ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর Logo এমবাপের জোড়া গোলে বার্সেলোনার জয়রথ থামাল রেয়াল মাদ্রিদ Logo ‘এমন ইনিংস জীবনে কখনও দেখিনি’, সেঞ্চুরিয়ান শাদাবকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত আফ্রিদি Logo পর্তুগালের বিপক্ষে হেরে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ড্র বাংলাদেশের Logo বাজারে কোন কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডার কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে? Logo চলে গেলেন বাংলার বিশ্বমানের চিত্রকর যোগেন চৌধুরী Logo কম্পানিকে ছাড়া প্রথম ম্যাচ জিতে শীর্ষে ফিরল বায়ার্ন Logo সিকদার গ্রুপের ‘পাচার অর্থ’ উদ্ধারে ‘আগাম টাকা চায়’ রিকভারি এজেন্ট Logo সোনার দাম বাড়ে-কমে কেন, কীভাবে হয় দাম নির্ধারণ Logo চাঁদাবাজির অভিযোগে রায়েরবাজার থেকে বিএনপি নেতা রাজেশ গ্রেপ্তার

বাজারে কোন কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডার কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে?

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরও বাজারে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। সরকারিভাবে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা অনেক বেশি দামে বিক্রির তথ্য পেয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। সম্প্রতি ঢাকার পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খুচরা বাজারে অভিযান চালিয়ে এই চিত্র পাওয়া গেছে। ডিলার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্যে দেখা গেছে, তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির সিলিন্ডার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার সাভার, ধামরাই, কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার ৩৯টি কোম্পানির মধ্যে ২৯টিতেই বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে বসুন্ধরার সিলিন্ডার। বিভিন্ন এলাকায় কোম্পানিভেদে ১২ কেজির একেকটি সিলিন্ডার ১ হাজার ৭৯০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে দোহার উপজেলায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিলিন্ডার কিছুটা কম দামে অর্থাৎ নির্ধারিত দামের চেয়ে কমে বিক্রির তথ্য মিলেছে।

বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দাম নেওয়ার দায়ে কেরানীগঞ্জসহ কিছু এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। ডিলারদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা চলছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দোকানিদের মূল্যতালিকা প্রদর্শন ও সরকারি নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রির বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।

এদিকে গ্যাস বাজারজাতকারী কোম্পানিগুলো নির্ধারিত দামে ব্যবসা চালানো কঠিন বলে দাবি করছে। মজুদ, বোতলজাতকরণ, পরিবহন, কারখানা পরিচালনা এবং ব্যাংকঋণের সুদসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যয় বৃদ্ধির কথা বলে তারা কমিশন ও মুনাফা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এলপিজির দাম ও বিভিন্ন ব্যয় বৃদ্ধির এই প্রস্তাব নিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানি করার কথা রয়েছে। ২০২১ সাল থেকে সৌদি আরামকোর চুক্তিমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে বিইআরসি নিয়মিতভাবে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে।

জনপ্রিয়

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

বাজারে কোন কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডার কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে?

প্রকাশিত ০৩:৩৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরও বাজারে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। সরকারিভাবে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা অনেক বেশি দামে বিক্রির তথ্য পেয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। সম্প্রতি ঢাকার পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খুচরা বাজারে অভিযান চালিয়ে এই চিত্র পাওয়া গেছে। ডিলার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্যে দেখা গেছে, তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির সিলিন্ডার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার সাভার, ধামরাই, কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার ৩৯টি কোম্পানির মধ্যে ২৯টিতেই বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে বসুন্ধরার সিলিন্ডার। বিভিন্ন এলাকায় কোম্পানিভেদে ১২ কেজির একেকটি সিলিন্ডার ১ হাজার ৭৯০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে দোহার উপজেলায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিলিন্ডার কিছুটা কম দামে অর্থাৎ নির্ধারিত দামের চেয়ে কমে বিক্রির তথ্য মিলেছে।

বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দাম নেওয়ার দায়ে কেরানীগঞ্জসহ কিছু এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। ডিলারদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা চলছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দোকানিদের মূল্যতালিকা প্রদর্শন ও সরকারি নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রির বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।

এদিকে গ্যাস বাজারজাতকারী কোম্পানিগুলো নির্ধারিত দামে ব্যবসা চালানো কঠিন বলে দাবি করছে। মজুদ, বোতলজাতকরণ, পরিবহন, কারখানা পরিচালনা এবং ব্যাংকঋণের সুদসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যয় বৃদ্ধির কথা বলে তারা কমিশন ও মুনাফা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এলপিজির দাম ও বিভিন্ন ব্যয় বৃদ্ধির এই প্রস্তাব নিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানি করার কথা রয়েছে। ২০২১ সাল থেকে সৌদি আরামকোর চুক্তিমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে বিইআরসি নিয়মিতভাবে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে।