ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সংবিধান সংস্কারের দাবিতে অনড় বিরোধীরা, শেষমেশ কী একতরফা সিদ্ধান্ত? Logo ডি-৮ বাণিজ্যের বাধা কাটাতে এফটিএ-পিটিএ বাস্তবায়ন চায় ঢাকা Logo থামছে না পাহাড় কাটা ও অবৈধ পাথর-বালু উত্তোলন, বিপন্ন প্রকৃতি Logo যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস কার দখলে যাচ্ছে? যে ৩ দৃশ্যপট বদলে দিতে পারে সব Logo হাইড্রোজেনের ভবিষ্যৎ: সম্ভাবনা বিপুল, কিন্তু অর্থনীতির পরীক্ষায় এখনো প্রস্তুত নয় Logo বাংলাদেশে শ্রমিক বিক্ষোভের ওপর নজর রাখছে ভারত Logo ‘পূর্বজন্মের পাপ’: বিএনপি নেতার ফেইসবুক পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বাহাস Logo আলিবাবার সঙ্গে রিমার্কের চুক্তি, পণ্য কিনতে পারবেন বিদেশিরাও Logo ‘২৪-এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিল ৭১-এর রাজাকার’ Logo মেসি-পরবর্তী আর্জেন্টিনার প্রথম দল ঘোষণা

বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সরকারি ক্রয় অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হচ্ছে

আইন-আদালত ডেস্ক: বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন এবং সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দুটিকে স্থায়ী আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনের খসড়াগুলোতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকে অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা থাকায় সেগুলোকে আইনে রূপান্তর করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের দ্রুত বিস্তার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ইতিপূর্বে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছিল। লেজিসলেটিভ ভেটিং সাপেক্ষে কেবিনেটে অনুমোদন পাওয়ার পর এবার বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬-এর খসড়াটি সংসদে পাঠানো হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে জনসাধারণের যোগদানের সুযোগ রেখে অধ্যাদেশ জারির প্রস্তাবে সায় দিয়েছিল মন্ত্রিসভা এবং পরের দিন তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়।

অন্যদিকে, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ গত ২১ সেপ্টেম্বর জারি করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এটি এখন বিল আকারে জাতীয় সংসদে পাস করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নতুন এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া নারী ও সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের অংশগ্রহণ, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং সরকারি জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থার বিভিন্ন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এই আইনগুলো পাস হলে সংশ্লিষ্ট খাতের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

সংবিধান সংস্কারের দাবিতে অনড় বিরোধীরা, শেষমেশ কী একতরফা সিদ্ধান্ত?

বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সরকারি ক্রয় অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হচ্ছে

প্রকাশিত ১০:০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক: বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন এবং সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দুটিকে স্থায়ী আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনের খসড়াগুলোতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকে অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা থাকায় সেগুলোকে আইনে রূপান্তর করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের দ্রুত বিস্তার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ইতিপূর্বে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছিল। লেজিসলেটিভ ভেটিং সাপেক্ষে কেবিনেটে অনুমোদন পাওয়ার পর এবার বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬-এর খসড়াটি সংসদে পাঠানো হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে জনসাধারণের যোগদানের সুযোগ রেখে অধ্যাদেশ জারির প্রস্তাবে সায় দিয়েছিল মন্ত্রিসভা এবং পরের দিন তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়।

অন্যদিকে, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ গত ২১ সেপ্টেম্বর জারি করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এটি এখন বিল আকারে জাতীয় সংসদে পাস করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নতুন এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া নারী ও সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের অংশগ্রহণ, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং সরকারি জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থার বিভিন্ন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এই আইনগুলো পাস হলে সংশ্লিষ্ট খাতের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।