সাহিত্য ডেস্ক: চলতি বছরে মর্যাদাপূর্ণ ‘আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার’ অর্জন করেছেন বিশিষ্ট কবি আবিদ আনোয়ার এবং শিশু সাহিত্যিক, গল্পকার ও নাট্যকার মাসুম মাহমুদ। রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনের তৌফিক ইমাম সেমিনার হলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। কিশোরগঞ্জের ‘আবু খালেদ পাঠান ফাউন্ডেশন’ তৃতীয়বারের মতো সফলভাবে এই সাহিত্য সম্মাননার আয়োজন সম্পন্ন করেছে। মূলত ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই সাহিত্য পুরস্কারের শুভ সূচনা করা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের বক্তব্যে সাহিত্যচর্চার বিভিন্ন দিক এবং পুরস্কারের গুরুত্ব উঠে আসে। খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, পুরস্কারপ্রাপ্ত সাহিত্যিকদের প্রাপ্তির মাত্রা আরও বৃদ্ধি করা দরকার। তিনি আরও যোগ করেন, অনেক সাহিত্য পুরস্কার অতীতে বন্ধ হয়ে গেলেও বর্তমানে বহু লেখক চমৎকার লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কাজের সঠিক মূল্যায়নের জন্য সম্মাননার আর্থিক বা নান্দনিক মূল্যমান যথেষ্ট সম্মানজনক হওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিশিষ্ট কবি ফরিদ কবির অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে আবু খালেদ পাঠানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন যে, সমাজে এমন কিছু মানুষ থাকেন যারা কেবল নিঃস্বার্থভাবে সমাজকে দিয়ে যান। আবু খালেদ পাঠান ঠিক তেমনই একজন মহৎপ্রাণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। কিশোরগঞ্জ জেলার মানুষের এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে যে তিনি সকলের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন। এই ধরনের কল্যাণমুখী উদ্যোগ নবীন লেখকদের সাহিত্য সাধনায় আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আবু খালেদ পাঠান ফাউন্ডেশনের সভাপতি নায়লা ইয়াসমিন এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি জানান যে, মূলত কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের উদীয়মান ও প্রতিভাবান কবি-সাহিত্যিকদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যেই এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে। স্থানীয় সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ এবং লেখকদের কাজের স্বীকৃতি প্রদানে এই ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আয়োজকদের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় লেখক মহলে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।





































