ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo লাল-সবুজের পতাকা হাতে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন সায়মা আনিকা Logo এসএসসির ফল প্রকাশ আজ, ভাঙছে ২০ বছরের রেকর্ড Logo সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু Logo দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo রুটিনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জন Logo কবি নজরুল কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo দাম বাড়লো জেট ফুয়েলের Logo রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি Logo উত্তরায় ‘গ্রিনিং বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইবিয়ান ক্লাবের বৃক্ষরোপণ Logo জোর করে বশ্যতা স্বীকার করানোর চেষ্টা প্রতিহত করবে ইরান: পেজেশকিয়ান

নোবিপ্রবিতে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের প্রতিবাদে মানববন্ধন 

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের শিক্ষার্থীদের সাথে উপস্থিত হতে দেখা যায়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘স্বৈরাচারেরে ঠিকানা , এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ফ্যাসিবাদের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘আওয়ামী লীগের চামচারা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘গণহত্যার মদদদাতারা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘নোবিপ্রবিতে হবে না, দালালদের ঠিকানা’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, নোবিপ্রবিতে ফ্যাসিবাদী দোসরদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক যেকোনো কর্মকাণ্ডে জড়িতদের সতর্ক হওয়ারও আহ্বান জানান তাঁরা।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদল সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন,আমরা দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদের বিচারের দাবি নিয়ে কর্মসূচী পালন করে আসাছি।জুলাই পরবর্তী ক্যাম্পাসে যারা ফ্যাসিবাদের পক্ষ নিবেন তাদের রাজনীতি কঠিন করে দিব। ৫ আগষ্ট পরবর্তী এই ক্যাম্পাসে কোন ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার হয় নি।ফ্যাসিবাদের দোসর যারা দুর্নীতি করে,অপরাজনীতির সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ হয়েছে তাদের কারো বিরুদ্ধে একশন নেন নাই। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জীবনকে বির্পযস্ত করেছিল,নিরাপদ শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছিল সেই সকল শিক্ষক, কর্মকর্তারা কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার সাহস পাই তা জবাবদিহিতা আনতে হবে।

নোবিপ্রবি সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক ও ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড.জাহাঙ্গীর কবির বলেন,এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অতীতে অনেক মব হয়েছে। আমাদের একটা দাবি ছিল যে মব কালচারের বিরুদ্ধে আমরা।এবং যাদেরকে পূনর্বাসন করা হয়েছে, আমাদের কথা ছিল যে উনারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন, তাদেরকে তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আওতায় আনতে হবে। কোন কিছু ঝুলিয়ে রাখা চলবে না। অপরাধ যদি কেউ করে থাকে, তাদের আইনের ভিত্তিতে বিচার হবে, বিচারের ব্যাবস্থা হলে তারপর রায় হবে। কিন্তু প্রশাসন সেটা করেননি, যখনই দেখা গেল যে আমরা বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলা শুরু করলাম, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চরম অন্যায় এবং নিয়ম নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করলাম, তখনি উনি পুনর্বাসন এর সিদ্ধান্তটা নিলেন,যেটার ধিক্কার জানাই।

ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও নোবিপ্রবি সাদা দলের আহ্বায়ক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন,”আমরা ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন চাই না।আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় ভালোভাবে চলুক। তবে এখানে আমাদের প্রশাসনে যে দুর্নীতি,জামাতিকরণ,ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করতেছে সবগুলোর বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার আছি।আমরা মনে করি প্রশাসন লোকচুরি খেলছে ফ্যাসিস্টদেরকে নিয়ে।আমরা আশা করি যে প্রশাসনের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং প্রশাসন আমরা যে শীঘ্রই এক সপ্তাহ আল্টিমেটাম দিয়েছি আমরা আশা রাখছি প্রশাসন শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে তারা পদত্যাগ করবে এবং এই ক্যাম্পাস মুক্ত করে চলে যাবে।

জনপ্রিয়

লাল-সবুজের পতাকা হাতে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন সায়মা আনিকা

নোবিপ্রবিতে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের প্রতিবাদে মানববন্ধন 

প্রকাশিত ০৭:৫৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের শিক্ষার্থীদের সাথে উপস্থিত হতে দেখা যায়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘স্বৈরাচারেরে ঠিকানা , এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ফ্যাসিবাদের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘আওয়ামী লীগের চামচারা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘গণহত্যার মদদদাতারা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘নোবিপ্রবিতে হবে না, দালালদের ঠিকানা’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, নোবিপ্রবিতে ফ্যাসিবাদী দোসরদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক যেকোনো কর্মকাণ্ডে জড়িতদের সতর্ক হওয়ারও আহ্বান জানান তাঁরা।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদল সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন,আমরা দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদের বিচারের দাবি নিয়ে কর্মসূচী পালন করে আসাছি।জুলাই পরবর্তী ক্যাম্পাসে যারা ফ্যাসিবাদের পক্ষ নিবেন তাদের রাজনীতি কঠিন করে দিব। ৫ আগষ্ট পরবর্তী এই ক্যাম্পাসে কোন ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার হয় নি।ফ্যাসিবাদের দোসর যারা দুর্নীতি করে,অপরাজনীতির সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ হয়েছে তাদের কারো বিরুদ্ধে একশন নেন নাই। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জীবনকে বির্পযস্ত করেছিল,নিরাপদ শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছিল সেই সকল শিক্ষক, কর্মকর্তারা কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার সাহস পাই তা জবাবদিহিতা আনতে হবে।

নোবিপ্রবি সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক ও ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড.জাহাঙ্গীর কবির বলেন,এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অতীতে অনেক মব হয়েছে। আমাদের একটা দাবি ছিল যে মব কালচারের বিরুদ্ধে আমরা।এবং যাদেরকে পূনর্বাসন করা হয়েছে, আমাদের কথা ছিল যে উনারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন, তাদেরকে তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আওতায় আনতে হবে। কোন কিছু ঝুলিয়ে রাখা চলবে না। অপরাধ যদি কেউ করে থাকে, তাদের আইনের ভিত্তিতে বিচার হবে, বিচারের ব্যাবস্থা হলে তারপর রায় হবে। কিন্তু প্রশাসন সেটা করেননি, যখনই দেখা গেল যে আমরা বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলা শুরু করলাম, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চরম অন্যায় এবং নিয়ম নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করলাম, তখনি উনি পুনর্বাসন এর সিদ্ধান্তটা নিলেন,যেটার ধিক্কার জানাই।

ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও নোবিপ্রবি সাদা দলের আহ্বায়ক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন,”আমরা ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন চাই না।আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় ভালোভাবে চলুক। তবে এখানে আমাদের প্রশাসনে যে দুর্নীতি,জামাতিকরণ,ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করতেছে সবগুলোর বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার আছি।আমরা মনে করি প্রশাসন লোকচুরি খেলছে ফ্যাসিস্টদেরকে নিয়ে।আমরা আশা করি যে প্রশাসনের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং প্রশাসন আমরা যে শীঘ্রই এক সপ্তাহ আল্টিমেটাম দিয়েছি আমরা আশা রাখছি প্রশাসন শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে তারা পদত্যাগ করবে এবং এই ক্যাম্পাস মুক্ত করে চলে যাবে।