ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তরুণীর সঙ্গে আপত্তির ভিডিও: ‘এমপি আজিজের ব্যাপারে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নেবে’ Logo সুন্দরবনে মাছের মজুদ: বেড়েছে ৯ প্রজাতির, কমেছে ৬ Logo শ্রীমঙ্গলে সমাপ্তি ঘটল কবির-লালন ভাবসংগীত উৎসবের Logo ৬ উইকেট নিয়ে আইরিশ রেকর্ড ভারতীয় বংশোদ্ভূত পেসারের Logo ‘বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা’ Logo অস্ট্রেলিয়া সফর করল এআইইউবির প্রতিনিধি দল Logo চবির হীরকজয়ন্তী উদযাপনে রেজিস্ট্রেশন শুরু Logo ঢাকা-সৌদি রুটের ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল, প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে Logo ব্র্যাক ব্যাংক-বিএইচএফ হকি ক্যাম্পে প্রশিক্ষণে ২৪ নারী গোলরক্ষক Logo রিকেলটন-মুল্ডারের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর শেষ দিনের রোমাঞ্চের অপেক্ষা

সিঙ্গাপুরে ২৪০ শ্রমিকের বেতন বকেয়া, ওয়ার্ক পারমিট বাতিল, অধিকাংশই বাংলাদেশি

প্রবাস ডেস্ক: সিঙ্গাপুরের প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের দুটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ২৪০ জন অভিবাসী শ্রমিকের গত তিন মাস ধরে কোনো বেতন পরিশোধ করা হয়নি। এর মধ্যে হঠাৎ করেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দুটি এসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটও বাতিল করে দিয়েছে। বকেয়া বেতন না পাওয়া এই কর্মীদের সিংহভাগই বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে। আকস্মিক এমন পরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী শ্রমিকরা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ‘প্রসেস মেইনটেনেন্স সলিউশনস’ ও ‘জুরং টেকনিক্যাল অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে বর্তমানে তদন্ত পরিচালনা করছে সিঙ্গাপুরের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠান দুটির বর্তমান পরিচালকরা এমন এক ব্যক্তির কাছ থেকে মালিকানা গ্রহণ করেছিলেন, যিনি চলতি বছরের মাঝামাঝিতে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। একই ডরমিটরিতে থাকা এই দুই কোম্পানির কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর যোগসাজশ রয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

ভুক্তভোগী বাংলাদেশি শ্রমিক হোসাইন মিদুল গণমাধ্যমকে জানান, সিঙ্গাপুরে আসার জন্য তিনি চড়া সুদে বিশাল পরিমাণ ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু গত আগস্ট থেকে বেতন বন্ধ থাকা এবং কোনো কারণ ছাড়াই ওয়ার্ক পারমিট বাতিল হওয়ায় তিনি দেশে পরিবারকে কোনো অর্থ পাঠাতে পারছেন না। অপর শ্রমিক সাইমন ইসলাম জানিয়েছেন, তারও প্রায় ১৮শ ডলার বেতন বকেয়া রয়েছে। কাজের সুযোগ ও পাওনা টাকা ফিরে পাওয়া নিয়ে তারা এখন গভীরভাবে আতঙ্কিত।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের দাবি আদায়ে সহায়তা দিচ্ছে সিঙ্গাপুরের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সেন্টার। এছাড়া এমডব্লিউসি এবং সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলো শ্রমিকদের উপযুক্ত কর্মসংস্থান ও স্থানান্তরের পাশাপাশি খাদ্য সহায়তা প্রদান করছে। নিয়োগকর্তারা সময়মতো বেতন পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী তাদের সিকিউরিটি বন্ড বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে।

জনপ্রিয়

তরুণীর সঙ্গে আপত্তির ভিডিও: ‘এমপি আজিজের ব্যাপারে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নেবে’

সিঙ্গাপুরে ২৪০ শ্রমিকের বেতন বকেয়া, ওয়ার্ক পারমিট বাতিল, অধিকাংশই বাংলাদেশি

প্রকাশিত ১২:৩৭:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

প্রবাস ডেস্ক: সিঙ্গাপুরের প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের দুটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ২৪০ জন অভিবাসী শ্রমিকের গত তিন মাস ধরে কোনো বেতন পরিশোধ করা হয়নি। এর মধ্যে হঠাৎ করেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দুটি এসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটও বাতিল করে দিয়েছে। বকেয়া বেতন না পাওয়া এই কর্মীদের সিংহভাগই বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে। আকস্মিক এমন পরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী শ্রমিকরা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ‘প্রসেস মেইনটেনেন্স সলিউশনস’ ও ‘জুরং টেকনিক্যাল অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে বর্তমানে তদন্ত পরিচালনা করছে সিঙ্গাপুরের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠান দুটির বর্তমান পরিচালকরা এমন এক ব্যক্তির কাছ থেকে মালিকানা গ্রহণ করেছিলেন, যিনি চলতি বছরের মাঝামাঝিতে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। একই ডরমিটরিতে থাকা এই দুই কোম্পানির কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর যোগসাজশ রয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

ভুক্তভোগী বাংলাদেশি শ্রমিক হোসাইন মিদুল গণমাধ্যমকে জানান, সিঙ্গাপুরে আসার জন্য তিনি চড়া সুদে বিশাল পরিমাণ ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু গত আগস্ট থেকে বেতন বন্ধ থাকা এবং কোনো কারণ ছাড়াই ওয়ার্ক পারমিট বাতিল হওয়ায় তিনি দেশে পরিবারকে কোনো অর্থ পাঠাতে পারছেন না। অপর শ্রমিক সাইমন ইসলাম জানিয়েছেন, তারও প্রায় ১৮শ ডলার বেতন বকেয়া রয়েছে। কাজের সুযোগ ও পাওনা টাকা ফিরে পাওয়া নিয়ে তারা এখন গভীরভাবে আতঙ্কিত।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের দাবি আদায়ে সহায়তা দিচ্ছে সিঙ্গাপুরের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সেন্টার। এছাড়া এমডব্লিউসি এবং সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলো শ্রমিকদের উপযুক্ত কর্মসংস্থান ও স্থানান্তরের পাশাপাশি খাদ্য সহায়তা প্রদান করছে। নিয়োগকর্তারা সময়মতো বেতন পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী তাদের সিকিউরিটি বন্ড বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে।