ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজারের বেশি হাজি Logo মোবাইল ফোন হ্যাক হয়েছে কি না বুঝবেন কীভাবে Logo লায়ন্স ক্লাব ডাইনামিক সিটি ও সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ৫৪ জন রোগীর ছানি অপারেশন Logo ১৭ লাখ ডলারের বৃত্তি পেয়েছেন আইএসডির ‘ক্লাস অব ২০২৬’ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা Logo দেশে হামে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু Logo বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল Logo শেষ হলো ফ্রি ফায়ার ওয়ার্ল্ড সিরিজ বাংলাদেশ স্প্রিং ২০২৬: ওয়ার্ল্ড কাপে যাচ্ছে বাংলাদেশ Logo নীলফামারীতে টিআইবি-সনাকের মানববন্ধন: পরিবেশ রক্ষায় ১২ দফা সুপারিশ Logo ধনবাড়ী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি লেবু, সম্পাদক টিটু Logo কুড়িগ্রামের দিনমজুর থেকে দোহারের সফল বর্গা চাষী মোহাম্মদ হোসেন

মোবাইল ফোন হ্যাক হয়েছে কি না বুঝবেন কীভাবে

বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং লেনদেন থেকে শুরু করে যোগাযোগের সব মাধ্যমই এখন মুঠোফোনে বন্দি। আর এই কারণেই সাইবার অপরাধীদের প্রধান লক্ষ্য থাকে সাধারণ মানুষের স্মার্টফোন হ্যাক করা। অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না যে আমাদের অজান্তেই ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে অন্য কারও হাতে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণ দেখে সহজেই অনুমান করা সম্ভব আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনটি হ্যাক হয়েছে কি না।

ফোন হ্যাক হওয়ার অন্যতম প্রধান ও প্রথম লক্ষণ হলো ব্যাটারির অস্বাভাবিক আচরণ। কোনো কারণ ছাড়াই ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। হ্যাকিং বা ম্যালওয়্যার সফটওয়্যারগুলো ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সবসময় সচল থাকে। এগুলো গোপনে আপনার তথ্য পাচার করতে থাকে। যার ফলে ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

একই কারণে ফোনটি ব্যবহার না করলেও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি গরম হয়ে যেতে পারে। এতে ফোনের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা ধীর হয়ে যায়। কোনো অ্যাপ চালু করতে দীর্ঘ সময় লাগা বা ফোন হঠাৎ ফ্রিজ হয়ে যাওয়াও হ্যাকিংয়ের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো মোবাইলের ইন্টারনেট ডেটা বা মেগাবাইট দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া।

আপনার অজান্তেই ফোনের ডেটা ব্যবহার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এর অর্থ ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা ক্ষতিকারক অ্যাপটি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কোনো রিমোট সার্ভারে পাঠাচ্ছে। এছাড়া ফোনে হঠাৎ অপরিচিত অ্যাপের উপস্থিতি দেখা দেওয়া হ্যাকিংয়ের স্পষ্ট প্রমাণ। অনেক সময় স্ক্রিনে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিরক্তিকর পপ-আপ বিজ্ঞাপন আসতে শুরু করে। অদ্ভুত টেক্সট মেসেজ আসাও ডিভাইসে ম্যালওয়্যারের উপস্থিতির জানান দেয়।

আপনার বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বা ইমেইলে অনাকাঙ্ক্ষিত লগইন নোটিফিকেশন আসতে পারে। কিংবা আপনার প্রোফাইল থেকে বন্ধুদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো মেসেজ বা লিঙ্ক চলে যেতে পারে। এমন হলে ধরে নিতে হবে আপনার ফোনটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই ধরণের পরিস্থিতি এড়াতে অপরিচিত কোনো লিঙ্কে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সবসময় ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপস আপডেট রাখা জরুরি। সন্দেহজনক কোনো অ্যাপ চোখে পড়লে তা অবিলম্বে আনইনস্টল করুন। ফোনের গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোতে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন। সাইবার দুনিয়ায় নিজের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

জনপ্রিয়

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজারের বেশি হাজি

মোবাইল ফোন হ্যাক হয়েছে কি না বুঝবেন কীভাবে

প্রকাশিত ০৩:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং লেনদেন থেকে শুরু করে যোগাযোগের সব মাধ্যমই এখন মুঠোফোনে বন্দি। আর এই কারণেই সাইবার অপরাধীদের প্রধান লক্ষ্য থাকে সাধারণ মানুষের স্মার্টফোন হ্যাক করা। অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না যে আমাদের অজান্তেই ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে অন্য কারও হাতে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণ দেখে সহজেই অনুমান করা সম্ভব আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনটি হ্যাক হয়েছে কি না।

ফোন হ্যাক হওয়ার অন্যতম প্রধান ও প্রথম লক্ষণ হলো ব্যাটারির অস্বাভাবিক আচরণ। কোনো কারণ ছাড়াই ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। হ্যাকিং বা ম্যালওয়্যার সফটওয়্যারগুলো ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সবসময় সচল থাকে। এগুলো গোপনে আপনার তথ্য পাচার করতে থাকে। যার ফলে ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

একই কারণে ফোনটি ব্যবহার না করলেও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি গরম হয়ে যেতে পারে। এতে ফোনের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা ধীর হয়ে যায়। কোনো অ্যাপ চালু করতে দীর্ঘ সময় লাগা বা ফোন হঠাৎ ফ্রিজ হয়ে যাওয়াও হ্যাকিংয়ের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো মোবাইলের ইন্টারনেট ডেটা বা মেগাবাইট দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া।

আপনার অজান্তেই ফোনের ডেটা ব্যবহার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এর অর্থ ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা ক্ষতিকারক অ্যাপটি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কোনো রিমোট সার্ভারে পাঠাচ্ছে। এছাড়া ফোনে হঠাৎ অপরিচিত অ্যাপের উপস্থিতি দেখা দেওয়া হ্যাকিংয়ের স্পষ্ট প্রমাণ। অনেক সময় স্ক্রিনে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিরক্তিকর পপ-আপ বিজ্ঞাপন আসতে শুরু করে। অদ্ভুত টেক্সট মেসেজ আসাও ডিভাইসে ম্যালওয়্যারের উপস্থিতির জানান দেয়।

আপনার বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বা ইমেইলে অনাকাঙ্ক্ষিত লগইন নোটিফিকেশন আসতে পারে। কিংবা আপনার প্রোফাইল থেকে বন্ধুদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো মেসেজ বা লিঙ্ক চলে যেতে পারে। এমন হলে ধরে নিতে হবে আপনার ফোনটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই ধরণের পরিস্থিতি এড়াতে অপরিচিত কোনো লিঙ্কে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সবসময় ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপস আপডেট রাখা জরুরি। সন্দেহজনক কোনো অ্যাপ চোখে পড়লে তা অবিলম্বে আনইনস্টল করুন। ফোনের গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোতে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন। সাইবার দুনিয়ায় নিজের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।