ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কোনো মুচলেকায় সই করিনি, আবার আন্দোলনে নামব: দিপকে Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপানের মারুবেনি Logo সম্ভাব্য সঙ্গীর মন জয় করার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কৌশল এক নয় Logo বাংলাদেশে আইফোন ১৮ সিরিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করলো গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকী উপাচার্য শীতল, বললেন হাতে থাকা সময়টুকুই বড় সম্পদ Logo ১২ ফুট অজগর উদ্ধার, টিলাগড়ের বনে অবমুক্ত Logo পারমাণবিক যুদ্ধ ও এআই ঝুঁকিতে মানবজাতি: ল্যানসেট Logo ‘তৌফিক ইমরোজ খালিদীর আত্মকথা’ লিখতে চেয়েছিলাম Logo ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিক ভারত: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo হাড়ের যত্ন শুরু হোক চল্লিশের আগেই

হাড়ের যত্ন শুরু হোক চল্লিশের আগেই

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড় দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি বাড়লেও সচেতনতার অভাব প্রায়শই দেখা যায়। অনেকেই মনে করেন বয়স বাড়লেই কেবল হাড়ের যত্নের কথা ভাবা প্রয়োজন। অথচ শৈশব, কৈশোর ও বিশের কোঠাতেই হাড়ের অধিকাংশ শক্তি ও ঘনত্ব তৈরি হয়। তাই ত্রিশ বা চল্লিশের কোঠায় জীবনযাপনের অভ্যাস ভবিষ্যতে হাড় মজবুত রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে।

মার্কিন ক্রীড়া-চিকিৎসক রিউবেন চেন জানান, হাড়ের শক্তি তৈরির গুরুত্বপূর্ণ সময়টি ধারণার চেয়ে ছোট এবং এরপর ঘনত্ব কমতে থাকে। হাড়ের ঘনত্ব হলো এর ভেতরের খনিজ পদার্থের পরিমাণ, যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাধ্যমে শক্ত থাকে। বয়স বাড়লে বা খনিজ কমলে সামান্য আঘাতেও হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

হাড় ক্ষয়কে অনেক সময় নীরব রোগ বলা হয় কারণ এর প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত কোনো লক্ষণ বা ব্যথা থাকে না। সামান্য আঘাত বা হাড় ভাঙার পরেই কেবল ঘনত্ব কমে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। তবে বয়স, মেনোপজ বা পারিবারিক ইতিহাস অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষা করা সম্ভব।

বিশেষ করে চল্লিশের পর নারী ও পুরুষ উভয়েরই হাড়ের ঘনত্ব কমতে পারে এবং নারীদের মেনোপজের সময় এই ক্ষয় দ্রুত ঘটে। ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ায় এই পরিবর্তন আসে। তাই বয়স বাড়ার অপেক্ষা না করে কম বয়স থেকেই নিয়মিত শরীরচর্চা ও সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

হাড়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে প্রতিদিন অন্তত ত্রিশ মিনিট মাঝারি মানের ব্যায়াম এবং ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলায় হাড় সুরক্ষিত থাকে।

জনপ্রিয়

কোনো মুচলেকায় সই করিনি, আবার আন্দোলনে নামব: দিপকে

হাড়ের যত্ন শুরু হোক চল্লিশের আগেই

প্রকাশিত ০৫:৩৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড় দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি বাড়লেও সচেতনতার অভাব প্রায়শই দেখা যায়। অনেকেই মনে করেন বয়স বাড়লেই কেবল হাড়ের যত্নের কথা ভাবা প্রয়োজন। অথচ শৈশব, কৈশোর ও বিশের কোঠাতেই হাড়ের অধিকাংশ শক্তি ও ঘনত্ব তৈরি হয়। তাই ত্রিশ বা চল্লিশের কোঠায় জীবনযাপনের অভ্যাস ভবিষ্যতে হাড় মজবুত রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে।

মার্কিন ক্রীড়া-চিকিৎসক রিউবেন চেন জানান, হাড়ের শক্তি তৈরির গুরুত্বপূর্ণ সময়টি ধারণার চেয়ে ছোট এবং এরপর ঘনত্ব কমতে থাকে। হাড়ের ঘনত্ব হলো এর ভেতরের খনিজ পদার্থের পরিমাণ, যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাধ্যমে শক্ত থাকে। বয়স বাড়লে বা খনিজ কমলে সামান্য আঘাতেও হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

হাড় ক্ষয়কে অনেক সময় নীরব রোগ বলা হয় কারণ এর প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত কোনো লক্ষণ বা ব্যথা থাকে না। সামান্য আঘাত বা হাড় ভাঙার পরেই কেবল ঘনত্ব কমে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। তবে বয়স, মেনোপজ বা পারিবারিক ইতিহাস অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষা করা সম্ভব।

বিশেষ করে চল্লিশের পর নারী ও পুরুষ উভয়েরই হাড়ের ঘনত্ব কমতে পারে এবং নারীদের মেনোপজের সময় এই ক্ষয় দ্রুত ঘটে। ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ায় এই পরিবর্তন আসে। তাই বয়স বাড়ার অপেক্ষা না করে কম বয়স থেকেই নিয়মিত শরীরচর্চা ও সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

হাড়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে প্রতিদিন অন্তত ত্রিশ মিনিট মাঝারি মানের ব্যায়াম এবং ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলায় হাড় সুরক্ষিত থাকে।