খেলা ডেস্ক: কেপ টাউনে সিরিজের নির্ধারণী টেস্টের প্রথম দিনটি ব্যাট ও বলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ভরপুর ছিল। ম্যাচের মোড় বারবার নাটকীয়ভাবে ঘুরে যাওয়ায় টেস্ট ক্রিকেট এক জমজমাট দিন উপভোগ করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে দারুণ শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি। দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শনীতে প্রোটিয়াদের ইনিংস তিনশ রান পার হলেও সাড়ে তিনশ পর্যন্ত যেতে দেয়নি অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচের শুরুতে স্বাগতিক দলটির ওপেনাররা দুর্দান্ত ব্যাটিং করে বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেন। ইনিংসের শুরুর দিকে কোনো উইকেট না হারিয়েই তারা দেড়শ রান পার করে ফেলেছিল। তবে সেই জুটি ভাঙার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা। একপর্যায়ে তাদের স্কোর ছয় উইকেটে দুইশ ত্রিশের কোঠায় নেমে আসে।
দলের এমন বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে মিডল অর্ডারে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মার্কেস অ্যাকারম্যান। নিজের ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা এই ব্যাটার সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও ৯৫ রানে আউট হন। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার আরও তিনজন ব্যাটার ব্যক্তিগত ইনিংসে ফিফটির দেখা পান। এই ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ইনিংসের সুবাদে দলটি লড়াই করার মতো পুঁজি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।
দ্বিতীয় নতুন বল হাতে নেওয়ার পরই ম্যাচের দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার মিচেল স্টার্ক। মাত্র ছয় বলের ব্যবধানে চার উইকেট শিকার করে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস ধসিয়ে দেন। শেষের ব্যাটারদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ায় স্বাগতিক দলটির সংগ্রহ তিনশ উনত্রিশ রানে গিয়ে থামে।
সব আলো নিজের দিকে কেড়ে নিয়ে স্টার্ক ৭২ খরচ করে একাই ছয়টি উইকেট শিকার করেন। দীর্ঘ টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার বিশতম ইনিংসে পাঁচ উইকেট প্রাপ্তির কীর্তি। তার এই অসাধারণ বোলিংয়ের কারণেই প্রথম দিনের খেলায় আধিপত্য বজায় রাখতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া।





































