ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo গবেষণা নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি ‘বিভ্রান্তিমূলক’: টিআইবি Logo ফ্রিদা কাহলো: যন্ত্রণার ক্যানভাসে এক বিদ্রোহী জীবন Logo জনরোষ এড়াতে ডেটা সেন্টারের নাম বদলাচ্ছে ওপেনএআই Logo সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা Logo গ্রেপ্তার হওয়া ৪০ জনের কেউই শ্রমিক নন: ঢাকা ডিআইজি Logo ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু Logo উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে: বিশ্ব ব্যাংক Logo মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলা: সেই অভিভাবককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ Logo ভিভো ভি৮০ আসছে রাইজ অরেঞ্জের নতুন আকর্ষণে! Logo রাবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭৪ শিক্ষক-শিক্ষার্থী

উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে: বিশ্ব ব্যাংক

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের প্রধান সংকট ও জনমিতিক সম্ভাবনার চ্যালেঞ্জ নিয়ে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব ব্যাংক। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, অনুকূল জনমিতিক কাঠামো থাকা সত্ত্বেও শ্রমবাজারে পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। এর ফলে দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর প্রায় ৮৪ শতাংশ মানুষ বাধ্য হয়ে অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন।

বিশ্ব ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পর্যাপ্ত ভালো চাকরির অভাব থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনকারী তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যুক্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন। এই খাতের কর্মীরা সাধারণত কোনো নিয়োগপত্র পান না এবং তাদের চাকরির কোনো আইনি সুরক্ষা বা নির্ধারিত মজুরিকাঠামো থাকে না। এছাড়া আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বার্ষিক হার মাত্র ২ দশমিক ৭ শতাংশ, যা অনেক উদীয়মান অর্থনীতির দেশের তুলনায় বেশ কম।

প্রতিবেদনে আরও তুলে ধরা হয়েছে যে, প্রাতিষ্ঠানিক খাতের পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের অবস্থাও বেশ দুর্বল এবং সেখানে নানা ধরনের বৈষম্য রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের তুলনায় শহর এলাকায় চিকিৎসকদের ঘনত্ব প্রায় ১৮ গুণ বেশি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া সামাজিক সুরক্ষা খাতে বাংলাদেশের ব্যয় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জনমিতিক লভ্যাংশ পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের উপযুক্ত দক্ষতায় গড়ে তোলা এবং নারীদের কর্মসংস্থানের বাধা দূর করতে হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

গবেষণা নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি ‘বিভ্রান্তিমূলক’: টিআইবি

উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে: বিশ্ব ব্যাংক

প্রকাশিত ০৭:৫২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের প্রধান সংকট ও জনমিতিক সম্ভাবনার চ্যালেঞ্জ নিয়ে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব ব্যাংক। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, অনুকূল জনমিতিক কাঠামো থাকা সত্ত্বেও শ্রমবাজারে পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। এর ফলে দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর প্রায় ৮৪ শতাংশ মানুষ বাধ্য হয়ে অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন।

বিশ্ব ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পর্যাপ্ত ভালো চাকরির অভাব থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনকারী তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যুক্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন। এই খাতের কর্মীরা সাধারণত কোনো নিয়োগপত্র পান না এবং তাদের চাকরির কোনো আইনি সুরক্ষা বা নির্ধারিত মজুরিকাঠামো থাকে না। এছাড়া আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বার্ষিক হার মাত্র ২ দশমিক ৭ শতাংশ, যা অনেক উদীয়মান অর্থনীতির দেশের তুলনায় বেশ কম।

প্রতিবেদনে আরও তুলে ধরা হয়েছে যে, প্রাতিষ্ঠানিক খাতের পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের অবস্থাও বেশ দুর্বল এবং সেখানে নানা ধরনের বৈষম্য রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের তুলনায় শহর এলাকায় চিকিৎসকদের ঘনত্ব প্রায় ১৮ গুণ বেশি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া সামাজিক সুরক্ষা খাতে বাংলাদেশের ব্যয় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জনমিতিক লভ্যাংশ পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের উপযুক্ত দক্ষতায় গড়ে তোলা এবং নারীদের কর্মসংস্থানের বাধা দূর করতে হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।