ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানে কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করলেন ছাত্রদল নেতা মিনার Logo খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল Logo তীব্র লোডশেডিং ও গ্যাস সংকটে বিপাকে কুবির শিক্ষার্থীরা Logo যে আমলে বান্দার গুনাহ ঝরে যায় Logo ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে দলীয় সুপারিশে ছাত্রদল নেতা ও তার প্রেমিকার নাম Logo বাণিজ্যিক পোল্ট্রি খামারে বাড়ছে বিপজ্জনক ব্যাকটেরিয়া Logo লোডশেডিং সমাধানে অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যানি, সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রী! Logo এসএসসি পাসেই বেসরকারি সংস্থায় চাকরি Logo ছয় মাস পর্যটক যাতায়াত বন্ধ: নতুন প্রাণ পেলো সেন্ট মার্টিন

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী ভিসা বন্ড চালু যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫০টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন কড়াকড়ির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মার্কিন বি-১ (ব্যবসা) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার আবেদনকারীদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত নেওয়ার বিধানটি স্থায়ী করতে যাচ্ছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। ফলে আবেদনকারীদের ভিসা অনুমোদনের শর্ত হিসেবে ক্ষেত্রবিশেষে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কনস্যুলার অফিসার যদি মনে করেন কোনো আবেদনকারীর ক্ষেত্রে জামানত নেওয়া প্রয়োজন, তবেই এ অর্থ চাওয়া হবে। এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই নীতিতে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার জামানতের সুযোগ ছিল। তবে নতুন বিধিমালায় পাঁচ হাজার ডলারের ধাপটি বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি সোমবার (৩ আগস্ট) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশের দিন থেকেই কার্যকর হবে।

৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার। দক্ষিণ এশিয়া থেকে বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে রয়েছে নেপাল ও ভুটান। ওয়াশিংটনের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অনেক সফরকারী যুক্তরাষ্ট্রে অননুমোদিতভাবে থেকে যান। এই প্রবণতা কমাতেই নীতিটি স্থায়ী করা হচ্ছে।

তবে মার্কিন প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিবাসন অধিকারকর্মীরা। তারা বলছেন, এ ধরনের বিপুল অঙ্কের জামানতের শর্ত প্রকৃতপক্ষে বৈধ ভ্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই নীতিকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে তারা সতর্ক করেছেন, এটি মুক্তমত প্রকাশ ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হুমকি হতে পারে।

যদিও সব সমালোচনার বিপরীতে ট্রাম্প প্রশাসন বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার তাগিদ হিসেবেই উপস্থাপন করছে। অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর পাশাপাশি বৈধভাবে প্রবেশের পথও কঠিন করা হচ্ছে। ভিসার নানা ধাপে বাড়তি ফি আরোপের পাশাপাশি এখন আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নজরদারির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানে কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করলেন ছাত্রদল নেতা মিনার

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য স্থায়ী ভিসা বন্ড চালু যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত ০৬:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫০টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন কড়াকড়ির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মার্কিন বি-১ (ব্যবসা) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার আবেদনকারীদের জন্য ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত নেওয়ার বিধানটি স্থায়ী করতে যাচ্ছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। ফলে আবেদনকারীদের ভিসা অনুমোদনের শর্ত হিসেবে ক্ষেত্রবিশেষে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রকাশিত মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কনস্যুলার অফিসার যদি মনে করেন কোনো আবেদনকারীর ক্ষেত্রে জামানত নেওয়া প্রয়োজন, তবেই এ অর্থ চাওয়া হবে। এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই নীতিতে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার জামানতের সুযোগ ছিল। তবে নতুন বিধিমালায় পাঁচ হাজার ডলারের ধাপটি বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি সোমবার (৩ আগস্ট) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশের দিন থেকেই কার্যকর হবে।

৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিই আফ্রিকার। দক্ষিণ এশিয়া থেকে বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে রয়েছে নেপাল ও ভুটান। ওয়াশিংটনের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অনেক সফরকারী যুক্তরাষ্ট্রে অননুমোদিতভাবে থেকে যান। এই প্রবণতা কমাতেই নীতিটি স্থায়ী করা হচ্ছে।

তবে মার্কিন প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিবাসন অধিকারকর্মীরা। তারা বলছেন, এ ধরনের বিপুল অঙ্কের জামানতের শর্ত প্রকৃতপক্ষে বৈধ ভ্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই নীতিকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে তারা সতর্ক করেছেন, এটি মুক্তমত প্রকাশ ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হুমকি হতে পারে।

যদিও সব সমালোচনার বিপরীতে ট্রাম্প প্রশাসন বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার তাগিদ হিসেবেই উপস্থাপন করছে। অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর পাশাপাশি বৈধভাবে প্রবেশের পথও কঠিন করা হচ্ছে। ভিসার নানা ধাপে বাড়তি ফি আরোপের পাশাপাশি এখন আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নজরদারির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স