ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ইউনিয়ন পরিষদে বসেন না সরকারি কর্মকর্তারা, ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা

জাতীয় ডেস্ক: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত কক্ষ থাকলেও সেখানে তাদের নিয়মিত উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে না। ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও কর্মকর্তাদের দেখা না মেলায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

নীতিমালা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের টিউবওয়েল মেকানিক, স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং পরিবার পরিকল্পনা সহকারীদের বসার নির্দিষ্ট কক্ষ রয়েছে। এ ছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি ফিল্ড অফিসার, সমাজসেবা মাঠকর্মী ও আনসার-ভিডিপি দলনেতাদেরও নিয়মিত সেবা দেওয়ার কথা। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব কক্ষের বেশিরভাগই তালাবদ্ধ থাকে এবং কর্মকর্তারা নিয়মিত অফিসে বসেন না।

বিশেষ করে দুর্গম চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রায় দুই কিলোমিটার নদীপথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে গিয়ে সেবা নিতে হয়। একই রকম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ধুলিয়া, কেশবপুর, কাছিপাড়া, কালিশুরী, বগা ও আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে। নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ মৌসুমী আক্তার রুমা জানান, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য কক্ষ বরাদ্দের বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না এবং কর্মকর্তারা নিয়মিত বসলে মানুষের দুর্ভোগ কমত।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা বলছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ মানুষের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হতো। তবে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ জানিয়েছেন যে পর্যাপ্ত জনবলের সংকটের কারণেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়মিত ইউনিয়ন পরিষদে যেতে পারছেন না।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সফরে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী

ইউনিয়ন পরিষদে বসেন না সরকারি কর্মকর্তারা, ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা

প্রকাশিত ১১:২২:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত কক্ষ থাকলেও সেখানে তাদের নিয়মিত উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে না। ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও কর্মকর্তাদের দেখা না মেলায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

নীতিমালা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের টিউবওয়েল মেকানিক, স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং পরিবার পরিকল্পনা সহকারীদের বসার নির্দিষ্ট কক্ষ রয়েছে। এ ছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি ফিল্ড অফিসার, সমাজসেবা মাঠকর্মী ও আনসার-ভিডিপি দলনেতাদেরও নিয়মিত সেবা দেওয়ার কথা। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব কক্ষের বেশিরভাগই তালাবদ্ধ থাকে এবং কর্মকর্তারা নিয়মিত অফিসে বসেন না।

বিশেষ করে দুর্গম চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রায় দুই কিলোমিটার নদীপথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে গিয়ে সেবা নিতে হয়। একই রকম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ধুলিয়া, কেশবপুর, কাছিপাড়া, কালিশুরী, বগা ও আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে। নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ মৌসুমী আক্তার রুমা জানান, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য কক্ষ বরাদ্দের বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না এবং কর্মকর্তারা নিয়মিত বসলে মানুষের দুর্ভোগ কমত।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা বলছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ মানুষের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হতো। তবে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ জানিয়েছেন যে পর্যাপ্ত জনবলের সংকটের কারণেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়মিত ইউনিয়ন পরিষদে যেতে পারছেন না।