ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার Logo শুধু নিয়ন্ত্রন নয়, ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায় ডায়াবেটিস নিরাময় সম্ভব  Logo নির্বাচনকালীন গুজব ও অপপ্রচার মোকাবেলায় সাংবাদিকদের পিআইবির প্রশিক্ষণ Logo ইউনিলিভার, যুক্তরাজ্য সরকার ও ইওয়াই-এর যৌথ উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উদযাপন

স্টাফদের পকেটে ঈদ বোনাস, বেতন পাননি রেফারি ও নারী ফুটবলাররা

  • Shamrat Kabir
  • প্রকাশিত ১০:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫
  • ৩৫ বার পঠিত

স্টাফদের পকেটে ঈদ বোনাস, বেতন পাননি রেফারি ও নারী ফুটবলাররা

টানা দ্বিতীয়বার সাফ শিরোপা নিয়ে দেশে ফেরার পর সাবিনাদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছিল বাফুফেসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। তবে বাকিরা ‍পুরস্কারের অর্থ চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের হাতে তুলে দিলেও ভুলে গেছে দেশের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বাফুফে)। এমন কি ঈদুল ফিতরের আগে নারী ফুটবলারদের বেতন ও বোনাস দিতে পারেনি বাফুফে।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি ৩৬ জন নারী ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি করেছিল বাফুফে। সাবিনা-কৃষ্ণারা ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলারকে বয়কট করায় তারা চুক্তি করেননি। আফিদাদের পাশাপাশি বাফুফে উঠতি ফুটবলারদেরও চুক্তির আওতায় এনেছে। সেই চুক্তির এক মাস পার হলেও ঈদের আগে বেতন পাননি ফুটবলাররা।

খেলোয়াড়রা ছাড়াও এ তালিকায় রয়েছে পরিচালনাকারী রেফারিরাও। কিন্তু বেতন বোনাস বুঝে পেয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রশাসনিক স্টাফরা।

এ বিষয়ে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার নারী ফুটবলারদের সম্মানী সম্পর্কে বলেন, চুক্তির পরই সবাইকে (যারা নতুন) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করতে বলা হয়েছিল। অনেকে অ্যাকাউন্ট করেনি এজন্য আমরা তাদের সম্মানী দিতে পারিনি। ঈদের পর সবাইকে একসঙ্গে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই প্রস্তত রয়েছে।

ইমরানের এমন অভিযোগ অনেকটাই হাস্যকর। কারণ, বাফুফে ভবনের অবস্থান ব্যাংক-বাণিজ্য পাড়া মতিঝিলেই। আর নারী ফুটবলাররা বাফুফে ভবনেই থাকেন। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের স্পন্সর ঢাকা ব্যাংক। তাই খুব সহজেই অতি স্বল্প সময়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব।

এদিকে, রেফারিদের সম্মানী বকেয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের ফুটবলের পুরনো সংস্কৃতি। তাবিথ আউয়ালের নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার সময় রেফারিদের বকেয়া ছিল কোটি টাকার ওপর। পুরনো বোঝা ধীরে ধীরে কমানোর প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি চলমান বিলগুলো দ্রুত পরিশোধের অঙ্গীকার ছিল। চলতি মৌসুম অর্ধেকের বেশি শেষ হলেও রেফারিরা মাত্র লীগের পাঁচ রাউন্ডের সম্মানী পেয়েছেন গত মাসের শেষ দিকে।

রেফারিরা ঈদের আগে লিগে অন্তত প্রথম লেগের বাকি চার ম্যাচের সম্মানী প্রত্যাশা করেছিলেন। ফেডারেশন রেফারিদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হয়ে একাধিক রেফারি বলেন, ‘প্রথম লেগ শেষ হয়েছে এক মাসের বেশি। আমাদের সেই অর্থ ঈদের আগে দেয়নি শুনেছি তারা নাকি স্পন্সর থেকে অর্থ পায়নি। আমরা ফেডারেশনের কাছে অনেক টাকা পাওনা। ঈদের আগে অন্তত আমাদের কিছু দেওয়া উচিত ছিল।

জনপ্রিয়

১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার 

স্টাফদের পকেটে ঈদ বোনাস, বেতন পাননি রেফারি ও নারী ফুটবলাররা

প্রকাশিত ১০:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫

টানা দ্বিতীয়বার সাফ শিরোপা নিয়ে দেশে ফেরার পর সাবিনাদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছিল বাফুফেসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। তবে বাকিরা ‍পুরস্কারের অর্থ চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের হাতে তুলে দিলেও ভুলে গেছে দেশের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বাফুফে)। এমন কি ঈদুল ফিতরের আগে নারী ফুটবলারদের বেতন ও বোনাস দিতে পারেনি বাফুফে।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি ৩৬ জন নারী ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি করেছিল বাফুফে। সাবিনা-কৃষ্ণারা ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলারকে বয়কট করায় তারা চুক্তি করেননি। আফিদাদের পাশাপাশি বাফুফে উঠতি ফুটবলারদেরও চুক্তির আওতায় এনেছে। সেই চুক্তির এক মাস পার হলেও ঈদের আগে বেতন পাননি ফুটবলাররা।

খেলোয়াড়রা ছাড়াও এ তালিকায় রয়েছে পরিচালনাকারী রেফারিরাও। কিন্তু বেতন বোনাস বুঝে পেয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রশাসনিক স্টাফরা।

এ বিষয়ে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার নারী ফুটবলারদের সম্মানী সম্পর্কে বলেন, চুক্তির পরই সবাইকে (যারা নতুন) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করতে বলা হয়েছিল। অনেকে অ্যাকাউন্ট করেনি এজন্য আমরা তাদের সম্মানী দিতে পারিনি। ঈদের পর সবাইকে একসঙ্গে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই প্রস্তত রয়েছে।

ইমরানের এমন অভিযোগ অনেকটাই হাস্যকর। কারণ, বাফুফে ভবনের অবস্থান ব্যাংক-বাণিজ্য পাড়া মতিঝিলেই। আর নারী ফুটবলাররা বাফুফে ভবনেই থাকেন। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের স্পন্সর ঢাকা ব্যাংক। তাই খুব সহজেই অতি স্বল্প সময়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব।

এদিকে, রেফারিদের সম্মানী বকেয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের ফুটবলের পুরনো সংস্কৃতি। তাবিথ আউয়ালের নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার সময় রেফারিদের বকেয়া ছিল কোটি টাকার ওপর। পুরনো বোঝা ধীরে ধীরে কমানোর প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি চলমান বিলগুলো দ্রুত পরিশোধের অঙ্গীকার ছিল। চলতি মৌসুম অর্ধেকের বেশি শেষ হলেও রেফারিরা মাত্র লীগের পাঁচ রাউন্ডের সম্মানী পেয়েছেন গত মাসের শেষ দিকে।

রেফারিরা ঈদের আগে লিগে অন্তত প্রথম লেগের বাকি চার ম্যাচের সম্মানী প্রত্যাশা করেছিলেন। ফেডারেশন রেফারিদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হয়ে একাধিক রেফারি বলেন, ‘প্রথম লেগ শেষ হয়েছে এক মাসের বেশি। আমাদের সেই অর্থ ঈদের আগে দেয়নি শুনেছি তারা নাকি স্পন্সর থেকে অর্থ পায়নি। আমরা ফেডারেশনের কাছে অনেক টাকা পাওনা। ঈদের আগে অন্তত আমাদের কিছু দেওয়া উচিত ছিল।