট দেখতে লাগবে লগইন Logo দীর্ঘায়ু ও সুস্থ বার্ধক্যের বিষয়ে প্রচলিত ৬টি ভুল ধারণা Logo শুরু হতে যাচ্ছে ‘দ্য ফ্লো ফেস্ট’: একাকিত্ব দূর করার নতুন উদ্যোগ Logo যুক্তরাষ্ট্রে ‘অবৈধ ভোট’ দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা Logo ঢাবিতে ভর্তি হওয়া উচিত নয়: ফজলুর রহমান Logo ‘বহুরুপী ৩’: ‘ডাকাতদের’ সঙ্গে থাকছেন মিঠুন চক্রবর্তী

বড় সাজ্জাদের ‘নতুন সহযোগী’ গ্রেপ্তার, পুলিশ বলছে তার ‘বেতন ৫০ হাজার’

অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. সাব্বির হোসেন সানিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে ৩৪ বছর বয়সি এই ব্যক্তিকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার সানির বিরুদ্ধে এর আগে থেকেই চট্টগ্রামে একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি বিদেশে অবস্থান করার পর সাজ্জাদের নির্দেশে গত বছর দেশে ফিরে আসেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত সানি নগরীর পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং তার মূল বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায়। দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি সাজ্জাদ ও বোরহানের পক্ষে চাঁদাবাজি এবং মারামারির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। সম্প্রতি একটি চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় সানির একটি অডিও রেকর্ড গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আসে। সংগৃহীত ওই অডিও রেকর্ড এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

জিজ্ঞাসাবাদের প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, কারাবন্দি ডেভিড ইমনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে সানি এই অপরাধ চক্রের দায়িত্ব নেন। বড় সাজ্জাদের অপরাধ নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার জন্য তাকে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হতো। এই চক্রটি মূলত প্রভাব বিস্তার ও ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায় করে আসত। কোনো ব্যক্তি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা ব্যর্থ হলে তার ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হতো।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তার সানির বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এবং হাটহাজারী থানায় পৃথক দুটি চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। এই চক্রের বাকি সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে এবং তাদের অপরাধমূলক কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মনে করছে, এই গ্রেপ্তারের ফলে ওই এলাকার সন্ত্রাসী কার্যক্রম অনেকাংশে দমন করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখে ভুয়া জরিপের ফাঁদ, আস্থার সংকট

বড় সাজ্জাদের ‘নতুন সহযোগী’ গ্রেপ্তার, পুলিশ বলছে তার ‘বেতন ৫০ হাজার’

প্রকাশিত ০৪:৫২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. সাব্বির হোসেন সানিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে ৩৪ বছর বয়সি এই ব্যক্তিকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার সানির বিরুদ্ধে এর আগে থেকেই চট্টগ্রামে একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি বিদেশে অবস্থান করার পর সাজ্জাদের নির্দেশে গত বছর দেশে ফিরে আসেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত সানি নগরীর পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং তার মূল বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায়। দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি সাজ্জাদ ও বোরহানের পক্ষে চাঁদাবাজি এবং মারামারির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। সম্প্রতি একটি চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় সানির একটি অডিও রেকর্ড গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আসে। সংগৃহীত ওই অডিও রেকর্ড এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

জিজ্ঞাসাবাদের প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, কারাবন্দি ডেভিড ইমনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে সানি এই অপরাধ চক্রের দায়িত্ব নেন। বড় সাজ্জাদের অপরাধ নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার জন্য তাকে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হতো। এই চক্রটি মূলত প্রভাব বিস্তার ও ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায় করে আসত। কোনো ব্যক্তি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা ব্যর্থ হলে তার ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হতো।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তার সানির বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এবং হাটহাজারী থানায় পৃথক দুটি চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। এই চক্রের বাকি সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে এবং তাদের অপরাধমূলক কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মনে করছে, এই গ্রেপ্তারের ফলে ওই এলাকার সন্ত্রাসী কার্যক্রম অনেকাংশে দমন করা সম্ভব হবে।