ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু Logo দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo রুটিনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জন Logo কবি নজরুল কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo দাম বাড়লো জেট ফুয়েলের Logo রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি Logo উত্তরায় ‘গ্রিনিং বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইবিয়ান ক্লাবের বৃক্ষরোপণ Logo জোর করে বশ্যতা স্বীকার করানোর চেষ্টা প্রতিহত করবে ইরান: পেজেশকিয়ান Logo জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ জিসানের পদত্যাগের ঘোষণা Logo বুটেক্সে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সাত দফা দাবি

আইনমন্ত্রী হচ্ছেন আসাদুজ্জামান!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছে বিএনপির নেতৃবৃন্দরা। এমন পরিস্থিতিতে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো.আসাদুজ্জামান আইনমন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।  

বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি। আইন খাতকে পরিপূর্ণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এবার এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মো.আসাদুজ্জামানকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো.আসাদুজ্জামান দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না ও মন্তব্যও করতে চাইনা। তবে দেশনায়ক ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে যদি এই দায়িত্বে যোগ্য মনে করেন তবে আমি তা যথাযথভাবে পালন করব।

ঝিনাইদহ-১ আসনে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বেসরকারিভাবে ১ লাখ ১৬ হাজার ২১ ভোট পেয়েছেন।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষে ১৯৯৫ সালে   আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন।

তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেনা।

জনপ্রিয়

সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

আইনমন্ত্রী হচ্ছেন আসাদুজ্জামান!

প্রকাশিত ০৭:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছে বিএনপির নেতৃবৃন্দরা। এমন পরিস্থিতিতে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো.আসাদুজ্জামান আইনমন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।  

বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি। আইন খাতকে পরিপূর্ণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এবার এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মো.আসাদুজ্জামানকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো.আসাদুজ্জামান দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না ও মন্তব্যও করতে চাইনা। তবে দেশনায়ক ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে যদি এই দায়িত্বে যোগ্য মনে করেন তবে আমি তা যথাযথভাবে পালন করব।

ঝিনাইদহ-১ আসনে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বেসরকারিভাবে ১ লাখ ১৬ হাজার ২১ ভোট পেয়েছেন।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষে ১৯৯৫ সালে   আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন।

তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেনা।