ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo লিহাই গোর্জ-এর রঙিন শরৎ Logo রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুলবর্ষের অনুষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণ Logo সুন্দরবনে বনদস্যু আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন Logo শ্রমিক আন্দোলনে পাশের দেশ থেকে ‘মাফিয়ারা’ অপচেষ্টা চালাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo গাবতলী-দাশেরকান্দি মেট্রোরেলের অর্থায়ন নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা Logo এই আন্দোলন শ্রমিকদের নয়, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে Logo একনেকে আরেকটি মেগা প্রকল্প: সাকি বললেন, জনগণের প্রয়োজন থেকেই বড় প্রকল্প Logo বাজে লোকগুলো হেরে গেছে: ট্রাম্প, ভ্যান্সকে নিয়ে সেনেটর আল-সায়েদ Logo মার্কিন নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন মুসলিম তরুণী Logo মাইক্রোসফটের পর এবার স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব গুগলে

জুলাইয়ে জাবিতে হাসিনার ছবি অপসারণের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের বিবৃতি, দুইদিন পরই ক্ষমতাচ্যুত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা তার কার্যালয় থেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি অপসারণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ২ আগস্ট তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছিল আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ। তবে ওই বিবৃতির দুই দিন পরই, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান।

২ আগস্ট প্রকাশিত বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ দাবি করে, বিভাগীয় সভাপতির কক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি সরিয়ে অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা দেশের আইন লঙ্ঘন করেছেন এবং এটি রাষ্ট্রবিরোধী কাজ। সংগঠনটির ভাষ্য ছিল, তিনি ২০০২ সালের ২৭ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের “সরকারি অফিস, আদালত ও প্রতিষ্ঠানসমূহে সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি টানানো” সংক্রান্ত পরিপত্র লঙ্ঘন করেছেন, যা তাদের মতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অধ্যাপক শামীমা সুলতানা শুধু প্রতিকৃতি সরিয়েই ক্ষান্ত হননি; তিনি কার্যালয়ে বসে সেই ঘটনার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেছেন এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে বিবৃতিতে তার শেখ হাসিনাকে “খুনি” হিসেবে উল্লেখ করার সমালোচনা করা হয়।

সংগঠনটি আরও দাবি করে, বাংলা বিভাগের সভাপতির কক্ষ ব্যক্তিগত কক্ষ নয় এবং সেখানে স্থাপিত প্রতিকৃতি একক সিদ্ধান্তে অপসারণের এখতিয়ার সভাপতির নেই। এ ঘটনায় অধ্যাপক শামীমা সুলতানার বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিও জানানো হয়।

বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ. এ. মামুন ও সদস্যসচিব সরকারও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক বশির আহমেদ স্বাক্ষর করেন।

এ ছাড়া আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে স্বাক্ষর করেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আরজু মিয়া, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক অসিত বরণ পাল, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক পৃথ্বিলা নাজনীন নীলিমা, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. লায়েক সাজ্জাদ এন্দেল্লাহ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক কৌশিক সাহা, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রাশেদা ইয়াসমিন শিল্পী, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হারুন অর রশীদ খান, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সুফি মোস্তাফিজুর রহমান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল্লাহ হেল কাফী, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক সাজেদা বেগম, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহেদুর রশিদ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. নুহ আলম, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক যুগল কৃষ্ণ দাস, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক তপন কুমার সাহা, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহা. মুজিবুর রহমান, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ হাফিজুর রহমান, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শফি মুহাম্মদ তারেক, নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আকবার হোসেন, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল হক, পরিসংখ্যান ও উপাত্তবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর কবীর, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক সুকল্যাণ কুমার কুন্ডু, ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেন্সিং এন্ড জিআইএসের অধ্যাপক শেখ তৌহিদুল ইসলাম, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. হাসিবুর রহমান, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. আনোয়ার খসরু পারভেজ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম মইনুদ্দিন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মো. খালিদ কুদ্দুস, ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. এমদাদুল হক, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহেদুর রহমান, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহা. সাবির হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ ছায়েদুর রহমান, ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজির অধ্যাপক এম. শামীম কায়সার, তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলাম, গণিত বিভাগের অধ্যাপক জেসমিন আখতার, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদার, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক নীলাঞ্জন কুমার সাহা, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফারহা মতিন জুলিয়ানা, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের অধ্যাপক মো. তাজউদ্দিন সিকদার, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক নিগার সুলতানা, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সিকদার মো. জুলকারনাইন, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক হোসনে আরা, সরকার ও রাজনীতিবিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ. স. ম. ফিরোজ-উল-হাসান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (তৎকালীন) মো. আউয়াল আল কবীর, জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক (তৎকালীন সহযোগী অধ্যাপক) রাকিব আহমেদ, জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ আদনান ফাহাদ, চারুকলা বিভাগের অধ্যাপক (তৎকালীন সহযোগী অধ্যাপক) এম. এম. ময়েজউদ্দীন এবং একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. সোহেল রানা।

অন্যদিকে, গণঅভ্যুত্থানের পর অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা গণমাধ্যমে বলেন, জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং নৈতিক অবস্থান থেকে তিনি শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি তার কার্যালয় থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। তার ভাষায়, “শেখ হাসিনার ছবি আমার অফিসের দেয়ালে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছিল।”

২ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের ওই বিবৃতি এবং মাত্র দুই দিন পর দেশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি অফিস থেকে নামিয়ে ফেলা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে আলোচিত হয়ে থাকবে বলে মনে করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীরা।

জনপ্রিয়

লিহাই গোর্জ-এর রঙিন শরৎ

জুলাইয়ে জাবিতে হাসিনার ছবি অপসারণের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের বিবৃতি, দুইদিন পরই ক্ষমতাচ্যুত

প্রকাশিত ১২:৫৪:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা তার কার্যালয় থেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি অপসারণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ২ আগস্ট তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছিল আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ। তবে ওই বিবৃতির দুই দিন পরই, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান।

২ আগস্ট প্রকাশিত বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ দাবি করে, বিভাগীয় সভাপতির কক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি সরিয়ে অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা দেশের আইন লঙ্ঘন করেছেন এবং এটি রাষ্ট্রবিরোধী কাজ। সংগঠনটির ভাষ্য ছিল, তিনি ২০০২ সালের ২৭ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের “সরকারি অফিস, আদালত ও প্রতিষ্ঠানসমূহে সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি টানানো” সংক্রান্ত পরিপত্র লঙ্ঘন করেছেন, যা তাদের মতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অধ্যাপক শামীমা সুলতানা শুধু প্রতিকৃতি সরিয়েই ক্ষান্ত হননি; তিনি কার্যালয়ে বসে সেই ঘটনার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেছেন এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে বিবৃতিতে তার শেখ হাসিনাকে “খুনি” হিসেবে উল্লেখ করার সমালোচনা করা হয়।

সংগঠনটি আরও দাবি করে, বাংলা বিভাগের সভাপতির কক্ষ ব্যক্তিগত কক্ষ নয় এবং সেখানে স্থাপিত প্রতিকৃতি একক সিদ্ধান্তে অপসারণের এখতিয়ার সভাপতির নেই। এ ঘটনায় অধ্যাপক শামীমা সুলতানার বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিও জানানো হয়।

বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ. এ. মামুন ও সদস্যসচিব সরকারও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক বশির আহমেদ স্বাক্ষর করেন।

এ ছাড়া আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে স্বাক্ষর করেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আরজু মিয়া, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক অসিত বরণ পাল, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক পৃথ্বিলা নাজনীন নীলিমা, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. লায়েক সাজ্জাদ এন্দেল্লাহ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহমদ, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক কৌশিক সাহা, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রাশেদা ইয়াসমিন শিল্পী, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হারুন অর রশীদ খান, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সুফি মোস্তাফিজুর রহমান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল্লাহ হেল কাফী, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক সাজেদা বেগম, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহেদুর রশিদ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. নুহ আলম, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক যুগল কৃষ্ণ দাস, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক তপন কুমার সাহা, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহা. মুজিবুর রহমান, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ হাফিজুর রহমান, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শফি মুহাম্মদ তারেক, নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আকবার হোসেন, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল হক, পরিসংখ্যান ও উপাত্তবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর কবীর, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক সুকল্যাণ কুমার কুন্ডু, ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেন্সিং এন্ড জিআইএসের অধ্যাপক শেখ তৌহিদুল ইসলাম, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. হাসিবুর রহমান, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. আনোয়ার খসরু পারভেজ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম মইনুদ্দিন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মো. খালিদ কুদ্দুস, ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. এমদাদুল হক, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহেদুর রহমান, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহা. সাবির হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ ছায়েদুর রহমান, ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজির অধ্যাপক এম. শামীম কায়সার, তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলাম, গণিত বিভাগের অধ্যাপক জেসমিন আখতার, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদার, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক নীলাঞ্জন কুমার সাহা, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফারহা মতিন জুলিয়ানা, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের অধ্যাপক মো. তাজউদ্দিন সিকদার, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক নিগার সুলতানা, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক সিকদার মো. জুলকারনাইন, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক হোসনে আরা, সরকার ও রাজনীতিবিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ. স. ম. ফিরোজ-উল-হাসান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (তৎকালীন) মো. আউয়াল আল কবীর, জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক (তৎকালীন সহযোগী অধ্যাপক) রাকিব আহমেদ, জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ আদনান ফাহাদ, চারুকলা বিভাগের অধ্যাপক (তৎকালীন সহযোগী অধ্যাপক) এম. এম. ময়েজউদ্দীন এবং একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. সোহেল রানা।

অন্যদিকে, গণঅভ্যুত্থানের পর অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা গণমাধ্যমে বলেন, জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং নৈতিক অবস্থান থেকে তিনি শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি তার কার্যালয় থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। তার ভাষায়, “শেখ হাসিনার ছবি আমার অফিসের দেয়ালে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছিল।”

২ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের ওই বিবৃতি এবং মাত্র দুই দিন পর দেশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি অফিস থেকে নামিয়ে ফেলা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে আলোচিত হয়ে থাকবে বলে মনে করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীরা।