ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ Logo বাকৃবিতে ২২ জন শিশু পেলো কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন বৃত্তির সনদপত্র Logo বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই মার্কেট সার্ভের সমাপনী ও সনদ বিতরণ Logo ৩ আগস্ট ববিতে আসছেন মুফতি ফয়জুল করীম Logo গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা Logo গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করলো পুলিশ Logo জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে: মাহমুদা মিতু Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী ভিসা বন্ড চালু যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫০টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন কড়াকড়ির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মার্কিন বি-১ (ব্যবসা) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার আবেদনকারীদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত নেওয়ার বিধানটি স্থায়ী করতে যাচ্ছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। ফলে আবেদনকারীদের ভিসা অনুমোদনের শর্ত হিসেবে ক্ষেত্রবিশেষে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কনস্যুলার অফিসার যদি মনে করেন কোনো আবেদনকারীর ক্ষেত্রে জামানত নেওয়া প্রয়োজন, তবেই এ অর্থ চাওয়া হবে। এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই নীতিতে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার জামানতের সুযোগ ছিল। তবে নতুন বিধিমালায় পাঁচ হাজার ডলারের ধাপটি বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি সোমবার (৩ আগস্ট) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশের দিন থেকেই কার্যকর হবে।

৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার। দক্ষিণ এশিয়া থেকে বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে রয়েছে নেপাল ও ভুটান। ওয়াশিংটনের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অনেক সফরকারী যুক্তরাষ্ট্রে অননুমোদিতভাবে থেকে যান। এই প্রবণতা কমাতেই নীতিটি স্থায়ী করা হচ্ছে।

তবে মার্কিন প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিবাসন অধিকারকর্মীরা। তারা বলছেন, এ ধরনের বিপুল অঙ্কের জামানতের শর্ত প্রকৃতপক্ষে বৈধ ভ্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই নীতিকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে তারা সতর্ক করেছেন, এটি মুক্তমত প্রকাশ ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হুমকি হতে পারে।

যদিও সব সমালোচনার বিপরীতে ট্রাম্প প্রশাসন বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার তাগিদ হিসেবেই উপস্থাপন করছে। অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর পাশাপাশি বৈধভাবে প্রবেশের পথও কঠিন করা হচ্ছে। ভিসার নানা ধাপে বাড়তি ফি আরোপের পাশাপাশি এখন আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নজরদারির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

জনপ্রিয়

তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী ভিসা বন্ড চালু যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত ০৬:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫০টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন কড়াকড়ির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মার্কিন বি-১ (ব্যবসা) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার আবেদনকারীদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত নেওয়ার বিধানটি স্থায়ী করতে যাচ্ছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। ফলে আবেদনকারীদের ভিসা অনুমোদনের শর্ত হিসেবে ক্ষেত্রবিশেষে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কনস্যুলার অফিসার যদি মনে করেন কোনো আবেদনকারীর ক্ষেত্রে জামানত নেওয়া প্রয়োজন, তবেই এ অর্থ চাওয়া হবে। এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই নীতিতে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার জামানতের সুযোগ ছিল। তবে নতুন বিধিমালায় পাঁচ হাজার ডলারের ধাপটি বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি সোমবার (৩ আগস্ট) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশের দিন থেকেই কার্যকর হবে।

৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার। দক্ষিণ এশিয়া থেকে বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে রয়েছে নেপাল ও ভুটান। ওয়াশিংটনের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অনেক সফরকারী যুক্তরাষ্ট্রে অননুমোদিতভাবে থেকে যান। এই প্রবণতা কমাতেই নীতিটি স্থায়ী করা হচ্ছে।

তবে মার্কিন প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিবাসন অধিকারকর্মীরা। তারা বলছেন, এ ধরনের বিপুল অঙ্কের জামানতের শর্ত প্রকৃতপক্ষে বৈধ ভ্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই নীতিকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে তারা সতর্ক করেছেন, এটি মুক্তমত প্রকাশ ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হুমকি হতে পারে।

যদিও সব সমালোচনার বিপরীতে ট্রাম্প প্রশাসন বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার তাগিদ হিসেবেই উপস্থাপন করছে। অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর পাশাপাশি বৈধভাবে প্রবেশের পথও কঠিন করা হচ্ছে। ভিসার নানা ধাপে বাড়তি ফি আরোপের পাশাপাশি এখন আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নজরদারির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স