ঢাকা ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর Logo এমবাপের জোড়া গোলে বার্সেলোনার জয়রথ থামাল রেয়াল মাদ্রিদ Logo ‘এমন ইনিংস জীবনে কখনও দেখিনি’, সেঞ্চুরিয়ান শাদাবকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত আফ্রিদি Logo পর্তুগালের বিপক্ষে হেরে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ড্র বাংলাদেশের Logo বাজারে কোন কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডার কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে? Logo চলে গেলেন বাংলার বিশ্বমানের চিত্রকর যোগেন চৌধুরী Logo কম্পানিকে ছাড়া প্রথম ম্যাচ জিতে শীর্ষে ফিরল বায়ার্ন Logo সিকদার গ্রুপের ‘পাচার অর্থ’ উদ্ধারে ‘আগাম টাকা চায়’ রিকভারি এজেন্ট Logo সোনার দাম বাড়ে-কমে কেন, কীভাবে হয় দাম নির্ধারণ Logo চাঁদাবাজির অভিযোগে রায়েরবাজার থেকে বিএনপি নেতা রাজেশ গ্রেপ্তার

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

অপরাধ ডেস্ক: গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় শিশু কন্যাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুঠোফোনে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে গাজীপুর ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে গেছেন। রুমির বাসার কেয়ারটেকার জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলেন তিনি। সংবাদ প্রকাশের পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের উদ্বেগ আরও বহুগুণ বেড়ে যায় এবং তারা বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। পেশায় ফেব্রিক ব্যবসায়ী ও বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রুমি সন্তানদের সুশিক্ষিত করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির কারণে তিনি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর আশঙ্কায় আছেন।

এই অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে যার একটি করেছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি শিশুটির বাবা রুমি নিজেই। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ ও ভাঙচুরের মতো বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে এবং দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এদিকে মেয়ের ওপর ঘটা অন্যায়ের সঠিক বিচার পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ভুক্তভোগী বাবা। দেশজুড়ে আলোচিত এই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ করা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে সমাজের বিভিন্ন মহলে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলছে এবং শিশুটির গোপনীয়তা রক্ষা করে বিষয়টি যাচাই করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ হোসেন জানিয়েছেন যে পুলিশ দুটি মামলাই অত্যন্ত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছে। তদন্তের কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত মামলার বিস্তারিত কোনো বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মুখ খুলতে নারাজ। মূলত তদন্ত সাপেক্ষে সমগ্র বিষয়টি যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই ঘটনাটি প্রকাশের পর থেকেই শিশুটির মানসিক অবস্থাও মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মেয়ের ভবিষ্যৎ কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত তার বাবা।

জনপ্রিয়

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

প্রকাশিত ০৫:২২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় শিশু কন্যাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুঠোফোনে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে গাজীপুর ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে গেছেন। রুমির বাসার কেয়ারটেকার জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলেন তিনি। সংবাদ প্রকাশের পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের উদ্বেগ আরও বহুগুণ বেড়ে যায় এবং তারা বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। পেশায় ফেব্রিক ব্যবসায়ী ও বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রুমি সন্তানদের সুশিক্ষিত করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির কারণে তিনি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর আশঙ্কায় আছেন।

এই অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে যার একটি করেছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি শিশুটির বাবা রুমি নিজেই। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ ও ভাঙচুরের মতো বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে এবং দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এদিকে মেয়ের ওপর ঘটা অন্যায়ের সঠিক বিচার পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ভুক্তভোগী বাবা। দেশজুড়ে আলোচিত এই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ করা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে সমাজের বিভিন্ন মহলে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলছে এবং শিশুটির গোপনীয়তা রক্ষা করে বিষয়টি যাচাই করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ হোসেন জানিয়েছেন যে পুলিশ দুটি মামলাই অত্যন্ত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছে। তদন্তের কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত মামলার বিস্তারিত কোনো বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মুখ খুলতে নারাজ। মূলত তদন্ত সাপেক্ষে সমগ্র বিষয়টি যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই ঘটনাটি প্রকাশের পর থেকেই শিশুটির মানসিক অবস্থাও মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মেয়ের ভবিষ্যৎ কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত তার বাবা।