ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জনরোষ এড়াতে ডেটা সেন্টারের নাম বদলাচ্ছে ওপেনএআই Logo সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা Logo গ্রেপ্তার হওয়া ৪০ জনের কেউই শ্রমিক নন: ঢাকা ডিআইজি Logo ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু Logo উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে: বিশ্ব ব্যাংক Logo মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলা: সেই অভিভাবককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ Logo ভিভো ভি৮০ আসছে রাইজ অরেঞ্জের নতুন আকর্ষণে! Logo রাবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭৪ শিক্ষক-শিক্ষার্থী Logo মহাকাশে চালু হয়েছে গুগলের এআই, লিখেছে কবিতাও Logo উদযাপিত হলো হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু

রাজধানী ডেস্ক: রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ই-রিকশার আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অটোরিকশাচালকদের হাতে নিবন্ধন ফরম তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এই নিবন্ধন আবেদন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে একশ টাকা। তবে সিটি করপোরেশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কেবল ফরম সংগ্রহ বা জমা দিলেই গাড়ি চালানোর অনুমতি মিলবে না। দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে ধীরগতির এই যানগুলোকে নিয়মের মধ্যে আনতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম জানান, আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর বুয়েটের কারিগরি ছাড়পত্র নিতে হবে এবং নির্ধারিত ওয়ার্কশপেই এসব গাড়ি তৈরি করতে হবে। এছাড়া ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য থানা কিংবা ওয়ার্ডভিত্তিক চার্জিং পয়েন্ট স্থাপন করা হবে। কোন এলাকায় ঠিক কতটি ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে, তা পরবর্তীতে সিটি করপোরেশন নির্ধারণ করে দেবে। এর আগে দেশের তেরোটি সিটি করপোরেশনে এই নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়, যার মাধ্যমে যানগুলোকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানান যে দীর্ঘদিন ধরে কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ই-রিকশাগুলো চলাচল করে আসছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে এসব যানবাহনের ভাড়া নির্ধারণ এবং চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার আইন সংশোধন করে এই নিবন্ধনের আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং সম্পন্ন হওয়ার পর এসংক্রান্ত বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। ফলে এই যানগুলোর নিবন্ধন শুরু করতে আইনি কোনো বাধা অবশিষ্ট নেই। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অনিয়ন্ত্রিত যানগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা এবং এর মাধ্যমে নগর পরিবহনে দীর্ঘমেয়াদী সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।

জনপ্রিয়

জনরোষ এড়াতে ডেটা সেন্টারের নাম বদলাচ্ছে ওপেনএআই

ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু

প্রকাশিত ০৮:০৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানী ডেস্ক: রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ই-রিকশার আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অটোরিকশাচালকদের হাতে নিবন্ধন ফরম তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এই নিবন্ধন আবেদন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে একশ টাকা। তবে সিটি করপোরেশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কেবল ফরম সংগ্রহ বা জমা দিলেই গাড়ি চালানোর অনুমতি মিলবে না। দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে ধীরগতির এই যানগুলোকে নিয়মের মধ্যে আনতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম জানান, আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর বুয়েটের কারিগরি ছাড়পত্র নিতে হবে এবং নির্ধারিত ওয়ার্কশপেই এসব গাড়ি তৈরি করতে হবে। এছাড়া ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য থানা কিংবা ওয়ার্ডভিত্তিক চার্জিং পয়েন্ট স্থাপন করা হবে। কোন এলাকায় ঠিক কতটি ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে, তা পরবর্তীতে সিটি করপোরেশন নির্ধারণ করে দেবে। এর আগে দেশের তেরোটি সিটি করপোরেশনে এই নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়, যার মাধ্যমে যানগুলোকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানান যে দীর্ঘদিন ধরে কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই ই-রিকশাগুলো চলাচল করে আসছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে এসব যানবাহনের ভাড়া নির্ধারণ এবং চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার আইন সংশোধন করে এই নিবন্ধনের আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং সম্পন্ন হওয়ার পর এসংক্রান্ত বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। ফলে এই যানগুলোর নিবন্ধন শুরু করতে আইনি কোনো বাধা অবশিষ্ট নেই। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অনিয়ন্ত্রিত যানগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা এবং এর মাধ্যমে নগর পরিবহনে দীর্ঘমেয়াদী সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।