ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ককটেল-বাসে আগুনে জড়িত আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: পুলিশের দাবি Logo একই মঞ্চে একদিনের ব্যবধানে দুই নেতার ভাষণ, ইরান যুদ্ধের শেষ অনিশ্চিত Logo শুধু ডিগ্রি নয়, শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে হবে: ববি Logo নিজস্ব মোবাইল ফোন আছে ৬৬ শতাংশ মানুষের Logo রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর Logo রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: এক আম্মার, একের পর এক বিতর্ক Logo দিল্লিতে গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়ি-মসজিদ Logo ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত থামাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তান: শাহবাজ Logo গোলান মালভূমি সিরিয়ারই থাকবে, জাতিসংঘে আল-শারার ঘোষণা Logo রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশনের আড়ালে চলত মাদক কারবার

ককটেল-বাসে আগুনে জড়িত আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: পুলিশের দাবি

রাজধানী ঢাকায় সম্প্রতি সংঘটিত বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনার নেপথ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জড়িত বলে দাবি করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক তদন্ত এবং এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে নাশকতার সঙ্গে দলটির সম্পৃক্ততার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সুপরিকল্পিতভাবে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার জন্যই এসব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিনে রাজধানীর মালিবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী, মগবাজার এবং রামপুরাসহ অন্তত বারোটি স্থানে প্রায় বত্রিশটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর পাশাপাশি কাফরুল, মিরপুর, বাড্ডা, পল্লবী ও আজিমপুর এলাকায় অন্তত ছয়টি বাসে আগুন দেওয়া অথবা অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। এসব ঘটনায় ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে হাতেনাতে বা পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে কমলাপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে একজন নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতা এবং অন্যজন যুবলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া আজিমপুর এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টাকালে আটক আমিনুল ইসলাম শাওন নামের এক ব্যক্তিও নিজেকে যুবলীগের কর্মী বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর থেকেই এই নাশকতামূলক কার্যক্রমগুলো বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিটি নাশকতার ঘটনার সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। সাম্প্রতিক এসব সহিংসতার প্রেক্ষাপটে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তি সুরক্ষায় নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

জনপ্রিয়

ককটেল-বাসে আগুনে জড়িত আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: পুলিশের দাবি

ককটেল-বাসে আগুনে জড়িত আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: পুলিশের দাবি

প্রকাশিত ০৭:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানী ঢাকায় সম্প্রতি সংঘটিত বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনার নেপথ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জড়িত বলে দাবি করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক তদন্ত এবং এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে নাশকতার সঙ্গে দলটির সম্পৃক্ততার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সুপরিকল্পিতভাবে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার জন্যই এসব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিনে রাজধানীর মালিবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী, মগবাজার এবং রামপুরাসহ অন্তত বারোটি স্থানে প্রায় বত্রিশটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর পাশাপাশি কাফরুল, মিরপুর, বাড্ডা, পল্লবী ও আজিমপুর এলাকায় অন্তত ছয়টি বাসে আগুন দেওয়া অথবা অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। এসব ঘটনায় ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে হাতেনাতে বা পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে কমলাপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে একজন নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতা এবং অন্যজন যুবলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া আজিমপুর এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টাকালে আটক আমিনুল ইসলাম শাওন নামের এক ব্যক্তিও নিজেকে যুবলীগের কর্মী বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর থেকেই এই নাশকতামূলক কার্যক্রমগুলো বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিটি নাশকতার ঘটনার সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। সাম্প্রতিক এসব সহিংসতার প্রেক্ষাপটে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তি সুরক্ষায় নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।