ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তিন মাসেও শেষ হয়নি পাবিপ্রবির মাঠ সংস্কার Logo ‘টাকা যদি তেল-গ্যাসের পিছেই চলে যায়, তাহলে আমরা কি না খাইয়া থাকুম?’ Logo মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা দলে দুঃসংবাদ Logo অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছাত্রলীগের ফুলবাবু ধরা, অতঃপর… Logo অভিনেত্রী মিঠুর ব্যক্তিত্বকে কেন ‘সেক্সি’ বললেন শ্রীলেখা? Logo টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন Logo বিশ্বের প্রথম কেইজ ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০ Logo এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় বাংলাদেশের Logo মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’ Logo বাংলাদেশের দুর্গম চরাঞ্চলে ৮ লাখের বেশি রোগীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল

দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের এক দিন পর এবার সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাবি, তিনি সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হওয়ায় এবং আগের রাতের দুই হলের সংঘর্ষের জের ধরেই তাঁর ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দ্বীপ কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের প্রথম বর্ষের এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাঁর অভিযোগ, রোববার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বারের মোড় থেকে কেনাকাটা শেষে হলে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়ামের সামনে ১২ থেকে ১৫ জন তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁরা প্রথমে তাঁর হলের নাম জানতে চান। হলের নাম শোনার পর তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আরও জানান, হামলার ফলে তাঁর মাথায় আঘাত লাগে, চশমা ভেঙে যায় এবং আক্রমণকারীরা তার মানিব্যাগ নিয়ে যায়। সেসময় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও সেটি তিনি রক্ষা করতে সক্ষম হন।

হামলার কারণ সম্পর্কে দ্বীপ বলেন, ‘আমি সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থী বলেই আমাকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে বলে মনে করছি। আগের রাতের ঘটনার জেরেই এটি হয়েছে। তবে আক্রমনকারীদের কাউকে আমি সেভাবে চিনতে বা শনাক্ত করতে পারি নি।’

এ ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির জানান, হল গুলোর মাঝে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজক। নিজেদের মধ্যকার সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে হল পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে পড়বে এটা মোটেও কাম্য ছিল না। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি একটি সুস্পষ্ট সমাধান হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটির জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরে অঞ্চলভিত্তিক বিরোধে রূপ নেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

জনপ্রিয়

তিন মাসেও শেষ হয়নি পাবিপ্রবির মাঠ সংস্কার

দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশিত ০১:৫৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের এক দিন পর এবার সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাবি, তিনি সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হওয়ায় এবং আগের রাতের দুই হলের সংঘর্ষের জের ধরেই তাঁর ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দ্বীপ কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের প্রথম বর্ষের এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাঁর অভিযোগ, রোববার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বারের মোড় থেকে কেনাকাটা শেষে হলে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়ামের সামনে ১২ থেকে ১৫ জন তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁরা প্রথমে তাঁর হলের নাম জানতে চান। হলের নাম শোনার পর তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আরও জানান, হামলার ফলে তাঁর মাথায় আঘাত লাগে, চশমা ভেঙে যায় এবং আক্রমণকারীরা তার মানিব্যাগ নিয়ে যায়। সেসময় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও সেটি তিনি রক্ষা করতে সক্ষম হন।

হামলার কারণ সম্পর্কে দ্বীপ বলেন, ‘আমি সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থী বলেই আমাকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে বলে মনে করছি। আগের রাতের ঘটনার জেরেই এটি হয়েছে। তবে আক্রমনকারীদের কাউকে আমি সেভাবে চিনতে বা শনাক্ত করতে পারি নি।’

এ ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির জানান, হল গুলোর মাঝে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজক। নিজেদের মধ্যকার সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে হল পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে পড়বে এটা মোটেও কাম্য ছিল না। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি একটি সুস্পষ্ট সমাধান হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটির জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরে অঞ্চলভিত্তিক বিরোধে রূপ নেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।