ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণীতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে জিতবে কারা Logo গ্রাহকদের কাছে দ্রুততর সেবা পৌঁছে দিতে দেশজুড়ে রবির পরিবেশবান্ধব ‘সুপার বাইক’ Logo জামায়াতে যোগ দিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম Logo আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচ: পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা! Logo পাবিপ্রবিতে ইতিহাস বিভাগের নবীনবরণ ও পাঠদান কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের Logo ২০০ বন্যার্ত পরিবারের পাশে কুবির ‘চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ Logo জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই স্মৃতিফলক’ উদ্বোধন Logo হাবিপ্রবিতে পৃথক ডেটা সায়েন্স বিভাগের বিরোধিতা, পরিসংখ্যানের সাথে সংযুক্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি Logo ফার্মের মুরগি বলা জেন-জিই করেছে মহাকাব্যিক বিপ্লব: তাজুল ইসলাম

মোবাইল ফোন হ্যাক হয়েছে কি না বুঝবেন কীভাবে

বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং লেনদেন থেকে শুরু করে যোগাযোগের সব মাধ্যমই এখন মুঠোফোনে বন্দি। আর এই কারণেই সাইবার অপরাধীদের প্রধান লক্ষ্য থাকে সাধারণ মানুষের স্মার্টফোন হ্যাক করা। অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না যে আমাদের অজান্তেই ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে অন্য কারও হাতে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণ দেখে সহজেই অনুমান করা সম্ভব আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনটি হ্যাক হয়েছে কি না।

ফোন হ্যাক হওয়ার অন্যতম প্রধান ও প্রথম লক্ষণ হলো ব্যাটারির অস্বাভাবিক আচরণ। কোনো কারণ ছাড়াই ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। হ্যাকিং বা ম্যালওয়্যার সফটওয়্যারগুলো ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সবসময় সচল থাকে। এগুলো গোপনে আপনার তথ্য পাচার করতে থাকে। যার ফলে ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

একই কারণে ফোনটি ব্যবহার না করলেও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি গরম হয়ে যেতে পারে। এতে ফোনের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা ধীর হয়ে যায়। কোনো অ্যাপ চালু করতে দীর্ঘ সময় লাগা বা ফোন হঠাৎ ফ্রিজ হয়ে যাওয়াও হ্যাকিংয়ের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো মোবাইলের ইন্টারনেট ডেটা বা মেগাবাইট দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া।

আপনার অজান্তেই ফোনের ডেটা ব্যবহার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এর অর্থ ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা ক্ষতিকারক অ্যাপটি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কোনো রিমোট সার্ভারে পাঠাচ্ছে। এছাড়া ফোনে হঠাৎ অপরিচিত অ্যাপের উপস্থিতি দেখা দেওয়া হ্যাকিংয়ের স্পষ্ট প্রমাণ। অনেক সময় স্ক্রিনে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিরক্তিকর পপ-আপ বিজ্ঞাপন আসতে শুরু করে। অদ্ভুত টেক্সট মেসেজ আসাও ডিভাইসে ম্যালওয়্যারের উপস্থিতির জানান দেয়।

আপনার বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বা ইমেইলে অনাকাঙ্ক্ষিত লগইন নোটিফিকেশন আসতে পারে। কিংবা আপনার প্রোফাইল থেকে বন্ধুদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো মেসেজ বা লিঙ্ক চলে যেতে পারে। এমন হলে ধরে নিতে হবে আপনার ফোনটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই ধরণের পরিস্থিতি এড়াতে অপরিচিত কোনো লিঙ্কে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সবসময় ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপস আপডেট রাখা জরুরি। সন্দেহজনক কোনো অ্যাপ চোখে পড়লে তা অবিলম্বে আনইনস্টল করুন। ফোনের গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোতে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন। সাইবার দুনিয়ায় নিজের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

জনপ্রিয়

সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণীতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে জিতবে কারা

মোবাইল ফোন হ্যাক হয়েছে কি না বুঝবেন কীভাবে

প্রকাশিত ০৩:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং লেনদেন থেকে শুরু করে যোগাযোগের সব মাধ্যমই এখন মুঠোফোনে বন্দি। আর এই কারণেই সাইবার অপরাধীদের প্রধান লক্ষ্য থাকে সাধারণ মানুষের স্মার্টফোন হ্যাক করা। অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না যে আমাদের অজান্তেই ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে অন্য কারও হাতে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণ দেখে সহজেই অনুমান করা সম্ভব আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনটি হ্যাক হয়েছে কি না।

ফোন হ্যাক হওয়ার অন্যতম প্রধান ও প্রথম লক্ষণ হলো ব্যাটারির অস্বাভাবিক আচরণ। কোনো কারণ ছাড়াই ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। হ্যাকিং বা ম্যালওয়্যার সফটওয়্যারগুলো ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে সবসময় সচল থাকে। এগুলো গোপনে আপনার তথ্য পাচার করতে থাকে। যার ফলে ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

একই কারণে ফোনটি ব্যবহার না করলেও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি গরম হয়ে যেতে পারে। এতে ফোনের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা ধীর হয়ে যায়। কোনো অ্যাপ চালু করতে দীর্ঘ সময় লাগা বা ফোন হঠাৎ ফ্রিজ হয়ে যাওয়াও হ্যাকিংয়ের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো মোবাইলের ইন্টারনেট ডেটা বা মেগাবাইট দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া।

আপনার অজান্তেই ফোনের ডেটা ব্যবহার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এর অর্থ ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা ক্ষতিকারক অ্যাপটি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কোনো রিমোট সার্ভারে পাঠাচ্ছে। এছাড়া ফোনে হঠাৎ অপরিচিত অ্যাপের উপস্থিতি দেখা দেওয়া হ্যাকিংয়ের স্পষ্ট প্রমাণ। অনেক সময় স্ক্রিনে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিরক্তিকর পপ-আপ বিজ্ঞাপন আসতে শুরু করে। অদ্ভুত টেক্সট মেসেজ আসাও ডিভাইসে ম্যালওয়্যারের উপস্থিতির জানান দেয়।

আপনার বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বা ইমেইলে অনাকাঙ্ক্ষিত লগইন নোটিফিকেশন আসতে পারে। কিংবা আপনার প্রোফাইল থেকে বন্ধুদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো মেসেজ বা লিঙ্ক চলে যেতে পারে। এমন হলে ধরে নিতে হবে আপনার ফোনটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই ধরণের পরিস্থিতি এড়াতে অপরিচিত কোনো লিঙ্কে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

সবসময় ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপস আপডেট রাখা জরুরি। সন্দেহজনক কোনো অ্যাপ চোখে পড়লে তা অবিলম্বে আনইনস্টল করুন। ফোনের গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোতে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন। সাইবার দুনিয়ায় নিজের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।