ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

যেসব খাবার থেকে মিলবে ম্যাগনেসিয়াম

স্বাস্থ্য ডেস্ক: শরীরের বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়া সচল রাখতে ম্যাগনেসিয়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান হিসেবে কাজ করে। পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা, রক্তচাপ ও শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং হাড় গঠনে এই খনিজটির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথ জানিয়েছে যে শরীরে পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম না থাকলে শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যাঘাত ঘটে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই পুষ্টি উপাদানসমृद्ध খাবার রাখা অত্যন্ত আবশ্যক।

খাদ্যাভ্যাসে অতিরিক্ত পরিশোধিত খাবার ও ময়দার আধিক্য থাকলে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘমেয়াদি হজমের সমস্যায় ভোগা রোগী এবং টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের শরীরে এই খনিজের ঘাটতি হতে পারে। সাধারণত বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে খাবার থেকেই এর চাহিদা পূরণ করা শ্রেয়।

নিয়মিত বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে ম্যাগনেসিয়ামের চাহিদা সহজে মেটানো সম্ভব। কুমড়ার বীজ, তিল, কাঠবাদাম এবং কাজুবাদামে প্রচুর পরিমাণে এই খনিজ রয়েছে যা সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া পালংশাক ও লালশাকের মতো গাঢ় সবুজ শাকসবজিতেও প্রচুর ক্লোরোফিল ও ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

সাদা চালের পরিবর্তে লাল চাল, লাল আটার রুটি ও ওটসের মতো গোটা শস্য খাদ্যতালিকায় রাখা অত্যন্ত উপকারী। পাশাপাশি মসুর ডাল, মুগ ডাল, ছোলা এবং বিভিন্ন ধরনের মাছেও প্রয়োজনীয় ম্যাগনেসিয়াম ও পুষ্টি উপাদান রয়েছে। রান্নার সময় শাকসবজি অতিরিক্ত সেদ্ধ না করা এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করলে শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য বজায় থাকে।

জনপ্রিয়

গোলাপি আভায় জয়া আহসান

যেসব খাবার থেকে মিলবে ম্যাগনেসিয়াম

প্রকাশিত ১১:৩৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: শরীরের বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়া সচল রাখতে ম্যাগনেসিয়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান হিসেবে কাজ করে। পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা, রক্তচাপ ও শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং হাড় গঠনে এই খনিজটির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথ জানিয়েছে যে শরীরে পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম না থাকলে শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যাঘাত ঘটে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই পুষ্টি উপাদানসমृद्ध খাবার রাখা অত্যন্ত আবশ্যক।

খাদ্যাভ্যাসে অতিরিক্ত পরিশোধিত খাবার ও ময়দার আধিক্য থাকলে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘমেয়াদি হজমের সমস্যায় ভোগা রোগী এবং টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের শরীরে এই খনিজের ঘাটতি হতে পারে। সাধারণত বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে খাবার থেকেই এর চাহিদা পূরণ করা শ্রেয়।

নিয়মিত বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে ম্যাগনেসিয়ামের চাহিদা সহজে মেটানো সম্ভব। কুমড়ার বীজ, তিল, কাঠবাদাম এবং কাজুবাদামে প্রচুর পরিমাণে এই খনিজ রয়েছে যা সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া পালংশাক ও লালশাকের মতো গাঢ় সবুজ শাকসবজিতেও প্রচুর ক্লোরোফিল ও ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

সাদা চালের পরিবর্তে লাল চাল, লাল আটার রুটি ও ওটসের মতো গোটা শস্য খাদ্যতালিকায় রাখা অত্যন্ত উপকারী। পাশাপাশি মসুর ডাল, মুগ ডাল, ছোলা এবং বিভিন্ন ধরনের মাছেও প্রয়োজনীয় ম্যাগনেসিয়াম ও পুষ্টি উপাদান রয়েছে। রান্নার সময় শাকসবজি অতিরিক্ত সেদ্ধ না করা এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করলে শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য বজায় থাকে।