ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু Logo দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo রুটিনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জন Logo কবি নজরুল কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo দাম বাড়লো জেট ফুয়েলের Logo রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি Logo উত্তরায় ‘গ্রিনিং বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইবিয়ান ক্লাবের বৃক্ষরোপণ Logo জোর করে বশ্যতা স্বীকার করানোর চেষ্টা প্রতিহত করবে ইরান: পেজেশকিয়ান Logo জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ জিসানের পদত্যাগের ঘোষণা Logo বুটেক্সে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সাত দফা দাবি

মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই শপথ পড়াবেন।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে কম-বেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের ২৯৭ আসনের মধ্যে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিনের সনসদ সদস্যদের মধ্যে শপথ গ্রহণ করতে হবে। এই তিন দিনের সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে ১৪, ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হতে পারে। কারণ, কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে জানাবেন যে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ প্রদান করবেন। এরপরে একটি সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে শপথ অনুষ্ঠান হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা আশা করছি তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।’

শপথের জন্য প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।’

সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটি সংসদ সচিবালয়ের দেখাশোনার বিষয়।

আপনি জানতে পেরেছেন কী—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যা জানি তা ইনফরমাল, সে জন্য এখন বলছি না। এখানে নানা রকম অপশন রয়েছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ দিতে পারেন। যদি তারা কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়ন করতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।

প্রাথমিকভাবে অতিথিদের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় এক হাজার অতিথি শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন।

জনপ্রিয়

সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত ১১:০৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই শপথ পড়াবেন।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে কম-বেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের ২৯৭ আসনের মধ্যে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিনের সনসদ সদস্যদের মধ্যে শপথ গ্রহণ করতে হবে। এই তিন দিনের সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে ১৪, ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হতে পারে। কারণ, কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে জানাবেন যে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ প্রদান করবেন। এরপরে একটি সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে শপথ অনুষ্ঠান হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা আশা করছি তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।’

শপথের জন্য প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।’

সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটি সংসদ সচিবালয়ের দেখাশোনার বিষয়।

আপনি জানতে পেরেছেন কী—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যা জানি তা ইনফরমাল, সে জন্য এখন বলছি না। এখানে নানা রকম অপশন রয়েছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ দিতে পারেন। যদি তারা কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়ন করতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।

প্রাথমিকভাবে অতিথিদের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় এক হাজার অতিথি শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন।