সারা দেশে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে তারা বারবার জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও সন্ত্রাসী কার্যক্রম লিপ্ত হয়। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও হতাশ হন বলে জানান র্যাব-২ এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান।
চুয়া সেলিমসহ মোহাম্মদপুরের ৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে বসিলায় সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে জেনেভা ক্যাম্পের আলোচিত শীর্ষ মাদক কারবারি চুয়া সেলিমকে আবারও গ্রেপ্তার করে র্যাব-২। জানা গেছে, এর আগে তাকে অন্তত ১০ বার গ্রেপ্তার করে র্যাব পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে ৩৬টি মামলা রয়েছে।
এদিন মাহি গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড জয়কেও গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ১০ মামলার আসামি। র্যাব জানিয়েছে, মাহি গ্রুপের সদস্যারা দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান, চাঁদ উদ্যান, নবীনগর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজী, মারপিটে লিপ্ত হয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল।
বৃহস্পতিবার অস্ত্রসহ ২০ মামলার আরেক আসামি বোমা রতনকেও গ্রেপ্তার করে র্যাব। গজনবী রোড, বছিলা ও জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই ও অস্ত্রধারী চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন তিনি।
দুর্বল এজাহার আর তদন্তের ঘাটতির করণে চিহ্নিত এই আসামিরা বারবার গ্রেপ্তারের পর জামিন পাচ্ছেন এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন র্যাব-২ অধিনায়ক নয়মুল হাসান। তিনি জানান, শীর্ষ পর্যায়ের এসব আসামি জামিন পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে ব্যাঘাত ঘটে। এতে তারাও হতাশ হন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর আর বসিলায় মাদকের কারবার চলে আসছে। চাইলেও তা বন্ধ করা সহজ নয়। তবে অপরাধ আগের চেয়ে এখন অনেক কমেছে। পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও সময় লাগবে।






























