ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

‘বেসরকারি খাতের ঝুঁকি কমিয়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরি সরকারের লক্ষ্য’

অর্থনীতি ডেস্ক: বেসরকারি খাতের নানা ঝুঁকি কমানো এবং বিনিয়োগ সুরক্ষিত রাখার মতো অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ আয়োজিত এক সেমিনারে এই কথা জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টিকারী সমস্যাগুলো দূর করতে কার্যকর নীতিগত উদ্যোগ ও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে দেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গুরুত্ব এবং প্রযুক্তিভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অ্যামচেম আয়োজিত ‘ফ্রম ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার টু এআই ইকোনমি: বিল্ডিং বাংলাদেশ’স নেক্সট গ্রোথ ইঞ্জিন’ শীর্ষক ওই সেমিনারে প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। এ সময় বিজ্ঞান সচিব শিল্প ও শিক্ষাঙ্গনের মধ্যে যৌথ গবেষণাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি একটি সুনির্দিষ্ট প্রণোদনা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনার কথা জানান। এছাড়া তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর প্রসারে প্রয়োজনীয় উপযুক্ত অবকাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন। সেমিনারের মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালী করা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানে ওরাকলের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা পুরো আলোচনা পর্বটি সঞ্চালনা করেন। এতে দেশের বিশিষ্ট করপোরেট ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদরা প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান এবং ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ। এছাড়া শপআপের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আতাউর রহিম চৌধুরী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাকও বক্তব্য দেন।

আলোচক ও বক্তারা আর্থিক সেবা, টেলিযোগাযোগ ও ই-কমার্সসহ নানা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহারের বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তারা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গতি আনতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ এবং নীতি সহায়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। সেমিনারটির পাশাপাশি আয়োজিত তিন দিনের ইউএস ট্রেড শোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য, সেবা ও আধুনিক উদ্ভাবন প্রদর্শন করে। মূলত প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতেই এই যৌথ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

জনপ্রিয়

নতুনদের তাল-লয় শেখাতে নতুন ঘরানার কিবোর্ড আনল ক্যাসিও

‘বেসরকারি খাতের ঝুঁকি কমিয়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরি সরকারের লক্ষ্য’

প্রকাশিত ০১:৩৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: বেসরকারি খাতের নানা ঝুঁকি কমানো এবং বিনিয়োগ সুরক্ষিত রাখার মতো অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ আয়োজিত এক সেমিনারে এই কথা জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টিকারী সমস্যাগুলো দূর করতে কার্যকর নীতিগত উদ্যোগ ও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে দেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গুরুত্ব এবং প্রযুক্তিভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অ্যামচেম আয়োজিত ‘ফ্রম ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার টু এআই ইকোনমি: বিল্ডিং বাংলাদেশ’স নেক্সট গ্রোথ ইঞ্জিন’ শীর্ষক ওই সেমিনারে প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। এ সময় বিজ্ঞান সচিব শিল্প ও শিক্ষাঙ্গনের মধ্যে যৌথ গবেষণাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি একটি সুনির্দিষ্ট প্রণোদনা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনার কথা জানান। এছাড়া তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর প্রসারে প্রয়োজনীয় উপযুক্ত অবকাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন। সেমিনারের মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালী করা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানে ওরাকলের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা পুরো আলোচনা পর্বটি সঞ্চালনা করেন। এতে দেশের বিশিষ্ট করপোরেট ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদরা প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান এবং ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ। এছাড়া শপআপের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আতাউর রহিম চৌধুরী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আব্দুর রাজ্জাকও বক্তব্য দেন।

আলোচক ও বক্তারা আর্থিক সেবা, টেলিযোগাযোগ ও ই-কমার্সসহ নানা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহারের বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তারা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গতি আনতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ এবং নীতি সহায়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। সেমিনারটির পাশাপাশি আয়োজিত তিন দিনের ইউএস ট্রেড শোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য, সেবা ও আধুনিক উদ্ভাবন প্রদর্শন করে। মূলত প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতেই এই যৌথ আয়োজন সম্পন্ন হয়।